ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি

নওগাঁর ধামইরহাটে খাল খননের মাটি বোরো ধানের জমিতে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার ভুক্তভোগী কৃষকেরা জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর বরাবর লিখত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগের বিষয়ে আজ শুক্রবার বিকেলে মো. সাইদুল ইসলাম বলেন, মঙ্গল খালের দুই পাশে তাঁদের নিজস্ব ও বর্গা জমিতে ইরি, বোরো ধান রোপণ করা হয়েছে। মাঠ ভর্তি বোরো ধান পেকে যাওয়ায় আর কদিন বাদে সেই ধানগুলো কাটা হতো। কিন্তু এর আগেই মাটি ফেলে ধানগুলো নষ্ট করা হয়েছে।
সাইদুল ইসলাম বলেন, মঙ্গলখাল কর্তৃপক্ষ গত বৃহস্পতিবার না জানিয়ে খালের দুপাশে মাটি ফেলতে শুরু করে। এতে করে তিনিসহ খালের আশপাশের কৃষকদের শত শত মণ বোরো ধান নষ্ট হওয়ায় অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এ কারণে ভুক্তভোগী কৃষকেরা বোরো মৌসুমে মঙ্গলখাল খনন কাজ বন্ধ চেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সহযোগিতা কামনা করেন। না হলে ওই এলাকার কৃষকেরা পরিবার নিয়ে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি অনাহারে পথে বসবেন।
মঙ্গলখাল প্রজেক্টের সভাপতি আওয়ামী লীগ নেতা জহুরুল ইসলাম বলেন, ‘মাটি ফেলার বিষয়ে সব কৃষকদের বলা সম্ভব নয়। তবে মঙ্গলখাল খননের কারণে যদি কোনো কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকে তাঁদের সবাইকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসমা খাতুন বলেন, এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ পাননি। তবে বিষয়টি দ্রুত দেখা হবে বলে আশ্বস্ত করেন।

নওগাঁর ধামইরহাটে খাল খননের মাটি বোরো ধানের জমিতে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার ভুক্তভোগী কৃষকেরা জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর বরাবর লিখত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগের বিষয়ে আজ শুক্রবার বিকেলে মো. সাইদুল ইসলাম বলেন, মঙ্গল খালের দুই পাশে তাঁদের নিজস্ব ও বর্গা জমিতে ইরি, বোরো ধান রোপণ করা হয়েছে। মাঠ ভর্তি বোরো ধান পেকে যাওয়ায় আর কদিন বাদে সেই ধানগুলো কাটা হতো। কিন্তু এর আগেই মাটি ফেলে ধানগুলো নষ্ট করা হয়েছে।
সাইদুল ইসলাম বলেন, মঙ্গলখাল কর্তৃপক্ষ গত বৃহস্পতিবার না জানিয়ে খালের দুপাশে মাটি ফেলতে শুরু করে। এতে করে তিনিসহ খালের আশপাশের কৃষকদের শত শত মণ বোরো ধান নষ্ট হওয়ায় অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এ কারণে ভুক্তভোগী কৃষকেরা বোরো মৌসুমে মঙ্গলখাল খনন কাজ বন্ধ চেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সহযোগিতা কামনা করেন। না হলে ওই এলাকার কৃষকেরা পরিবার নিয়ে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি অনাহারে পথে বসবেন।
মঙ্গলখাল প্রজেক্টের সভাপতি আওয়ামী লীগ নেতা জহুরুল ইসলাম বলেন, ‘মাটি ফেলার বিষয়ে সব কৃষকদের বলা সম্ভব নয়। তবে মঙ্গলখাল খননের কারণে যদি কোনো কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকে তাঁদের সবাইকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসমা খাতুন বলেন, এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ পাননি। তবে বিষয়টি দ্রুত দেখা হবে বলে আশ্বস্ত করেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে