নড়াইল প্রতিনিধি

নড়াইলে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বিশ্ববরেণ্য চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের জন্মশতবার্ষিকী পালন করা হচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, এস এম সুলতান ফাউন্ডেশন, জেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন দিবসটি পালন করছে।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের রুহের মাগফিরাত কামনা করে কোরআনখানি অনুষ্ঠিত হয়। দুপুর ১২টায় স্মৃতি সংগ্রহশালায় এস এম সুলতানের সমাধিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি শেষে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব খলিল আহমদ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী, নড়াইল জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশফাকুল হক চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শাশ্বতী শীল, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নিজামউদ্দিন খান নিলু, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাদিয়া ইসলাম, পৌর মেয়র আঞ্জুমান আরা, সুলতান কমপ্লেক্সের কিউরেটর তন্দ্রা মুখার্জি, এস এম সুলতান বেঙ্গল আর্ট কলেজের অধ্যক্ষ অনাদী বৈরাগী, এস এম সুলতান শিশু চারু ও কারুকলা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শেখ হানিফ প্রমুখ।
পরে শিশু স্বর্গে সুলতানের জীবন ও কর্মের ওপর শিশুদের আঁকা চিত্রকর্ম প্রদর্শনী, শিশুদের নিয়ে চিত্রকর্মশালা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, চিত্রশিল্পী এস এম সুলতান ছিলেন মাটি ও মানুষের শিল্পী। তিনি ছিলেন বাংলাদেশের গর্ব। সুলতানের শিল্পকর্ম বিশ্বে উপস্থাপন করে বাংলাদেশ গর্বিত।
বরেণ্য চিত্রশিল্পী এস এম সুলতান ১৯২৪ সালের ১০ আগস্ট নড়াইল শহরের মাছিমদিয়া এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন। রাজমিস্ত্রি বাবা মেছের আলীর নান্দনিক সৃষ্টি ঘষামাজার মধ্য দিয়ে ছোটবেলার লাল মিঞার (সুলতান) সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ হয়। শিল্পী সুলতান যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশ সফর করেন এবং এসব দেশের প্রখ্যাত চিত্রকরদের সঙ্গে তাঁর ছবি প্রদর্শন হয়।
১৯৯৪ সালের ১০ অক্টোবর চিরকুমার এই শিল্পী যশোর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। শিল্পী সুলতান স্বাধীনতা পদক, একুশে পদক, বাংলাদেশ চারুশিল্পী সম্মাননা এবং বাংলাদেশ সরকারের রেসিডেন্ট আর্টিস্ট হিসেবে স্বীকৃতি পান।

নড়াইলে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বিশ্ববরেণ্য চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের জন্মশতবার্ষিকী পালন করা হচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, এস এম সুলতান ফাউন্ডেশন, জেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন দিবসটি পালন করছে।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের রুহের মাগফিরাত কামনা করে কোরআনখানি অনুষ্ঠিত হয়। দুপুর ১২টায় স্মৃতি সংগ্রহশালায় এস এম সুলতানের সমাধিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি শেষে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব খলিল আহমদ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী, নড়াইল জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশফাকুল হক চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শাশ্বতী শীল, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নিজামউদ্দিন খান নিলু, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাদিয়া ইসলাম, পৌর মেয়র আঞ্জুমান আরা, সুলতান কমপ্লেক্সের কিউরেটর তন্দ্রা মুখার্জি, এস এম সুলতান বেঙ্গল আর্ট কলেজের অধ্যক্ষ অনাদী বৈরাগী, এস এম সুলতান শিশু চারু ও কারুকলা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শেখ হানিফ প্রমুখ।
পরে শিশু স্বর্গে সুলতানের জীবন ও কর্মের ওপর শিশুদের আঁকা চিত্রকর্ম প্রদর্শনী, শিশুদের নিয়ে চিত্রকর্মশালা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, চিত্রশিল্পী এস এম সুলতান ছিলেন মাটি ও মানুষের শিল্পী। তিনি ছিলেন বাংলাদেশের গর্ব। সুলতানের শিল্পকর্ম বিশ্বে উপস্থাপন করে বাংলাদেশ গর্বিত।
বরেণ্য চিত্রশিল্পী এস এম সুলতান ১৯২৪ সালের ১০ আগস্ট নড়াইল শহরের মাছিমদিয়া এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন। রাজমিস্ত্রি বাবা মেছের আলীর নান্দনিক সৃষ্টি ঘষামাজার মধ্য দিয়ে ছোটবেলার লাল মিঞার (সুলতান) সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ হয়। শিল্পী সুলতান যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশ সফর করেন এবং এসব দেশের প্রখ্যাত চিত্রকরদের সঙ্গে তাঁর ছবি প্রদর্শন হয়।
১৯৯৪ সালের ১০ অক্টোবর চিরকুমার এই শিল্পী যশোর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। শিল্পী সুলতান স্বাধীনতা পদক, একুশে পদক, বাংলাদেশ চারুশিল্পী সম্মাননা এবং বাংলাদেশ সরকারের রেসিডেন্ট আর্টিস্ট হিসেবে স্বীকৃতি পান।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে