নওগাঁ প্রতিনিধি

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘আগামী দিনে আল্লাহ চাহে তো দেশ আপনাদের হাতে থাকবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে—আপনাদের চারপাশে অনেক ঘুঘু ঘুরছে। এরা স্বার্থ বুঝে আপনাদের ব্যবহার করবে, সুনাম নষ্ট করবে, দুঃসময়ে পালিয়ে যাবে। তাই ঘুঘুদের বিষয়ে সাবধান থাকতে হবে।’
আজ সোমবার বিকেলে নওগাঁ কনভেনশন সেন্টারে জেলা বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, ‘রাজনৈতিক দলের লক্ষ্য হচ্ছে জনগণের আস্থা অর্জন। এখানে যতজন আছেন, সবারই পরিচয়—শহীদ জিয়ার সৈনিক। সতর্ক থাকতে হবে, যাতে আমাদের প্রতি জনগণের আস্থা নষ্ট না হয়। সহকর্মীর কাজের মাধ্যমে দল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কি না, সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘স্বৈরাচার পালিয়ে যাওয়ার কয়েক দিন পরে বিভিন্ন জেলার নেতা-কর্মীদের সঙ্গে আমি বসেছিলাম। তখন আপনাদের বলেছিলাম—আমাদের মধ্যে হয়তো অনেকেই ভাবছে, একটি প্রতিপক্ষ তো আর মাঠে নেই, আগামী নির্বাচন কী আর কঠিন হবে। আমি তখনই বলেছিলাম, আগামী নির্বাচন বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কঠিন হবে।
‘এক বছর আগে আমি বলেছিলাম, অদৃশ্য শক্তি বিভিন্নভাবে কাজ করছে, ষড়যন্ত্র চলছে। আজ কি আপনারা আমার কথার অর্থ বুঝতে পারছেন? কিন্তু যতই ষড়যন্ত্র হোক, আগামী দিনে আমরা ইনশা আল্লাহ সফল হব, যদি বিএনপি নামের পরিবারটির সব সদস্য ঐক্যবদ্ধ থাকে।’
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘পত্রপত্রিকা খুললেই এখন দেশের সংস্কার নিয়ে আলোচনা। আপনারা জানেন—যে সংস্কারগুলোর কথা বলা হচ্ছে, আপনার দল বিএনপি আজ থেকে আড়াই বছর আগে যখন স্বৈরাচার দেশের মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়েছিল, অর্থসম্পদ লুটপাট করে পাচার করেছিল—তখনই জনগণের সামনে ৩১ দফা উপস্থাপন করেছিল।
‘রাষ্ট্রকে জনগণের রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার জন্য যা যা দরকার, সবই ছিল সেখানে। বিএনপির ৩১ দফা ও অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবের মধ্যে অধিকাংশ বিষয়ে মিল রয়েছে। আমরা কাউকে ছোট করতে চাই না, সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে চাই।
‘তবে যাঁরা আজ সংস্কারের কথা বলছেন, তাঁরা বহু পরে বলছেন। অনেক দল এখন বলছে—সংস্কার না হলে নির্বাচন করবে না। তাদের বলার অধিকার আছে, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা আছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপির দেশ পরিচালনার অভিজ্ঞতা রয়েছে। বিএনপি জানে, কীভাবে খাদ্য উৎপাদন দ্বিগুণ করতে হয়, নারী সমাজকে শিক্ষার আলোয় আনতে হয়, কোটি শ্রমিককে বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ দিতে হয়, দেশে কর্মসংস্থান তৈরি করতে হয়।
‘আড়াই বছর আগে রাষ্ট্র মেরামতের জন্য ৩১ দফা দিয়েছি। আমরা দেখেছি, স্বৈরাচারের সময় কীভাবে রাষ্ট্রের সব সেক্টর ধ্বংস করা হয়েছিল। কিন্তু বিএনপির অভিজ্ঞতা রয়েছে রাষ্ট্র মেরামতের। আমার ঘর যদি না থাকে, আমি কোথায় আশ্রয় নেব? বাংলাদেশ যদি ঠিক না থাকে, কোটি কোটি মানুষ কোথায় যাবে? ১৮ কোটি মানুষের প্রথম ও শেষ আশ্রয়স্থল এই ৫৫ হাজার বর্গমাইলের বাংলাদেশ।’
জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক এস এম রেজাউল ইসলাম রেজুর সভাপতিত্বে সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম, রাজশাহী বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ শাহীন শওকত, সহসাংগঠনিক সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান আলীম, এ এইচ এম ওবায়দুর রহমান চন্দন; বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি ও সম্মেলন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক রেজাউল করিম বাদশাসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা।
এর আগে দুপুরে সম্মেলনের শুভ উদ্বোধন করেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘আগামী দিনে আল্লাহ চাহে তো দেশ আপনাদের হাতে থাকবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে—আপনাদের চারপাশে অনেক ঘুঘু ঘুরছে। এরা স্বার্থ বুঝে আপনাদের ব্যবহার করবে, সুনাম নষ্ট করবে, দুঃসময়ে পালিয়ে যাবে। তাই ঘুঘুদের বিষয়ে সাবধান থাকতে হবে।’
আজ সোমবার বিকেলে নওগাঁ কনভেনশন সেন্টারে জেলা বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, ‘রাজনৈতিক দলের লক্ষ্য হচ্ছে জনগণের আস্থা অর্জন। এখানে যতজন আছেন, সবারই পরিচয়—শহীদ জিয়ার সৈনিক। সতর্ক থাকতে হবে, যাতে আমাদের প্রতি জনগণের আস্থা নষ্ট না হয়। সহকর্মীর কাজের মাধ্যমে দল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কি না, সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘স্বৈরাচার পালিয়ে যাওয়ার কয়েক দিন পরে বিভিন্ন জেলার নেতা-কর্মীদের সঙ্গে আমি বসেছিলাম। তখন আপনাদের বলেছিলাম—আমাদের মধ্যে হয়তো অনেকেই ভাবছে, একটি প্রতিপক্ষ তো আর মাঠে নেই, আগামী নির্বাচন কী আর কঠিন হবে। আমি তখনই বলেছিলাম, আগামী নির্বাচন বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কঠিন হবে।
‘এক বছর আগে আমি বলেছিলাম, অদৃশ্য শক্তি বিভিন্নভাবে কাজ করছে, ষড়যন্ত্র চলছে। আজ কি আপনারা আমার কথার অর্থ বুঝতে পারছেন? কিন্তু যতই ষড়যন্ত্র হোক, আগামী দিনে আমরা ইনশা আল্লাহ সফল হব, যদি বিএনপি নামের পরিবারটির সব সদস্য ঐক্যবদ্ধ থাকে।’
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘পত্রপত্রিকা খুললেই এখন দেশের সংস্কার নিয়ে আলোচনা। আপনারা জানেন—যে সংস্কারগুলোর কথা বলা হচ্ছে, আপনার দল বিএনপি আজ থেকে আড়াই বছর আগে যখন স্বৈরাচার দেশের মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়েছিল, অর্থসম্পদ লুটপাট করে পাচার করেছিল—তখনই জনগণের সামনে ৩১ দফা উপস্থাপন করেছিল।
‘রাষ্ট্রকে জনগণের রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার জন্য যা যা দরকার, সবই ছিল সেখানে। বিএনপির ৩১ দফা ও অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবের মধ্যে অধিকাংশ বিষয়ে মিল রয়েছে। আমরা কাউকে ছোট করতে চাই না, সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে চাই।
‘তবে যাঁরা আজ সংস্কারের কথা বলছেন, তাঁরা বহু পরে বলছেন। অনেক দল এখন বলছে—সংস্কার না হলে নির্বাচন করবে না। তাদের বলার অধিকার আছে, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা আছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপির দেশ পরিচালনার অভিজ্ঞতা রয়েছে। বিএনপি জানে, কীভাবে খাদ্য উৎপাদন দ্বিগুণ করতে হয়, নারী সমাজকে শিক্ষার আলোয় আনতে হয়, কোটি শ্রমিককে বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ দিতে হয়, দেশে কর্মসংস্থান তৈরি করতে হয়।
‘আড়াই বছর আগে রাষ্ট্র মেরামতের জন্য ৩১ দফা দিয়েছি। আমরা দেখেছি, স্বৈরাচারের সময় কীভাবে রাষ্ট্রের সব সেক্টর ধ্বংস করা হয়েছিল। কিন্তু বিএনপির অভিজ্ঞতা রয়েছে রাষ্ট্র মেরামতের। আমার ঘর যদি না থাকে, আমি কোথায় আশ্রয় নেব? বাংলাদেশ যদি ঠিক না থাকে, কোটি কোটি মানুষ কোথায় যাবে? ১৮ কোটি মানুষের প্রথম ও শেষ আশ্রয়স্থল এই ৫৫ হাজার বর্গমাইলের বাংলাদেশ।’
জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক এস এম রেজাউল ইসলাম রেজুর সভাপতিত্বে সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম, রাজশাহী বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ শাহীন শওকত, সহসাংগঠনিক সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান আলীম, এ এইচ এম ওবায়দুর রহমান চন্দন; বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি ও সম্মেলন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক রেজাউল করিম বাদশাসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা।
এর আগে দুপুরে সম্মেলনের শুভ উদ্বোধন করেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে