সিদ্ধিরগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও স্বার্থের প্রশ্নে কোনো আপস করা হবে না। ভারতের দাদাগিরিও এই দেশে আর চলবে না। দিল্লি থেকে ঢাকার কোনো সিদ্ধান্ত নির্ধারিত হবে না।
আজ মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন চিটাগাং রোডস্থ শিমরাইল মোড়ে এক পথসভায় বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রশ্নে আমরা আপসহীন। ভারতের দাদাগিরি আর এই বাংলাদেশ চলবে না। ভারতের দিল্লি থেকে ঢাকার মস্ত নির্ধারিত হবে না। দিল্লি থেকে এই দেশের গণভবনে কে বসবে সেই সিদ্ধান্ত আর আসবে না। পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশে যারা শাসনক্ষমতায় আসবে, তারা দিল্লিমুখী না হয়ে, ভারতমুখী না হয়ে আপনারা জনতামুখী হোন। যারা দিল্লিমুখী হয়েছিল, তাদেরকে আমরা মাত্র ৪৫ মিনিটে সীমান্তের ওপারে পাঠিয়েছি।’
হাসনাত আবদুল্লাহ আরও বলেন, ‘যারা আবার দিল্লিমুখী হচ্ছেন, ভারতমুখী হচ্ছেন, আপনারা নিকট অতীত ভুলে যাবেন না। মানুষের কাছে ফিরে আসেন, মানুষের কথা শোনেন আর জন-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করেন। আপনাদের সঙ্গে দেখা হবে লড়াইয়ে-সংগ্রামে।’
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক আরও বলেন, ‘আমাদের লড়াই শেষ হয়ে যায়নি, আমাদের শহীদ হওয়ার যাত্রা অব্যাহত থাকবে। আমাদের ওয়াসিম শহীদ হয়েছে, মুগ্ধ শহীদ হয়েছে, আবু সাঈদ শহীদ হয়েছে। এরপর হয়তো শহীদদের খাতায় আমার কিংবা আপনার নাম থাকতে পারে। আমাদের সবার নাম থাকতে পারে। কিন্তু বাংলাদেশ প্রশ্নে যদি আমাদের রক্ত দিতে হয়, আমরা পরবর্তীতে আমাদের নাগরিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে আবু সাঈদ যেভাবে রক্ত দিয়েছে, আমরাও সেভাবে রক্ত দেওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছি।’
জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্রের দাবির কেন্দ্র ঘোষিত গণসংযোগ কর্মসূচির অংশ হিসেবে নারায়ণগঞ্জে সিদ্ধিরগঞ্জে লিফলেট বিতরণ, গণসংযোগ ও পথসভার আয়োজন করেন জাতীয় নাগরিক কমিটি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
ওই পথসভায় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখপাত্র সামান্তা শারমিন, যুগ্ম সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল আমিন, যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আহসান জোনায়েদ, সহ-মুখপাত্র আরেফিন মুহাম্মাদ হিজবুল্লাহ, কেন্দ্রীয় সদস্য শওকত আলীসহ কেন্দ্রীয় ও নারায়ণগঞ্জের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও নাগরিক কমিটির নেতারা।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও স্বার্থের প্রশ্নে কোনো আপস করা হবে না। ভারতের দাদাগিরিও এই দেশে আর চলবে না। দিল্লি থেকে ঢাকার কোনো সিদ্ধান্ত নির্ধারিত হবে না।
আজ মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন চিটাগাং রোডস্থ শিমরাইল মোড়ে এক পথসভায় বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রশ্নে আমরা আপসহীন। ভারতের দাদাগিরি আর এই বাংলাদেশ চলবে না। ভারতের দিল্লি থেকে ঢাকার মস্ত নির্ধারিত হবে না। দিল্লি থেকে এই দেশের গণভবনে কে বসবে সেই সিদ্ধান্ত আর আসবে না। পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশে যারা শাসনক্ষমতায় আসবে, তারা দিল্লিমুখী না হয়ে, ভারতমুখী না হয়ে আপনারা জনতামুখী হোন। যারা দিল্লিমুখী হয়েছিল, তাদেরকে আমরা মাত্র ৪৫ মিনিটে সীমান্তের ওপারে পাঠিয়েছি।’
হাসনাত আবদুল্লাহ আরও বলেন, ‘যারা আবার দিল্লিমুখী হচ্ছেন, ভারতমুখী হচ্ছেন, আপনারা নিকট অতীত ভুলে যাবেন না। মানুষের কাছে ফিরে আসেন, মানুষের কথা শোনেন আর জন-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করেন। আপনাদের সঙ্গে দেখা হবে লড়াইয়ে-সংগ্রামে।’
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক আরও বলেন, ‘আমাদের লড়াই শেষ হয়ে যায়নি, আমাদের শহীদ হওয়ার যাত্রা অব্যাহত থাকবে। আমাদের ওয়াসিম শহীদ হয়েছে, মুগ্ধ শহীদ হয়েছে, আবু সাঈদ শহীদ হয়েছে। এরপর হয়তো শহীদদের খাতায় আমার কিংবা আপনার নাম থাকতে পারে। আমাদের সবার নাম থাকতে পারে। কিন্তু বাংলাদেশ প্রশ্নে যদি আমাদের রক্ত দিতে হয়, আমরা পরবর্তীতে আমাদের নাগরিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে আবু সাঈদ যেভাবে রক্ত দিয়েছে, আমরাও সেভাবে রক্ত দেওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছি।’
জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্রের দাবির কেন্দ্র ঘোষিত গণসংযোগ কর্মসূচির অংশ হিসেবে নারায়ণগঞ্জে সিদ্ধিরগঞ্জে লিফলেট বিতরণ, গণসংযোগ ও পথসভার আয়োজন করেন জাতীয় নাগরিক কমিটি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
ওই পথসভায় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখপাত্র সামান্তা শারমিন, যুগ্ম সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল আমিন, যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আহসান জোনায়েদ, সহ-মুখপাত্র আরেফিন মুহাম্মাদ হিজবুল্লাহ, কেন্দ্রীয় সদস্য শওকত আলীসহ কেন্দ্রীয় ও নারায়ণগঞ্জের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও নাগরিক কমিটির নেতারা।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২৪ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে