ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

গাজীপুরের সালনা থেকে টঙ্গী পর্যন্ত সড়কে ধীরগতির কাজের জন্য অসহনীয় দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন যাত্রীরা। এই জনদুর্ভোগ নিরসনের দাবিতে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছে দ্য চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি ও ময়মনসিংহ জিলা মোটর মালিক সমিতি।
আজ রোববার অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সহসভাপতি ও জেলা মোটর মালিক সমিতির সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মমতাজ উদ্দিন মন্তা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মুক্তিযোদ্ধা মমতাজ উদ্দিন মন্তা বলেন, আগামী ১৫ জানুয়ারির মধ্যে যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন না হলে বৃহত্তর ময়মনসিংহের (ময়মনসিংহ, জামালপুর, শেরপুর, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ, টাঙ্গাইল) গণপরিবহন যোগাযোগব্যবস্থা বন্ধ রাখা হবে। ময়মনসিংহ থেকে গাজীপুর পর্যন্ত যেতে সময় লাগে ১ ঘণ্টা ১৫ মিনিট। কিন্তু বর্তমানে গাজীপুর থেকে ঢাকার মহাখালী যেতে সময় লাগছে ৩ থেকে ৫ ঘণ্টা। এতে সাধারণ যাত্রীসহ চালকদের অসহনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ধীরগতির চলমান কাজে দুর্ভোগের পাশাপাশি পরিবহনমালিকেরা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। বিষয়টি সরকারের ঊর্ধ্বতন মহলকে বারবার বলেও কোনো লাভ হচ্ছে না। এ ছাড়া ঢাকা-ময়মনসিংহ হাইওয়েতে দৈনিক ১০ হাজার ৮০টির মতো গণপরিবহন চলাচল করছে। প্রতিদিন গাড়ির তেল বাবদ নষ্ট হচ্ছে দেড় কোটি টাকা।
সংবাদ সম্মেলনে এফবিসিসিআইয়ের সহসভাপতি এবং দ্য ময়মনসিংহ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মো. আমিনুল হক শামীম বলেন, ‘শুধু ঠিকাদারের গাফিলতির কারণে বৃহত্তর ময়মনসিংহের লোকজনকে দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। আমরা আগামী ১৫ দিনের মধ্যে মহাসড়ক চলাচলের উপযোগী চাই। রাস্তার ওপরে যত্রতত্র ট্রাক চাই না। প্রতিদিন সব মিলিয়ে ২ কোটি টাকার মতো নষ্ট হচ্ছে। কিন্তু ১০ কোটি টাকা একসঙ্গে খরচ করলেই রাস্তাটা চলাচলের উপযোগী হয়। তিন বছর মেয়াদি রাস্তা ছয় বছরেও কাজ শেষ না হওয়া হতাশা ছাড়া কিছুই নয়।’
সভাপতি আরও বলেন, ‘চলতি বছরের শেষের দিকে রাস্তার কাজ শেষ হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার। কিন্তু যেভাবে কাজ চলছে আগামী তিন বছরেও মনে হয় না শেষ করতে পারবে। কারণ ছয় বছরে কাজের উন্নতি হয়েছে ৬৩ দশমিক ২৭ শতাংশ। ২ হাজার ৩৭ কোটি টাকার কাজ এখন ৪ হাজার ২০০ কোটিতে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। বিষয়টি দ্রুত সমাধানের জন্য আমরা সরকারের কাছে দাবি জানাই। তা না হলে আগামী ১৬ জানুয়ারি থেকে সব গণপরিবহন বন্ধ থাকবে।’
উক্ত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সহসভাপতি শংকর সাহা, জিলা মোটর মালিক সমিতির মহাসচিব মো. মাহবুবুর রহমান, সহসভাপতি অধ্যাপক শ্যামল দত্ত, কোচ বিভাগের সম্পাদক সোমনাথ সাহা প্রমুখ।

গাজীপুরের সালনা থেকে টঙ্গী পর্যন্ত সড়কে ধীরগতির কাজের জন্য অসহনীয় দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন যাত্রীরা। এই জনদুর্ভোগ নিরসনের দাবিতে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছে দ্য চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি ও ময়মনসিংহ জিলা মোটর মালিক সমিতি।
আজ রোববার অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সহসভাপতি ও জেলা মোটর মালিক সমিতির সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মমতাজ উদ্দিন মন্তা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মুক্তিযোদ্ধা মমতাজ উদ্দিন মন্তা বলেন, আগামী ১৫ জানুয়ারির মধ্যে যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন না হলে বৃহত্তর ময়মনসিংহের (ময়মনসিংহ, জামালপুর, শেরপুর, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ, টাঙ্গাইল) গণপরিবহন যোগাযোগব্যবস্থা বন্ধ রাখা হবে। ময়মনসিংহ থেকে গাজীপুর পর্যন্ত যেতে সময় লাগে ১ ঘণ্টা ১৫ মিনিট। কিন্তু বর্তমানে গাজীপুর থেকে ঢাকার মহাখালী যেতে সময় লাগছে ৩ থেকে ৫ ঘণ্টা। এতে সাধারণ যাত্রীসহ চালকদের অসহনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ধীরগতির চলমান কাজে দুর্ভোগের পাশাপাশি পরিবহনমালিকেরা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। বিষয়টি সরকারের ঊর্ধ্বতন মহলকে বারবার বলেও কোনো লাভ হচ্ছে না। এ ছাড়া ঢাকা-ময়মনসিংহ হাইওয়েতে দৈনিক ১০ হাজার ৮০টির মতো গণপরিবহন চলাচল করছে। প্রতিদিন গাড়ির তেল বাবদ নষ্ট হচ্ছে দেড় কোটি টাকা।
সংবাদ সম্মেলনে এফবিসিসিআইয়ের সহসভাপতি এবং দ্য ময়মনসিংহ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মো. আমিনুল হক শামীম বলেন, ‘শুধু ঠিকাদারের গাফিলতির কারণে বৃহত্তর ময়মনসিংহের লোকজনকে দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। আমরা আগামী ১৫ দিনের মধ্যে মহাসড়ক চলাচলের উপযোগী চাই। রাস্তার ওপরে যত্রতত্র ট্রাক চাই না। প্রতিদিন সব মিলিয়ে ২ কোটি টাকার মতো নষ্ট হচ্ছে। কিন্তু ১০ কোটি টাকা একসঙ্গে খরচ করলেই রাস্তাটা চলাচলের উপযোগী হয়। তিন বছর মেয়াদি রাস্তা ছয় বছরেও কাজ শেষ না হওয়া হতাশা ছাড়া কিছুই নয়।’
সভাপতি আরও বলেন, ‘চলতি বছরের শেষের দিকে রাস্তার কাজ শেষ হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার। কিন্তু যেভাবে কাজ চলছে আগামী তিন বছরেও মনে হয় না শেষ করতে পারবে। কারণ ছয় বছরে কাজের উন্নতি হয়েছে ৬৩ দশমিক ২৭ শতাংশ। ২ হাজার ৩৭ কোটি টাকার কাজ এখন ৪ হাজার ২০০ কোটিতে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। বিষয়টি দ্রুত সমাধানের জন্য আমরা সরকারের কাছে দাবি জানাই। তা না হলে আগামী ১৬ জানুয়ারি থেকে সব গণপরিবহন বন্ধ থাকবে।’
উক্ত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সহসভাপতি শংকর সাহা, জিলা মোটর মালিক সমিতির মহাসচিব মো. মাহবুবুর রহমান, সহসভাপতি অধ্যাপক শ্যামল দত্ত, কোচ বিভাগের সম্পাদক সোমনাথ সাহা প্রমুখ।

রাজশাহী শহরে নির্মাণাধীন চারটি ফ্লাইওভারের নকশা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, নকশার ত্রুটির কারণে ফ্লাইওভারগুলো চালু হলে উল্টো সেগুলোর মুখেই যানজট সৃষ্টি হতে পারে। এ নিয়ে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনার আ ন ম বজলুর রশীদ ৬ জানুয়ারি সংশ্লিষ্টদের নিয়ে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন।
১ ঘণ্টা আগে
পদ্মা সেতুর দক্ষিণ প্রান্ত-সংলগ্ন মাদারীপুরের শিবচর এবং শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার জায়গা নিয়ে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় তাঁতপল্লি নির্মাণের কাজ শুরু করে ২০১৮ সালের শেষের দিকে। কাজের বেশ অগ্রগতিও হয়েছিল। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর বন্ধ হয়ে যায় প্রকল্পের কাজ।
১ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নরসিংদীর পাঁচটি সংসদীয় আসনে ভোটের মাঠ ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। চায়ের আড্ডা থেকে শুরু করে গ্রামগঞ্জের অলিগলিতে প্রার্থী ও সমর্থকদের প্রচার-প্রচারণায় ছড়িয়ে পড়েছে নির্বাচনী আমেজ।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনে ৩৮টি মনোনয়নপত্র দাখিল হয়েছে। এর মধ্যে একজন প্রার্থী দুটি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। সে হিসেবে ভোটের মাঠে আছেন ৩৭ জন। তাঁদের মধ্যে ৩৪ জন অর্থাৎ প্রায় ৯২ শতাংশ প্রার্থীই উচ্চশিক্ষিত।
২ ঘণ্টা আগে