নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জ–৫ আসনের সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান বলেছেন, ‘এক বিএনপি নেতা বঙ্গবন্ধুকে অপমান করেছে। সে আবার এই এলাকা থেকে নির্বাচন করার কলিজাটা কোথায় পায়? কোথায় আমার আওয়ামী লীগের কর্মীরা? আপনারা হাতে কি চুরি পড়েছেন?’
মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) বিকেলে নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার পুরান বন্দর এলাকায় প্রয়াত নাসিম ওসমানের দশম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এ কথা বলেন সেলিম ওসমান। মূলত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী সাবেক বিএনপি নেতা আতাউর রহমান মুকুলকে উদ্দেশ করে তিনি এ কথা বলেন।
আরেক চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জেলা জাতীয় পার্টির সহসভাপতি মাকসুদ হোসেনের উদ্দেশে সেলিম ওসমান বলেন, ‘একজন রাজাকার পুত্র, জমি দখলকারীর পোস্টার কীভাবে এলাকায় থাকে? কীভাবে শত শত গাড়ি বের করে? মানুষ অবজেকশন দিলে উনি বলেন, সরি। এতেই নির্বাচন কমিশন ওনাকে ছেড়ে দেন। প্রশাসনের লোকজনকে বলব, ঘুমিয়ে গেলে হবে না, এগুলা দেখতে হবে।’
সেলিম ওসমান উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নিজের তিন প্রার্থীর নাম উল্লেখ করে বলেন, ‘আমি নিজে একজন মুক্তিযোদ্ধা, চেয়ারম্যান প্রার্থী রশীদ ভাইও একজন মুক্তিযোদ্ধা। নাসিম ওসমানের সহযোগী ছিল সানাউল্লাহ সানু (ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী)। আমাদের শান্তা (মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী) মেয়ের মতো। এই অনুষ্ঠানে চারজন ইউপি চেয়ারম্যান আছেন। ওনারা প্রতিজ্ঞা করে বলেছেন, এই চার ইউনিয়ন থেকে সমস্ত ভোট স্বাধীনতার পক্ষে যাবে।’
সেলিম ওসমানের অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী আতাউর রহমান মুকুল বলেন, ‘আমি বঙ্গবন্ধুকে কটাক্ষ করে কোনো কথা কখনো বলিনি। এইটা আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে চাপে ফেলার চেষ্টা করছে। এমপি সেলিম ওসমান আমার বড় ভাইয়ের মতো। ওনার কথার পাল্টা জবাবে কিছু বলব না। তবে এই ধরনের মন্তব্য আমার নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে না।’
একই বিষয়ে আরেক চেয়ারম্যান প্রার্থী মাকসুদ হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাঁর ফোন নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়।

নারায়ণগঞ্জ–৫ আসনের সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান বলেছেন, ‘এক বিএনপি নেতা বঙ্গবন্ধুকে অপমান করেছে। সে আবার এই এলাকা থেকে নির্বাচন করার কলিজাটা কোথায় পায়? কোথায় আমার আওয়ামী লীগের কর্মীরা? আপনারা হাতে কি চুরি পড়েছেন?’
মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) বিকেলে নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার পুরান বন্দর এলাকায় প্রয়াত নাসিম ওসমানের দশম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এ কথা বলেন সেলিম ওসমান। মূলত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী সাবেক বিএনপি নেতা আতাউর রহমান মুকুলকে উদ্দেশ করে তিনি এ কথা বলেন।
আরেক চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জেলা জাতীয় পার্টির সহসভাপতি মাকসুদ হোসেনের উদ্দেশে সেলিম ওসমান বলেন, ‘একজন রাজাকার পুত্র, জমি দখলকারীর পোস্টার কীভাবে এলাকায় থাকে? কীভাবে শত শত গাড়ি বের করে? মানুষ অবজেকশন দিলে উনি বলেন, সরি। এতেই নির্বাচন কমিশন ওনাকে ছেড়ে দেন। প্রশাসনের লোকজনকে বলব, ঘুমিয়ে গেলে হবে না, এগুলা দেখতে হবে।’
সেলিম ওসমান উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নিজের তিন প্রার্থীর নাম উল্লেখ করে বলেন, ‘আমি নিজে একজন মুক্তিযোদ্ধা, চেয়ারম্যান প্রার্থী রশীদ ভাইও একজন মুক্তিযোদ্ধা। নাসিম ওসমানের সহযোগী ছিল সানাউল্লাহ সানু (ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী)। আমাদের শান্তা (মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী) মেয়ের মতো। এই অনুষ্ঠানে চারজন ইউপি চেয়ারম্যান আছেন। ওনারা প্রতিজ্ঞা করে বলেছেন, এই চার ইউনিয়ন থেকে সমস্ত ভোট স্বাধীনতার পক্ষে যাবে।’
সেলিম ওসমানের অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী আতাউর রহমান মুকুল বলেন, ‘আমি বঙ্গবন্ধুকে কটাক্ষ করে কোনো কথা কখনো বলিনি। এইটা আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে চাপে ফেলার চেষ্টা করছে। এমপি সেলিম ওসমান আমার বড় ভাইয়ের মতো। ওনার কথার পাল্টা জবাবে কিছু বলব না। তবে এই ধরনের মন্তব্য আমার নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে না।’
একই বিষয়ে আরেক চেয়ারম্যান প্রার্থী মাকসুদ হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাঁর ফোন নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
২ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
২ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
২ ঘণ্টা আগে