নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

‘দুই মাস ধইরা বেতন পাই না। দেনা জমতে জমতে হাজার দশেক হইছে। মুদিদোকানি পায়, বাড়িওয়ালায় পায়। ভাড়া দিতারিনা বইলা বাড়ি থিকা বাইর হইয়া যাইতে কয়। কারখানার ম্যানেজারে দেই দিমু কইয়া আর দেয় না।’
এ কথাগুলো বলছিলেন রূপগঞ্জের আউখাব এলাকার রবিনটেক্স লিমিটেড নামের একটি পোশাক কারখানার শ্রমিক মর্জিনা বেগম। আজ মঙ্গলবার বকেয়া বেতনের দাবিতে বিক্ষোভে অংশ নিয়ে নিজের দুর্দশার কথা তুলে ধরেন তিনি।
সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত কারখানার সামনে বিক্ষোভ ও অবস্থান করেন শ্রমিকেরা। দুই মাসের বেতন বকেয়া থাকায় ও পরিশোধ নিয়ে গড়িমসি করায় এই শ্রমিক অসন্তোষ তৈরি হয়। পরে দুই দিনের মধ্যে বেতন-ভাতা পরিশোধের আশ্বাসে কর্মসূচি থেকে সড়ে যান তাঁরা।
মর্জিনার মতো মনজুর হক আরেক শ্রমিক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বেতন দেব দেব বইলা চারবার ঘুরাইছে। সামনে আইতাছে ঈদ। আমরা কাজ না করলে বাইর কইরা দেক, সমস্যা নাই। আরেক জায়গায় কাজ নিমু। কিন্তু কাজও করায়, আবার বেতনও দেয় না। তাইলে যামু কই?’
আন্দোলনরত শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রায় ছয় থেকে সাত হাজার শ্রমিক এখানে কর্মরত রয়েছেন। দুই মাস ধরে বেতন না দিয়ে তাঁদের ঘোরাচ্ছে মালিকপক্ষ। প্রতিশ্রুত সময়ে বেতন-ভাতা পরিশোধ না করায় মঙ্গলবার সকালে কারখানার সামনে বিক্ষোভ করতে নেমেছেন তাঁরা। যদিও বিক্ষোভ চলাকালে মালিক প্রতিনিধিরা বেতন দেওয়ার আশ্বাস দিলেও তা মানছিলেন না শ্রমিকেরা।
কারখানার ম্যানেজার (প্রশাসন) আদনান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আজকেই শ্রমিকদের অর্ধেক বেতন দিয়ে দেওয়া হবে। শ্রমিকদের কাজে যোগদানের জন্য আমরা অনুরোধ করেছি। মূলত কিছু আর্থিক জটিলতার কারণে এই বিলম্ব হয়েছে।’
এ বিষয়ে রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এফ এম সায়েদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘মালিকপক্ষের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। তাঁরা আজ (মঙ্গলবার) ও আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যে সকল পাওনা পরিশোধ করে দেবে। পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে।’

‘দুই মাস ধইরা বেতন পাই না। দেনা জমতে জমতে হাজার দশেক হইছে। মুদিদোকানি পায়, বাড়িওয়ালায় পায়। ভাড়া দিতারিনা বইলা বাড়ি থিকা বাইর হইয়া যাইতে কয়। কারখানার ম্যানেজারে দেই দিমু কইয়া আর দেয় না।’
এ কথাগুলো বলছিলেন রূপগঞ্জের আউখাব এলাকার রবিনটেক্স লিমিটেড নামের একটি পোশাক কারখানার শ্রমিক মর্জিনা বেগম। আজ মঙ্গলবার বকেয়া বেতনের দাবিতে বিক্ষোভে অংশ নিয়ে নিজের দুর্দশার কথা তুলে ধরেন তিনি।
সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত কারখানার সামনে বিক্ষোভ ও অবস্থান করেন শ্রমিকেরা। দুই মাসের বেতন বকেয়া থাকায় ও পরিশোধ নিয়ে গড়িমসি করায় এই শ্রমিক অসন্তোষ তৈরি হয়। পরে দুই দিনের মধ্যে বেতন-ভাতা পরিশোধের আশ্বাসে কর্মসূচি থেকে সড়ে যান তাঁরা।
মর্জিনার মতো মনজুর হক আরেক শ্রমিক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বেতন দেব দেব বইলা চারবার ঘুরাইছে। সামনে আইতাছে ঈদ। আমরা কাজ না করলে বাইর কইরা দেক, সমস্যা নাই। আরেক জায়গায় কাজ নিমু। কিন্তু কাজও করায়, আবার বেতনও দেয় না। তাইলে যামু কই?’
আন্দোলনরত শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রায় ছয় থেকে সাত হাজার শ্রমিক এখানে কর্মরত রয়েছেন। দুই মাস ধরে বেতন না দিয়ে তাঁদের ঘোরাচ্ছে মালিকপক্ষ। প্রতিশ্রুত সময়ে বেতন-ভাতা পরিশোধ না করায় মঙ্গলবার সকালে কারখানার সামনে বিক্ষোভ করতে নেমেছেন তাঁরা। যদিও বিক্ষোভ চলাকালে মালিক প্রতিনিধিরা বেতন দেওয়ার আশ্বাস দিলেও তা মানছিলেন না শ্রমিকেরা।
কারখানার ম্যানেজার (প্রশাসন) আদনান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আজকেই শ্রমিকদের অর্ধেক বেতন দিয়ে দেওয়া হবে। শ্রমিকদের কাজে যোগদানের জন্য আমরা অনুরোধ করেছি। মূলত কিছু আর্থিক জটিলতার কারণে এই বিলম্ব হয়েছে।’
এ বিষয়ে রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এফ এম সায়েদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘মালিকপক্ষের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। তাঁরা আজ (মঙ্গলবার) ও আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যে সকল পাওনা পরিশোধ করে দেবে। পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে।’

চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও এলাকায় পারিবারিক বিরোধের জেরে স্বামীর ছুরিকাঘাতে সালমা আক্তার (৩৮) নামের এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত স্বামীকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
২৮ মিনিট আগে
নির্বাচনকালীন দায়িত্ব প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন ছাড়া কেবল শক্তি প্রয়োগ করে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নিহত আমেনা বেগমের বড় ভাই মোহাম্মদ ফোরকান বলেন, ‘বিয়ের সময় যৌতুক ও নগদ ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। এরপরও বিভিন্ন সময়ে টাকা দাবি করে নির্যাতন চালানো হয়েছে। এখন আমার বোনকে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
১ ঘণ্টা আগে
পুলিশ জানায়, হামলার অভিযোগ এনে জামায়াতের যুব বিভাগের চরশাহী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হেজবুল্লাহ সোহেল বাদী হয়ে ১৭০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এতে ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১৬০ জনকে আসামি করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে