নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটি থেকে পদত্যাগ করেছেন আবু হুরায়রা তানজিম নামের এক নেতা। অরাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম ধীরে ধীরে একটি দলের গোলামে পরিণত হয়েছে এবং অঘোষিত লেজুড়বৃত্তি করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন তিনি। আজ শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়ে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে কমিটি থেকে পদত্যাগ করেন তিনি।
আবু হুরায়রা তানজিম সাইপ্রাসের ফিলিপস বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে অধ্যয়ন করছেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটি পদত্যাগের কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি ফেসবুক পোস্টে বলেন, ‘আমরা জুলাই অভ্যুত্থানে সরাসরি জড়িত ছিলাম। সকল শ্রেনী পেশার মানুষ, রাজনৈতিক দল, অরাজনৈতিক ব্যক্তি, ছাত্র জনতার সমন্বয়ে হাসিনার পতন হয়েছে। কিন্তু বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কমিটি হয়েছিলো কিছু মুষ্ঠিমেয় মানুষের সমন্বয়ে। হাসিনাবিরোধী আন্দোলন যেমন প্রতিটা শ্রেনীর লোক ছিলো, হাসিনার পতনের উপর গড়ে ওঠা এই সংগঠনটায় সকলে ছিলো না। আরও দুঃখজনক ব্যাপার হচ্ছে, এই প্লাটফর্ম শুরু থেকে অরাজনৈতিক থাকার কথা বললেও ধীরে ধীরে তা একটি দলের গোলামে পরিণত হয়েছে। বিভিন্ন সভা সমাবেশে কর্মী পাঠিয়েছে, অঘোষিত লেজুরবৃত্তি করেছে। অথচ আমরা তাদের রাজনীতি ও ক্ষমতার হাতিয়ার হবো এই মেন্ডেট নিয়ে জুলাই আন্দোলন করি নাই। আমার কথা, যারা জুলাই অভ্যুত্থানে জড়িত ছিলো সেই প্রত্যেকটা ব্যক্তি বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের কর্মী। মুখে অরাজনৈতিক হওয়ার কথা বলে বাইরে এই কাজ করা নিঃসন্দেহে প্রতারণার শামিল!’ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বর্তমান কর্মকাণ্ডের কথা উল্লেখ করে আবু হুরায়রা আরও বলেন, ‘তাদের অনেকে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে যে শুধু রাজনৈতিক দলের লেজুরবৃত্তি করেই অপরাধ করছে তা না। দেশের অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলো যা করে থাকে, ৫ আগস্টের পর থেকে এরা তাই করছে! সারাদেশে বিভিন্ন জায়গায় তদবীর বাণিজ্য, দুর্নীতিসহ প্রতিটি কাজে এই সংগঠনের অনেকে অভিযুক্ত হয়েছে। কথায় কথায় নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের কথা বলে নিজেরাই পুরাতন বন্দোবস্তে ডুবে থাকা মুনাফেকি নয় কি? শুধু তাই না, সারাদেশের বিভিন্ন জায়গায় এই সংগঠনের লোকদের দ্বারা রমরমা আওয়ামী লীগ পুনর্বাসন হয়েছে। দল চালানোর জন্য কেন্দ্রীয় নেতারা পর্যন্ত আওয়ামী লীগ আমলের সুবিধাভোগী ব্যবসায়ীদের থেকে টাকা নিচ্ছে! এসব কি জুলাইয়ের শহীদদের সাথে বেঈমানীর শামিল না?’
তিনি তাঁর লেখনীতে দেশের নানাবিধ সমস্যার সমালোচনা ও অর্থনৈতিক ভঙ্গুর অবস্থার কথা জানিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং দ্রুত জাতীয় নির্বাচন দেশের জন্য কল্যাণকর বলে মন্তব্য করে কমিটি থেকে পদত্যাগের ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নারায়ণগঞ্জ জেলার আহ্বায়ক নীরব রায়হান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগের কোনো চিঠি পাইনি। আর আমি কোনো পোস্টও দেখিনি। সে আমাদের কমিটি হওয়ার আগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কমিটিতে যুক্ত হওয়ার আগ্রহ দেখিয়েছিল। কিন্তু সে আমাদের কোনো মিটিংয়ে সক্রিয় ছিল না। আমি কিছুক্ষণ পর তার সঙ্গে যোগাযোগ করে বিস্তারিত জেনে নেব।’

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটি থেকে পদত্যাগ করেছেন আবু হুরায়রা তানজিম নামের এক নেতা। অরাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম ধীরে ধীরে একটি দলের গোলামে পরিণত হয়েছে এবং অঘোষিত লেজুড়বৃত্তি করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন তিনি। আজ শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়ে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে কমিটি থেকে পদত্যাগ করেন তিনি।
আবু হুরায়রা তানজিম সাইপ্রাসের ফিলিপস বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে অধ্যয়ন করছেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটি পদত্যাগের কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি ফেসবুক পোস্টে বলেন, ‘আমরা জুলাই অভ্যুত্থানে সরাসরি জড়িত ছিলাম। সকল শ্রেনী পেশার মানুষ, রাজনৈতিক দল, অরাজনৈতিক ব্যক্তি, ছাত্র জনতার সমন্বয়ে হাসিনার পতন হয়েছে। কিন্তু বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কমিটি হয়েছিলো কিছু মুষ্ঠিমেয় মানুষের সমন্বয়ে। হাসিনাবিরোধী আন্দোলন যেমন প্রতিটা শ্রেনীর লোক ছিলো, হাসিনার পতনের উপর গড়ে ওঠা এই সংগঠনটায় সকলে ছিলো না। আরও দুঃখজনক ব্যাপার হচ্ছে, এই প্লাটফর্ম শুরু থেকে অরাজনৈতিক থাকার কথা বললেও ধীরে ধীরে তা একটি দলের গোলামে পরিণত হয়েছে। বিভিন্ন সভা সমাবেশে কর্মী পাঠিয়েছে, অঘোষিত লেজুরবৃত্তি করেছে। অথচ আমরা তাদের রাজনীতি ও ক্ষমতার হাতিয়ার হবো এই মেন্ডেট নিয়ে জুলাই আন্দোলন করি নাই। আমার কথা, যারা জুলাই অভ্যুত্থানে জড়িত ছিলো সেই প্রত্যেকটা ব্যক্তি বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের কর্মী। মুখে অরাজনৈতিক হওয়ার কথা বলে বাইরে এই কাজ করা নিঃসন্দেহে প্রতারণার শামিল!’ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বর্তমান কর্মকাণ্ডের কথা উল্লেখ করে আবু হুরায়রা আরও বলেন, ‘তাদের অনেকে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে যে শুধু রাজনৈতিক দলের লেজুরবৃত্তি করেই অপরাধ করছে তা না। দেশের অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলো যা করে থাকে, ৫ আগস্টের পর থেকে এরা তাই করছে! সারাদেশে বিভিন্ন জায়গায় তদবীর বাণিজ্য, দুর্নীতিসহ প্রতিটি কাজে এই সংগঠনের অনেকে অভিযুক্ত হয়েছে। কথায় কথায় নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের কথা বলে নিজেরাই পুরাতন বন্দোবস্তে ডুবে থাকা মুনাফেকি নয় কি? শুধু তাই না, সারাদেশের বিভিন্ন জায়গায় এই সংগঠনের লোকদের দ্বারা রমরমা আওয়ামী লীগ পুনর্বাসন হয়েছে। দল চালানোর জন্য কেন্দ্রীয় নেতারা পর্যন্ত আওয়ামী লীগ আমলের সুবিধাভোগী ব্যবসায়ীদের থেকে টাকা নিচ্ছে! এসব কি জুলাইয়ের শহীদদের সাথে বেঈমানীর শামিল না?’
তিনি তাঁর লেখনীতে দেশের নানাবিধ সমস্যার সমালোচনা ও অর্থনৈতিক ভঙ্গুর অবস্থার কথা জানিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং দ্রুত জাতীয় নির্বাচন দেশের জন্য কল্যাণকর বলে মন্তব্য করে কমিটি থেকে পদত্যাগের ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নারায়ণগঞ্জ জেলার আহ্বায়ক নীরব রায়হান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগের কোনো চিঠি পাইনি। আর আমি কোনো পোস্টও দেখিনি। সে আমাদের কমিটি হওয়ার আগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কমিটিতে যুক্ত হওয়ার আগ্রহ দেখিয়েছিল। কিন্তু সে আমাদের কোনো মিটিংয়ে সক্রিয় ছিল না। আমি কিছুক্ষণ পর তার সঙ্গে যোগাযোগ করে বিস্তারিত জেনে নেব।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে