প্রতিনিধি, ইসলামপুর (জামালপুর)

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য প্রশাসন প্রচার-প্রচারণা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত রেখেছে। কিন্তু জামালপুরের ১২টি ইউনিয়নেই হাট-বাজারগুলোতে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি, পড়ছে না কেউ মাস্ক। শুধু প্রশাসনের অভিযানের কথা শুনলেই মাস্ক পরাসহ অন্য বিষয়ে সচেতন হয়ে ওঠেন বাজারের ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা। প্রশাসনের লোকজন ফিরে গেলে আবার অসচেতন হয়ে পড়েন তাঁরা।
একইভাবে দোকানপাট, ব্যাংক ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানেও সঠিকভাবে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি। এমনকি সরকারি নির্দেশ অমান্য করে দোকানপাটও খোলা হচ্ছে।
বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, আজ শুক্রবার দুপুরে উপজেলার নাপিতেরচর গাইবান্ধা গরুরহাটে কারও মধ্যেই স্বাস্থ্যবিধি মানার কোনো প্রবণতা নেই। বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতারা হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন। কেউ পরছে না মাস্ক। মানছে না স্বাস্থ্যবিধি।
এ ছাড়া পোড়ারচর, কান্দারচর, পচাবহলা, সিরাজাদাবাদ, ডিগ্রিরচর, টানাব্রিজ, ঝগড়ারচর, মলমগঞ্জ, কুলকান্দী, কড়ইতলা, হাড়গিলা, কাজলা একতা, কাঠমা জনতা বাজারসহ বিভিন্ন বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতা কেউই মানছেন না করোনা রোধে স্বাস্থ্যবিধি।
অন্যদিকে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে এবং সবাইকে সচেতন করতে দিনরাত প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম মাজহারুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) রোকনুজ্জামান খান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার এ এ এম আবু তাহের, পুলিশের ইসলামপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. সুমন মিয়া, ওসি মাজেদুর রহমান, (তদন্ত) ওসি কবির হোসেন প্রমুখ।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম মাজহারুল ইসলাম বলেন, `স্বাস্থ্যবিধি মেনে বাজার করাসহ দৈনন্দিন জীবনে সব ধরনের কাজকর্ম করতে জনগণকে সচেতন করে যাচ্ছি। লকডাউন বাস্তবায়নে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানও চালানো হচ্ছে।'

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য প্রশাসন প্রচার-প্রচারণা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত রেখেছে। কিন্তু জামালপুরের ১২টি ইউনিয়নেই হাট-বাজারগুলোতে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি, পড়ছে না কেউ মাস্ক। শুধু প্রশাসনের অভিযানের কথা শুনলেই মাস্ক পরাসহ অন্য বিষয়ে সচেতন হয়ে ওঠেন বাজারের ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা। প্রশাসনের লোকজন ফিরে গেলে আবার অসচেতন হয়ে পড়েন তাঁরা।
একইভাবে দোকানপাট, ব্যাংক ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানেও সঠিকভাবে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি। এমনকি সরকারি নির্দেশ অমান্য করে দোকানপাটও খোলা হচ্ছে।
বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, আজ শুক্রবার দুপুরে উপজেলার নাপিতেরচর গাইবান্ধা গরুরহাটে কারও মধ্যেই স্বাস্থ্যবিধি মানার কোনো প্রবণতা নেই। বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতারা হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন। কেউ পরছে না মাস্ক। মানছে না স্বাস্থ্যবিধি।
এ ছাড়া পোড়ারচর, কান্দারচর, পচাবহলা, সিরাজাদাবাদ, ডিগ্রিরচর, টানাব্রিজ, ঝগড়ারচর, মলমগঞ্জ, কুলকান্দী, কড়ইতলা, হাড়গিলা, কাজলা একতা, কাঠমা জনতা বাজারসহ বিভিন্ন বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতা কেউই মানছেন না করোনা রোধে স্বাস্থ্যবিধি।
অন্যদিকে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে এবং সবাইকে সচেতন করতে দিনরাত প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম মাজহারুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) রোকনুজ্জামান খান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার এ এ এম আবু তাহের, পুলিশের ইসলামপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. সুমন মিয়া, ওসি মাজেদুর রহমান, (তদন্ত) ওসি কবির হোসেন প্রমুখ।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম মাজহারুল ইসলাম বলেন, `স্বাস্থ্যবিধি মেনে বাজার করাসহ দৈনন্দিন জীবনে সব ধরনের কাজকর্ম করতে জনগণকে সচেতন করে যাচ্ছি। লকডাউন বাস্তবায়নে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানও চালানো হচ্ছে।'

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ভুল চিকিৎসায় ঝুমা বেগম (২০) নামের এক গৃহবধূর মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। শহরের ট্রমা অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে। মৃত্যুর পর আজ শনিবার (৩ জানুয়ারি) দুপুরে গৃহবধূর লাশ নেওয়া হয় ভৈরব থানায়। থানায় লাশ রেখেই বিকেলে ৪ লাখ টাকায় রফাদফা হয়েছে বলে জানান রোগীর স্বজন রাশেদ মিয়া।
৫ মিনিট আগে
কুমিল্লার হোমনায় একটি বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। গত শুক্রবার দিবাগত রাতে উপজেলার শ্রীমদ্দি গ্রামের নাথবাড়ির প্রয়াত সানু দাসের ঘরে এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, ডাকাতেরা ঘর থেকে ১০ ভরি স্বর্ণালংকার, ১২ ভরি রুপা ও ২০ হাজার টাকা লুটে নিয়েছে।
১০ মিনিট আগে
সুন্দরবনে রিসোর্ট মালিক ও দুই পর্যটককে অপহরণ করেছে সশস্ত্র বনদস্যু বাহিনী। গতকাল শুক্রবার বিকেলে সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের ঢাংমারী এলাকার কেনুর খাল থেকে তাঁদের অপহরণ করা হয়। শনিবার (৩ জানুয়ারি) রাতে বিষয়টি জানাজানি হয়।
১৪ মিনিট আগে
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসন থেকে এমপি প্রার্থী আলোচিত ভিক্ষুক আবুল মুনসুর ফকিরের মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। আজ শনিবার (৩ জানুয়ারি) মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ের শেষ দিনে ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা সাইফুর রহমান তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেন।
৪৪ মিনিট আগে