ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ময়মনসিংহ মহানগর কমিটি থেকে ওয়ালিদ আহমেদ অলিকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তিনি সংগঠনটির মহানগর কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিবের দায়িত্বে ছিলেন। শুক্রবার (২৩ মে) সংগঠনের আহ্বায়ক মো. অলি উল্লাহ ও সদস্যসচিব আল নুর মোহাম্মদ আয়াস স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১৫ মে সংগঠনবিরোধী বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের জন্য তাঁকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) প্রদান করা হয়েছিল। যার সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে এই সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ওয়ালিদ আহমেদ অলি কেন্দ্রীয় ঘোষিত নেতাদের নামে বিষোদ্গার করে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা-পরিপন্থী কাজ করেছেন। এ ছাড়া, নবগঠিত জেলা ও মহানগর কমিটি কর্তৃক আয়োজিত একটি আন্দোলনের আগের রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হুমকি দিয়ে পূর্বপরিকল্পিতভাবে বিশৃঙ্খলা তৈরি করার অভিযোগ আনা হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ওয়ালিদ আহমেদ অলি সংগঠনে এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজে স্বেচ্ছাচারিতা ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের পরিচয় দিয়েছেন। ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে তিনি বিভিন্ন জায়গায় সাংগঠনিক ব্যানার ব্যবহার করে ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
সম্প্রতি ময়মনসিংহ শহরের আলোচিত ‘সুন্দর মহল’ ভাঙচুর ও দাঙ্গার ঘটনায় ওয়ালিদ আহমেদ অলির ব্যক্তিগতভাবে জড়িত থাকার অভিযোগও গুরুতরভাবে উঠে এসেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, তিনি দায়িত্বশীলদের অবহিত না করে সেখানে অবস্থান করেছিলেন এবং এর মাধ্যমে সংগঠনকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা করেছেন।
সংগঠনটির মহানগরের সদস্যসচিব আল নূর মোহাম্মদ আয়াস জানিয়েছেন, তাঁরা ব্যক্তি স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে সংগঠনের শৃঙ্খলা এবং ভাবমূর্তি রক্ষায় বদ্ধপরিকর। এই সিদ্ধান্তের পর ময়মনসিংহে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ভবিষ্যৎ কার্যক্রম এবং গতিপথ আরও মসৃণ হবে।
বিজ্ঞপ্তির বিষয়ে সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব ওয়ালিদ আহমেদ অলি বলেন, ‘যাদের স্বাক্ষরে আমাকে বহিষ্কার করা হয়েছে, তাদের সঙ্গে কেন্দ্রের কোনো যোগাযোগ নেই। এই বহিষ্কারাদেশের বিরুদ্ধে আমরা কর্মসূচি দেব।’

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ময়মনসিংহ মহানগর কমিটি থেকে ওয়ালিদ আহমেদ অলিকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তিনি সংগঠনটির মহানগর কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিবের দায়িত্বে ছিলেন। শুক্রবার (২৩ মে) সংগঠনের আহ্বায়ক মো. অলি উল্লাহ ও সদস্যসচিব আল নুর মোহাম্মদ আয়াস স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১৫ মে সংগঠনবিরোধী বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের জন্য তাঁকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) প্রদান করা হয়েছিল। যার সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে এই সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ওয়ালিদ আহমেদ অলি কেন্দ্রীয় ঘোষিত নেতাদের নামে বিষোদ্গার করে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা-পরিপন্থী কাজ করেছেন। এ ছাড়া, নবগঠিত জেলা ও মহানগর কমিটি কর্তৃক আয়োজিত একটি আন্দোলনের আগের রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হুমকি দিয়ে পূর্বপরিকল্পিতভাবে বিশৃঙ্খলা তৈরি করার অভিযোগ আনা হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ওয়ালিদ আহমেদ অলি সংগঠনে এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজে স্বেচ্ছাচারিতা ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের পরিচয় দিয়েছেন। ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে তিনি বিভিন্ন জায়গায় সাংগঠনিক ব্যানার ব্যবহার করে ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
সম্প্রতি ময়মনসিংহ শহরের আলোচিত ‘সুন্দর মহল’ ভাঙচুর ও দাঙ্গার ঘটনায় ওয়ালিদ আহমেদ অলির ব্যক্তিগতভাবে জড়িত থাকার অভিযোগও গুরুতরভাবে উঠে এসেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, তিনি দায়িত্বশীলদের অবহিত না করে সেখানে অবস্থান করেছিলেন এবং এর মাধ্যমে সংগঠনকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা করেছেন।
সংগঠনটির মহানগরের সদস্যসচিব আল নূর মোহাম্মদ আয়াস জানিয়েছেন, তাঁরা ব্যক্তি স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে সংগঠনের শৃঙ্খলা এবং ভাবমূর্তি রক্ষায় বদ্ধপরিকর। এই সিদ্ধান্তের পর ময়মনসিংহে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ভবিষ্যৎ কার্যক্রম এবং গতিপথ আরও মসৃণ হবে।
বিজ্ঞপ্তির বিষয়ে সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব ওয়ালিদ আহমেদ অলি বলেন, ‘যাদের স্বাক্ষরে আমাকে বহিষ্কার করা হয়েছে, তাদের সঙ্গে কেন্দ্রের কোনো যোগাযোগ নেই। এই বহিষ্কারাদেশের বিরুদ্ধে আমরা কর্মসূচি দেব।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে