নওগাঁ প্রতিনিধি

নওগাঁ শহরের বাইপাস সড়কের পাশে একটি ইটভাটা থেকে অতুল কুমার সরকার (৪০) নামের এক টমটমচালকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা-পুলিশ। আজ সোমবার সকাল ১০টার দিকে নওগাঁ-সান্তাহার বাইপাস সড়কের নলগড়া এলাকায় আজাদের ইটভাটা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নওগাঁর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. গাজিউর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
ব্যাটারিচালিত টমটমটির ব্যাটারি ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যেই দুর্বৃত্তরা তাঁকে হত্যা করা হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। নিহত অতুল সরকার নওগাঁ পৌরসভার সুলতানাপুর মঠের ঘাট এলাকার অভয় চন্দ্রের ছেলে।
নিহতের পরিবার ও থানা-পুলিশ সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো গতকাল রোববার টমটম নিয়ে নওগাঁ শহরে আসেন অতুল। এরপর রাতে আর বাড়িতে ফেরেননি। পরে আজ সোমবার সকালে বাইপাস এলাকার একটি ইটভাটায় তাঁর মরদেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা থানায় খবর দেন। এরপর ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় তাঁর গলাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। এদিকে লাশ যেখান থেকে উদ্ধার হয়েছে তার থেকে কিছু দূরে অতুলের ভাড়ায়চালিত টমটমটি পায় পুলিশ। তবে সেই টমটম থেকে ব্যাটারি ছিনতাই হয়েছে।
নিহতের ভাই রঞ্জিত সরকার বলেন, ‘আমার ভাই পেশায় একজন টমটমচালক। গতকাল বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে টমটম নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর রাত ১২টা পর্যন্ত বাড়ি না ফিরলে আমার বৌদি ঘুমিয়ে যান। ভোরে বৌদি আমাকে ডেকে জানান, ভাই এখনো ফেরেননি। তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটিও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছিল। এ ছাড়া বিভিন্ন জায়গায় খোঁজখবর নিয়েও সন্ধান পাচ্ছিলাম না ভাইয়ের।’
রঞ্জিত সরকার আরও বলেন, ‘যেহেতু আমার ভাই ভাড়া নিয়ে টমটম চালায়, তাই আমি ওই টমটমের গ্যারেজে গিয়ে খোঁজ নিই। সকালের দিকে খবর পাই বাইপাস এলাকায় ভাইয়ের লাশ পড়ে আছে। পরে সেখানে গিয়ে দেখি ভাইয়ের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত করে রক্তাক্ত অবস্থায় মেরে ফেলে রাখা হয়েছে। পাশে টমটমটিও ছিল। তবে সেটিতে কোনো ব্যাটারি ছিল না। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি।’
নওগাঁ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়সাল বিন আহসান আজকের পত্রিকাকে বলেন, মরদেহটি উদ্ধারের সময় তাঁর গলায় আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, টমটমটির ব্যাটারি ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যেই হয়তো তাঁকে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
নওগাঁর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. গাজিউর রহমান বলেন, ‘ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায় অতুল সরকার নামের ওই ব্যক্তিকে জবাই করে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। শরীরের বিভিন্ন জায়গায় চাকুর আঘাত রয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। তাঁর টমটমটির ব্যাটারি পাওয়া যাচ্ছে না। এ ছাড়া তাঁর ব্যক্তিগত ও পারিবারিক দ্বন্দ্ব আছে কি না সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যে আমরা বেশ কিছু ক্লু পেয়েছি। সেগুলো নিয়ে কাজ করছি। আশা করছি দ্রুতই এই ঘটনায় জড়িতদের আটক করে আইনের আওতায় আনা হবে।’

নওগাঁ শহরের বাইপাস সড়কের পাশে একটি ইটভাটা থেকে অতুল কুমার সরকার (৪০) নামের এক টমটমচালকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা-পুলিশ। আজ সোমবার সকাল ১০টার দিকে নওগাঁ-সান্তাহার বাইপাস সড়কের নলগড়া এলাকায় আজাদের ইটভাটা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নওগাঁর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. গাজিউর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
ব্যাটারিচালিত টমটমটির ব্যাটারি ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যেই দুর্বৃত্তরা তাঁকে হত্যা করা হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। নিহত অতুল সরকার নওগাঁ পৌরসভার সুলতানাপুর মঠের ঘাট এলাকার অভয় চন্দ্রের ছেলে।
নিহতের পরিবার ও থানা-পুলিশ সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো গতকাল রোববার টমটম নিয়ে নওগাঁ শহরে আসেন অতুল। এরপর রাতে আর বাড়িতে ফেরেননি। পরে আজ সোমবার সকালে বাইপাস এলাকার একটি ইটভাটায় তাঁর মরদেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা থানায় খবর দেন। এরপর ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় তাঁর গলাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। এদিকে লাশ যেখান থেকে উদ্ধার হয়েছে তার থেকে কিছু দূরে অতুলের ভাড়ায়চালিত টমটমটি পায় পুলিশ। তবে সেই টমটম থেকে ব্যাটারি ছিনতাই হয়েছে।
নিহতের ভাই রঞ্জিত সরকার বলেন, ‘আমার ভাই পেশায় একজন টমটমচালক। গতকাল বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে টমটম নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর রাত ১২টা পর্যন্ত বাড়ি না ফিরলে আমার বৌদি ঘুমিয়ে যান। ভোরে বৌদি আমাকে ডেকে জানান, ভাই এখনো ফেরেননি। তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটিও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছিল। এ ছাড়া বিভিন্ন জায়গায় খোঁজখবর নিয়েও সন্ধান পাচ্ছিলাম না ভাইয়ের।’
রঞ্জিত সরকার আরও বলেন, ‘যেহেতু আমার ভাই ভাড়া নিয়ে টমটম চালায়, তাই আমি ওই টমটমের গ্যারেজে গিয়ে খোঁজ নিই। সকালের দিকে খবর পাই বাইপাস এলাকায় ভাইয়ের লাশ পড়ে আছে। পরে সেখানে গিয়ে দেখি ভাইয়ের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত করে রক্তাক্ত অবস্থায় মেরে ফেলে রাখা হয়েছে। পাশে টমটমটিও ছিল। তবে সেটিতে কোনো ব্যাটারি ছিল না। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি।’
নওগাঁ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়সাল বিন আহসান আজকের পত্রিকাকে বলেন, মরদেহটি উদ্ধারের সময় তাঁর গলায় আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, টমটমটির ব্যাটারি ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যেই হয়তো তাঁকে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
নওগাঁর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. গাজিউর রহমান বলেন, ‘ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায় অতুল সরকার নামের ওই ব্যক্তিকে জবাই করে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। শরীরের বিভিন্ন জায়গায় চাকুর আঘাত রয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। তাঁর টমটমটির ব্যাটারি পাওয়া যাচ্ছে না। এ ছাড়া তাঁর ব্যক্তিগত ও পারিবারিক দ্বন্দ্ব আছে কি না সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যে আমরা বেশ কিছু ক্লু পেয়েছি। সেগুলো নিয়ে কাজ করছি। আশা করছি দ্রুতই এই ঘটনায় জড়িতদের আটক করে আইনের আওতায় আনা হবে।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৫ ঘণ্টা আগে