জামালপুর ও সরিষাবাড়ী প্রতিনিধি

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় নিখোঁজের চার দিন পর সেপটি ট্যাংক থেকে নবম শ্রেণির এক ছাত্রের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ রোববার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ দুজনকে আটক করেছে।
নিহত উজ্বল মিয়া (১৪) জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার ডোয়াইল ইউনিয়নের চর বালিয়া পুর্ব পাড়ার অসর আলীর ছেলে। সে উপজেলার শেখ খলিলুর রহমান ভোকেশনাল ইনস্টিটিউটের নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী ছিল।
আর আটককৃতরা হলেন, বালিয়া গ্রামের আব্দুল বারেক মিয়ার ছেলে আবু সাঈদ (১৯) ও প্রবাসী শহিদুল ইসলামের ছেলে সাদ্দাম হোসেন (১৮)। তারা দুজনই উজ্জ্বল মিয়ার বন্ধু।
স্বজনেরা জানিয়েছেন, উজ্জ্বল মিয়াকে গত বুধবার সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে তার কয়েকজন বন্ধুরা ডেকে নিয়ে যায় এরপর থেকেই নিখোঁজ ছিল উজ্জ্বল। ওই দিন রাত ১১টার দিকে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়। অভিযোগের পরেই সরিষাবাড়ী থানা–পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান শুরু করে।
আজ রোববার বাড়ির আঙ্গিনায় উজ্জ্বলের বোন কাজ করছিলেন। এ সময় সেপটি ট্যাংক থেকে গন্ধ বের হওয়ায় আশপাশের লোকজনদের খবর দেন তিনি। তাঁরা ট্যাংকির মুখ খুলে উজ্জল মিয়ার লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশ খবর দেয়। পরে দুপুর ৩টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে দীর্ঘ আড়াই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে সন্ধ্যায় লাশটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
লাশ উদ্ধারের খবর পেয়ে আজ দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন জামালপুর পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সোহরাব হোসাইন ও সরিষাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুশফিকুর রহমান। এরপরেই বিকেল ৪টার দিকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সোহরাব হোসেনের নেতৃত্বে বিভিন্নস্থানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। রাত ৯টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছিল।
উজ্জ্বল মিয়ার বাবা উসর আলী বলেন, ‘আমার ছেলেকে ওর বন্ধুরা মাইরা আবার আমার বাড়ির পাশে ট্যাংকির মধ্যে রাইখা গেছে। আমি ছেলে হত্যার উপযুক্ত বিচার চাই।’
নিহতের বোন অন্তরা (১৮) বলেন, ‘ভাইকে কয়েকদিন ধরে খোঁজাখুজি করেছি। কোনো জায়গায় পাই নাই। আমরা থানায় অভিযোগ দিয়েছিলাম। আজ আমি দুপুরে বাড়ির সামনে কাজ করছিলাম। এমন সময় নাকে দুর্গন্ধ আসে। দুর্গন্ধ পেয়ে ট্যাংকির মুখ খুলতেই আমার ভাইয়ের লাশ দেখতে পাই। আমি ভাই হত্যার বিচার চাই।’
সরিষাবাড়ী থানার বারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুশফিকুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে সেপটিক ট্যাংকের ভেতর থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়। সন্ধ্যায় লাশের ময়নাতদন্তের জন্য জামালপুর শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এখনো পরিবাবের কোনো অভিযোগ পাওয়া জায়নি।
জামালপুর সদর সার্কেলের পুলিশ সুপার (এসপি) সোহরাব হোসেন বলেন, ‘গত ২৭ মার্চ আমাদের কাছে ছেলে নিখোঁজের একটি অভিযোগ আসে। তারপর অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা বিভিন্নভাবে তদন্তের চেষ্টা চালিয়ে আসছিলাম। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুজনকে আটক করা হয়েছে।’

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় নিখোঁজের চার দিন পর সেপটি ট্যাংক থেকে নবম শ্রেণির এক ছাত্রের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ রোববার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ দুজনকে আটক করেছে।
নিহত উজ্বল মিয়া (১৪) জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার ডোয়াইল ইউনিয়নের চর বালিয়া পুর্ব পাড়ার অসর আলীর ছেলে। সে উপজেলার শেখ খলিলুর রহমান ভোকেশনাল ইনস্টিটিউটের নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী ছিল।
আর আটককৃতরা হলেন, বালিয়া গ্রামের আব্দুল বারেক মিয়ার ছেলে আবু সাঈদ (১৯) ও প্রবাসী শহিদুল ইসলামের ছেলে সাদ্দাম হোসেন (১৮)। তারা দুজনই উজ্জ্বল মিয়ার বন্ধু।
স্বজনেরা জানিয়েছেন, উজ্জ্বল মিয়াকে গত বুধবার সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে তার কয়েকজন বন্ধুরা ডেকে নিয়ে যায় এরপর থেকেই নিখোঁজ ছিল উজ্জ্বল। ওই দিন রাত ১১টার দিকে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়। অভিযোগের পরেই সরিষাবাড়ী থানা–পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান শুরু করে।
আজ রোববার বাড়ির আঙ্গিনায় উজ্জ্বলের বোন কাজ করছিলেন। এ সময় সেপটি ট্যাংক থেকে গন্ধ বের হওয়ায় আশপাশের লোকজনদের খবর দেন তিনি। তাঁরা ট্যাংকির মুখ খুলে উজ্জল মিয়ার লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশ খবর দেয়। পরে দুপুর ৩টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে দীর্ঘ আড়াই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে সন্ধ্যায় লাশটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
লাশ উদ্ধারের খবর পেয়ে আজ দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন জামালপুর পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সোহরাব হোসাইন ও সরিষাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুশফিকুর রহমান। এরপরেই বিকেল ৪টার দিকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সোহরাব হোসেনের নেতৃত্বে বিভিন্নস্থানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। রাত ৯টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছিল।
উজ্জ্বল মিয়ার বাবা উসর আলী বলেন, ‘আমার ছেলেকে ওর বন্ধুরা মাইরা আবার আমার বাড়ির পাশে ট্যাংকির মধ্যে রাইখা গেছে। আমি ছেলে হত্যার উপযুক্ত বিচার চাই।’
নিহতের বোন অন্তরা (১৮) বলেন, ‘ভাইকে কয়েকদিন ধরে খোঁজাখুজি করেছি। কোনো জায়গায় পাই নাই। আমরা থানায় অভিযোগ দিয়েছিলাম। আজ আমি দুপুরে বাড়ির সামনে কাজ করছিলাম। এমন সময় নাকে দুর্গন্ধ আসে। দুর্গন্ধ পেয়ে ট্যাংকির মুখ খুলতেই আমার ভাইয়ের লাশ দেখতে পাই। আমি ভাই হত্যার বিচার চাই।’
সরিষাবাড়ী থানার বারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুশফিকুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে সেপটিক ট্যাংকের ভেতর থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়। সন্ধ্যায় লাশের ময়নাতদন্তের জন্য জামালপুর শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এখনো পরিবাবের কোনো অভিযোগ পাওয়া জায়নি।
জামালপুর সদর সার্কেলের পুলিশ সুপার (এসপি) সোহরাব হোসেন বলেন, ‘গত ২৭ মার্চ আমাদের কাছে ছেলে নিখোঁজের একটি অভিযোগ আসে। তারপর অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা বিভিন্নভাবে তদন্তের চেষ্টা চালিয়ে আসছিলাম। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুজনকে আটক করা হয়েছে।’

অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের ২২ জুলাই জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ইন্টারনেট শাটডাউন চলাকালে এসব ব্যবসায়ী সাবেক স্বৈরাচার ও সাজাপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আন্দোলন দমনে সহায়তার প্রতিশ্রুতি ও সার্বিকভাবে পাশে থাকার জন্য ঢাকার ওসমানী মিলনায়তনে একত্রিত হন।
৪২ মিনিট আগে
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় ইজিবাইক (ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা) নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খালে পড়ে কাশেম মোল্লা (৩২) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার সকালে উপজেলার আশুতিয়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। কাশেম আশুতিয়া গ্রামের রাজ্জাক মোল্লার ছেলে। তিনি পেশাগতভাবে অটোরিকশাচালক নন। শখের বসে চালাতে গিয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
মিয়ানমার থেকে আসা গুলিতে আহত টেকনাফের শিশু হুজাইফা আফনানের (৯) অবস্থা এখনো সংকটাপন্ন। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে থাকা হুজাইফার মস্তিষ্কের ‘চাপ কমাতে’ তার মাথার খুলির একটি অংশ খুলে রাখা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় বিপ্লব চন্দ্র শীল (৩৮) নামের এক ইনস্যুরেন্স কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় তাঁর ভগ্নিপতি পলাশ চন্দ্র শীল গুরুতর আহত হন। গতকাল সোমবার রাতে উপজেলার গলাকাটা পোল এলাকায় কবিরহাট-বসুরহাট সড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে