নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে পাঁচ পরিবার ও স্থানীয় একটি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের চলাচলের রাস্তা ইটের স্তূপ ও টিনের বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দিয়েছেন প্রতিবেশী। এমন ঘটনায় প্রায় ১৫ দিন ধরে একরকম অবরুদ্ধ রয়েছে পাঁচটি পরিবার। চলাচলের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদেরও।
ঘটনাটি ঘটেছে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার রাজিবপুর ইউনিয়নের রামনগর গ্রামে। এর প্রতিকার পেতে আব্দুল মান্নান চকদার (৮৫) নামের এক ভুক্তভোগী সম্প্রতি ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
জানা গেছে, উপজেলার রামনগর গ্রামের বাসিন্দা বুলবুল চকদার, আব্দুল জব্বার চকদার, সাইফুল চকদার, আব্দুছ ছালাম চকদারসহ বেশ কয়েকজন পারিবারিক বিরোধের জেরে চলাচলের রাস্তায় ইটের স্তূপ ও টিনের বেড়া দিয়ে রাস্তা বন্ধ করে দেন। এতে করে ভুক্তভোগী পাঁচ পরিবার অবরুদ্ধ এবং স্থানীয় শ্রীনগর দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা চলাচলে বিপাকে পড়েছেন।
ভুক্তভোগী আব্দুল মান্নান চকদার বলেন, ‘রাস্তা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আমরা রীতিমতো অবরুদ্ধ। ইটের স্তূপ ও টিনের বেড়া দিয়ে রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ার কারণে আমাদের পাঁচটি পরিবার বের হতে পারি না। আমরা প্রশাসনের কাছে ন্যায়বিচার চাই।’
জানতে চাইলে অভিযুক্ত বুলবুল চকদার চলাচলের রাস্তা বন্ধের কথা স্বীকার করে বলেন, ‘ঘর নির্মাণের জন্য ইট এনেছি। জায়গার সংকটের কারণে তা আমার নিজস্ব জায়গায় রেখেছি। ঘরের কাজ শেষ হলে ইট সরিয়ে দেওয়া হবে।’
গতকাল মঙ্গলবার রাজিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল আলী ফকির আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘রাস্তা বন্ধের বিষয়ে একটি মৌখিক অভিযোগ পেয়ে সরেজমিনে গিয়ে প্রতিবন্ধকতা সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে পুনরায় রাস্তা বন্ধের বিষয়ে আমি অবগত নই। খোঁজ নিয়ে বিষয়টি সমাধান করে দেওয়া হবে।’
ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সালাহউদ্দিন বিশ্বাস বলেন, ‘অভিযোগের পর ভূমি অফিসের একজন প্রতিনিধিকে সরেজমিনে পাঠানো হয়েছিল। তবে এটি মূলত পারিবারিক বিরোধ। সরকারি স্বার্থসংশ্লিষ্টতা নেই, তাই প্রশাসনের পক্ষে থেকে সরাসরি হস্তক্ষেপেরও সুযোগ নেই।’

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে পাঁচ পরিবার ও স্থানীয় একটি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের চলাচলের রাস্তা ইটের স্তূপ ও টিনের বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দিয়েছেন প্রতিবেশী। এমন ঘটনায় প্রায় ১৫ দিন ধরে একরকম অবরুদ্ধ রয়েছে পাঁচটি পরিবার। চলাচলের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদেরও।
ঘটনাটি ঘটেছে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার রাজিবপুর ইউনিয়নের রামনগর গ্রামে। এর প্রতিকার পেতে আব্দুল মান্নান চকদার (৮৫) নামের এক ভুক্তভোগী সম্প্রতি ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
জানা গেছে, উপজেলার রামনগর গ্রামের বাসিন্দা বুলবুল চকদার, আব্দুল জব্বার চকদার, সাইফুল চকদার, আব্দুছ ছালাম চকদারসহ বেশ কয়েকজন পারিবারিক বিরোধের জেরে চলাচলের রাস্তায় ইটের স্তূপ ও টিনের বেড়া দিয়ে রাস্তা বন্ধ করে দেন। এতে করে ভুক্তভোগী পাঁচ পরিবার অবরুদ্ধ এবং স্থানীয় শ্রীনগর দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা চলাচলে বিপাকে পড়েছেন।
ভুক্তভোগী আব্দুল মান্নান চকদার বলেন, ‘রাস্তা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আমরা রীতিমতো অবরুদ্ধ। ইটের স্তূপ ও টিনের বেড়া দিয়ে রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ার কারণে আমাদের পাঁচটি পরিবার বের হতে পারি না। আমরা প্রশাসনের কাছে ন্যায়বিচার চাই।’
জানতে চাইলে অভিযুক্ত বুলবুল চকদার চলাচলের রাস্তা বন্ধের কথা স্বীকার করে বলেন, ‘ঘর নির্মাণের জন্য ইট এনেছি। জায়গার সংকটের কারণে তা আমার নিজস্ব জায়গায় রেখেছি। ঘরের কাজ শেষ হলে ইট সরিয়ে দেওয়া হবে।’
গতকাল মঙ্গলবার রাজিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল আলী ফকির আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘রাস্তা বন্ধের বিষয়ে একটি মৌখিক অভিযোগ পেয়ে সরেজমিনে গিয়ে প্রতিবন্ধকতা সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে পুনরায় রাস্তা বন্ধের বিষয়ে আমি অবগত নই। খোঁজ নিয়ে বিষয়টি সমাধান করে দেওয়া হবে।’
ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সালাহউদ্দিন বিশ্বাস বলেন, ‘অভিযোগের পর ভূমি অফিসের একজন প্রতিনিধিকে সরেজমিনে পাঠানো হয়েছিল। তবে এটি মূলত পারিবারিক বিরোধ। সরকারি স্বার্থসংশ্লিষ্টতা নেই, তাই প্রশাসনের পক্ষে থেকে সরাসরি হস্তক্ষেপেরও সুযোগ নেই।’

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
১ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
১ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
১ ঘণ্টা আগে