সিদ্ধিরগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখী মানুষ সড়কের ভোগান্তি ছাড়াই ঢাকা ছাড়ছে। আজ শুক্রবার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জ অংশে গাড়ির বাড়তি চাপ থাকলেও চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
আজ মহাসড়কের সাইনবোর্ড থেকে মেঘনা টোল প্লাজা পর্যন্ত ২১ কিলোমিটার অংশের কোথাও কোনো যানজটের খবর পাওয়া যায়নি। সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রশাসনের বাড়তি নজরদারির কারণে দূরপাল্লাসহ আঞ্চলিক বাসগুলো প্রতিটি স্ট্যান্ডে স্বল্প সময়ে যাত্রী ওঠানামা শেষে স্থান ত্যাগ করছে। এতে করে সড়কে যানবাহনগুলোর জটলা সৃষ্টি হচ্ছে না।
অটোরিকশাচালক মহিউদ্দিন পরিবার নিয়ে যাবেন কুমিল্লায়। কথা হলে তিনি বলেন, ‘গাড়ির যথেষ্ট চাপ দেখতে পাচ্ছি। কিন্তু যেহেতু যানজটের আশঙ্কা নেই, তাই মনে হচ্ছে দুই ঘণ্টার মধ্যে পৌঁছাতে পারব।’
মহাসড়কটি নিয়মিত ব্যবহারকারী যাত্রী ও চালকেরা জানান, একসময় ঈদযাত্রা ও যেকোনো ছুটির দিন মহাসড়কের সাইনবোর্ড থেকে কাঁচপুর সেতুর পশ্চিম অংশ পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার সড়কে প্রতিনিয়ত যানজট লেগে থাকত। ২০১৬ সাল থেকে মহাসড়ক চার লেন হওয়ার কারণে এখন আর যানজট চোখে পড়ে না। সড়কে গাড়ির বাড়তি চাপ থাকলে সোনারগাঁও এলাকায় মেঘনা টোল প্লাজায় একটু যানজট দেখায় যায়।
মহাসড়কের পাশে রেস্তোরাঁ ব্যবসা চালানো বিল্লাল হোসেন বলেন, এই সড়কে চার লেন হওয়ার আগে ঈদের সময় চার-পাঁচ দিন টানা জ্যাম লেগে থাকত। তখন মানুষের কষ্ট হতো অনেক। এখন সড়ক প্রশস্ত হয়েছে। সার্ভিস লেন আলাদা করেছে। তাই এখন আর তেমন কোনো যানজট হয় না।
দূরপাল্লার বাসের কয়েকজন চালক জানান, যদি আঞ্চলিক সড়কগুলোতে পুলিশ লোকাল বাসগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে পরে তাহলে গাড়ির চাপ থাকলেও আর যানজট হবে না।
এদিকে মহাসড়ক যানজটমুক্ত রাখতে হাইওয়ে ও থানা-পুলিশ তৎপর রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। একই সঙ্গে র্যাব সদস্যদের মহাসড়কে অবস্থান নিতে দেখা গেছে।
শিমরাইল হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আবু নাঈম বলেন, ‘এবারের ঈদযাত্রায় মানুষের ভোগান্তি এড়াতে আমাদের অতিরিক্ত ফোর্স কাজ করছে। ঈদ উপলক্ষে আমরা দিবারাত্রি ডিউটি করে যাচ্ছি। আশা করছি যানজটের ভোগান্তি থেকে গ্রামমুখী মানুষকে মুক্ত করতে পারব।’

কাঁচপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী ওয়াহিদ মোরশেদ জানান, যানজট নিরসনে তাঁরা তৎপর রয়েছেন। টহল দলও বাড়ানো হয়েছে। নারায়ণগঞ্জ অংশে মানুষকে যানজটের ভোগান্তিতে পড়তে হবে না বলে তিনি আশাবাদী।
একই কথা জানিয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ শাহিনূর আলম বলেন, ‘মানুষের জানমালের নিরাপত্তায় আমরা সতর্ক আছি।’
সোনারগাঁ থানা থেকেও অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মহাসড়কে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানান থানার ওসি মোহাম্মদ মফিজুর রহমান। তিনি বলেন, ‘কাঁচপুর থেকে মেঘনা টোল প্লাজা পর্যন্ত আমরা কাজ করছি। পাশাপাশি আজ থেকে আমাদের সঙ্গে আনসার সদস্যরাও কাজ করবেন।’
অন্যদিকে নারায়ণগঞ্জ সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী পরিচালক আব্দুর রহিম বলেন, এবার ঈদযাত্রা উপলক্ষে এরই মধ্যে মেঘনা টোল প্লাজায় ১২টি বুথ বসানো হয়েছে। টোল প্লাজায় কোনো সমস্যা হবে না।

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখী মানুষ সড়কের ভোগান্তি ছাড়াই ঢাকা ছাড়ছে। আজ শুক্রবার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জ অংশে গাড়ির বাড়তি চাপ থাকলেও চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
আজ মহাসড়কের সাইনবোর্ড থেকে মেঘনা টোল প্লাজা পর্যন্ত ২১ কিলোমিটার অংশের কোথাও কোনো যানজটের খবর পাওয়া যায়নি। সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রশাসনের বাড়তি নজরদারির কারণে দূরপাল্লাসহ আঞ্চলিক বাসগুলো প্রতিটি স্ট্যান্ডে স্বল্প সময়ে যাত্রী ওঠানামা শেষে স্থান ত্যাগ করছে। এতে করে সড়কে যানবাহনগুলোর জটলা সৃষ্টি হচ্ছে না।
অটোরিকশাচালক মহিউদ্দিন পরিবার নিয়ে যাবেন কুমিল্লায়। কথা হলে তিনি বলেন, ‘গাড়ির যথেষ্ট চাপ দেখতে পাচ্ছি। কিন্তু যেহেতু যানজটের আশঙ্কা নেই, তাই মনে হচ্ছে দুই ঘণ্টার মধ্যে পৌঁছাতে পারব।’
মহাসড়কটি নিয়মিত ব্যবহারকারী যাত্রী ও চালকেরা জানান, একসময় ঈদযাত্রা ও যেকোনো ছুটির দিন মহাসড়কের সাইনবোর্ড থেকে কাঁচপুর সেতুর পশ্চিম অংশ পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার সড়কে প্রতিনিয়ত যানজট লেগে থাকত। ২০১৬ সাল থেকে মহাসড়ক চার লেন হওয়ার কারণে এখন আর যানজট চোখে পড়ে না। সড়কে গাড়ির বাড়তি চাপ থাকলে সোনারগাঁও এলাকায় মেঘনা টোল প্লাজায় একটু যানজট দেখায় যায়।
মহাসড়কের পাশে রেস্তোরাঁ ব্যবসা চালানো বিল্লাল হোসেন বলেন, এই সড়কে চার লেন হওয়ার আগে ঈদের সময় চার-পাঁচ দিন টানা জ্যাম লেগে থাকত। তখন মানুষের কষ্ট হতো অনেক। এখন সড়ক প্রশস্ত হয়েছে। সার্ভিস লেন আলাদা করেছে। তাই এখন আর তেমন কোনো যানজট হয় না।
দূরপাল্লার বাসের কয়েকজন চালক জানান, যদি আঞ্চলিক সড়কগুলোতে পুলিশ লোকাল বাসগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে পরে তাহলে গাড়ির চাপ থাকলেও আর যানজট হবে না।
এদিকে মহাসড়ক যানজটমুক্ত রাখতে হাইওয়ে ও থানা-পুলিশ তৎপর রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। একই সঙ্গে র্যাব সদস্যদের মহাসড়কে অবস্থান নিতে দেখা গেছে।
শিমরাইল হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আবু নাঈম বলেন, ‘এবারের ঈদযাত্রায় মানুষের ভোগান্তি এড়াতে আমাদের অতিরিক্ত ফোর্স কাজ করছে। ঈদ উপলক্ষে আমরা দিবারাত্রি ডিউটি করে যাচ্ছি। আশা করছি যানজটের ভোগান্তি থেকে গ্রামমুখী মানুষকে মুক্ত করতে পারব।’

কাঁচপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী ওয়াহিদ মোরশেদ জানান, যানজট নিরসনে তাঁরা তৎপর রয়েছেন। টহল দলও বাড়ানো হয়েছে। নারায়ণগঞ্জ অংশে মানুষকে যানজটের ভোগান্তিতে পড়তে হবে না বলে তিনি আশাবাদী।
একই কথা জানিয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ শাহিনূর আলম বলেন, ‘মানুষের জানমালের নিরাপত্তায় আমরা সতর্ক আছি।’
সোনারগাঁ থানা থেকেও অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মহাসড়কে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানান থানার ওসি মোহাম্মদ মফিজুর রহমান। তিনি বলেন, ‘কাঁচপুর থেকে মেঘনা টোল প্লাজা পর্যন্ত আমরা কাজ করছি। পাশাপাশি আজ থেকে আমাদের সঙ্গে আনসার সদস্যরাও কাজ করবেন।’
অন্যদিকে নারায়ণগঞ্জ সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী পরিচালক আব্দুর রহিম বলেন, এবার ঈদযাত্রা উপলক্ষে এরই মধ্যে মেঘনা টোল প্লাজায় ১২টি বুথ বসানো হয়েছে। টোল প্লাজায় কোনো সমস্যা হবে না।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৫ ঘণ্টা আগে