শেরপুর প্রতিনিধি

শেরপুরে তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে এক ছাত্রদল নেতাসহ দুজন নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন। গতকাল সোমবার রাতে শেরপুর শহরের গৌরীপুর ও খোয়ারপাড় এলাকাবাসীর মধ্যে দফায় দফায় এ সংঘর্ষ হয়।
নিহতরা হলেন শহরের গৌরীপুর মহল্লার মৃত আজাহার আলীর ছেলে ট্রলিচালক মিজানুর রহমান মিজান (৩৫) এবং একই মহল্লার ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন মিন্টুর ছেলে ছাত্রদল নেতা আরিফুল ইসলাম শ্রাবণ (২২)। শ্রাবণ জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। মিজান রাতে এবং শ্রাবণ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ মঙ্গলবার ভোরে মারা যান।
শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম এসব নিশ্চিত করেন।
এদিকে এ ঘটনায় মধ্যরাত পর্যন্ত দফায় দফায় সংঘর্ষ হয় দুপক্ষের মধ্যে। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে শহরজুড়ে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
স্থানীয়রা জানান, গৌরীপুর মহল্লা ও খোয়ারপার শাপলা চত্বর এলাকার দুই দল কিশোরের মধ্যে কয়েক দিন আগে কথা-কাটাকাটি ও ঝগড়া হয়। এর জেরেই সোমবার রাতে দুই এলাকার লোকেদের মধ্যে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ধাওয়া, পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় গৌরীপুর মহল্লার ট্রলিচালক মিজান ও ছাত্রদল নেতা শ্রাবণ গুরুতর আহত হন। তাঁদের উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা মিজানকে মৃত ঘোষণা করেন এবং শ্রাবণকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মঙ্গলবার ভোরে মারা যান শ্রাবণ।
শেরপুর সদর থানার ওসি সোমবার রাতে বলেন মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, উভয় পক্ষের সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। পরিস্থিতি শান্ত করার জন্য পুলিশ কাজ করছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

শেরপুরে তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে এক ছাত্রদল নেতাসহ দুজন নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন। গতকাল সোমবার রাতে শেরপুর শহরের গৌরীপুর ও খোয়ারপাড় এলাকাবাসীর মধ্যে দফায় দফায় এ সংঘর্ষ হয়।
নিহতরা হলেন শহরের গৌরীপুর মহল্লার মৃত আজাহার আলীর ছেলে ট্রলিচালক মিজানুর রহমান মিজান (৩৫) এবং একই মহল্লার ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন মিন্টুর ছেলে ছাত্রদল নেতা আরিফুল ইসলাম শ্রাবণ (২২)। শ্রাবণ জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। মিজান রাতে এবং শ্রাবণ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ মঙ্গলবার ভোরে মারা যান।
শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম এসব নিশ্চিত করেন।
এদিকে এ ঘটনায় মধ্যরাত পর্যন্ত দফায় দফায় সংঘর্ষ হয় দুপক্ষের মধ্যে। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে শহরজুড়ে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
স্থানীয়রা জানান, গৌরীপুর মহল্লা ও খোয়ারপার শাপলা চত্বর এলাকার দুই দল কিশোরের মধ্যে কয়েক দিন আগে কথা-কাটাকাটি ও ঝগড়া হয়। এর জেরেই সোমবার রাতে দুই এলাকার লোকেদের মধ্যে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ধাওয়া, পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় গৌরীপুর মহল্লার ট্রলিচালক মিজান ও ছাত্রদল নেতা শ্রাবণ গুরুতর আহত হন। তাঁদের উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা মিজানকে মৃত ঘোষণা করেন এবং শ্রাবণকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মঙ্গলবার ভোরে মারা যান শ্রাবণ।
শেরপুর সদর থানার ওসি সোমবার রাতে বলেন মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, উভয় পক্ষের সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। পরিস্থিতি শান্ত করার জন্য পুলিশ কাজ করছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৫ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে