নেত্রকোনা প্রতিনিধি

দৈনিক আজকের পত্রিকার নেত্রকোনা জেলার কলমাকান্দা উপজেলা প্রতিনিধি রানা আকন্দের ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছেন নেত্রকোনা জেলা সাংবাদিকেরা। সাংবাদিক রানা আকন্দের ওপর হামলাকারীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবি জানান তাঁরা। সেই সঙ্গে ঘটনার চার দিন পরও কোনো আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় পুলিশের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন সাংবাদিকেরা। আজ রোববার বেলা ১১টার দিকে প্রেসক্লাব সড়কের সামনে এই মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে নেত্রকোনা জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দার জাহান চৌধুরী বলেন, আজকের পত্রিকার কলমাকান্দা প্রতিনিধি রানা আকন্দের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা হলেও পুলিশ এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। পুলিশ আসামিদের খুঁজে পায় না। অথচ তারা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আসামিদের গ্রেপ্তার করা না হলে সড়ক অবরোধসহ কঠোর আন্দোলনে যাওয়ার ঘোষণা দেন তিনি।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সাংবাদিকদের ওপর হামলা হয়। সাংবাদিককে হত্যা করা হয়। এর কোনো বিচার হয় না। এই বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণেই সাংবাদিকদের ওপর নির্যাতন করতে সাহস পায় দুর্বৃত্তরা। এ সময় বক্তারা কলমাকান্দার কৈলাটি ইউনিয়নের রুবেল চেয়ারম্যানসহ বাকি আসামিদের দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
জেলা প্রেসক্লাবের সহসভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দার জাহার চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং আজকের পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি জুয়েল বিশ্বাসের সঞ্চালনায় এই মানববন্ধন ও সমাবেশে বক্তব্য রাখেন নেত্রকোনা জেলার সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সভাপতি শ্যামলেন্দু পাল, জেলা উদীচী সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান খান, দৈনিক বাংলার নেত্রর সম্পাদক কামাল হোসাইন, এনটিভির স্টাফ প্রতিনিধি ভজন দাস, প্রথম আলোর জেলা প্রতিনিধি পল্লব চক্রবর্তী, সময় টিভির জেলা প্রতিনিধি আল্পনা বেগম প্রমুখ। এ ছাড়া প্রিন্ট, ইলেকট্রনিকস ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকেরা এই মানববন্ধন সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত ১৬ ডিসেম্বর দৈনিক আজকের পত্রিকার কলমাকান্দা উপজেলা প্রতিনিধি রানা আকন্দের ওপর হামলা করা হয়। সকাল ৭টা ৫০ মিনিটের দিকে সিধলী ব্রিজের ওপর রামদা ও দেশীয় অস্ত্রসস্ত্রসহ হামলা চালায় কৈলাটি ইউনিয়নের সদ্য পরাজিত চেয়ারম্যান রুবেল ভুঁইয়া ও তাঁর লোকজন। এ সময় তাঁরা সাংবাদিক রানাকে কুপিয়ে ফেলে রেখে যায় ব্রিজের ওপর। পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে নেত্রকোনা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। রানা আকন্দের কপাল ও মাথায় প্রায় ১২টি সেলাই দিতে হয়েছে। এদিন রাতেই রানা আকন্দের বাবা বাদী হয়ে রুবেল চেয়ারম্যানসহ পাঁচজনকে আসামি করে নেত্রকোনা মডেল থানায় মামলা করেন।

দৈনিক আজকের পত্রিকার নেত্রকোনা জেলার কলমাকান্দা উপজেলা প্রতিনিধি রানা আকন্দের ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছেন নেত্রকোনা জেলা সাংবাদিকেরা। সাংবাদিক রানা আকন্দের ওপর হামলাকারীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবি জানান তাঁরা। সেই সঙ্গে ঘটনার চার দিন পরও কোনো আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় পুলিশের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন সাংবাদিকেরা। আজ রোববার বেলা ১১টার দিকে প্রেসক্লাব সড়কের সামনে এই মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে নেত্রকোনা জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দার জাহান চৌধুরী বলেন, আজকের পত্রিকার কলমাকান্দা প্রতিনিধি রানা আকন্দের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা হলেও পুলিশ এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। পুলিশ আসামিদের খুঁজে পায় না। অথচ তারা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আসামিদের গ্রেপ্তার করা না হলে সড়ক অবরোধসহ কঠোর আন্দোলনে যাওয়ার ঘোষণা দেন তিনি।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সাংবাদিকদের ওপর হামলা হয়। সাংবাদিককে হত্যা করা হয়। এর কোনো বিচার হয় না। এই বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণেই সাংবাদিকদের ওপর নির্যাতন করতে সাহস পায় দুর্বৃত্তরা। এ সময় বক্তারা কলমাকান্দার কৈলাটি ইউনিয়নের রুবেল চেয়ারম্যানসহ বাকি আসামিদের দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
জেলা প্রেসক্লাবের সহসভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দার জাহার চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং আজকের পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি জুয়েল বিশ্বাসের সঞ্চালনায় এই মানববন্ধন ও সমাবেশে বক্তব্য রাখেন নেত্রকোনা জেলার সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সভাপতি শ্যামলেন্দু পাল, জেলা উদীচী সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান খান, দৈনিক বাংলার নেত্রর সম্পাদক কামাল হোসাইন, এনটিভির স্টাফ প্রতিনিধি ভজন দাস, প্রথম আলোর জেলা প্রতিনিধি পল্লব চক্রবর্তী, সময় টিভির জেলা প্রতিনিধি আল্পনা বেগম প্রমুখ। এ ছাড়া প্রিন্ট, ইলেকট্রনিকস ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকেরা এই মানববন্ধন সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত ১৬ ডিসেম্বর দৈনিক আজকের পত্রিকার কলমাকান্দা উপজেলা প্রতিনিধি রানা আকন্দের ওপর হামলা করা হয়। সকাল ৭টা ৫০ মিনিটের দিকে সিধলী ব্রিজের ওপর রামদা ও দেশীয় অস্ত্রসস্ত্রসহ হামলা চালায় কৈলাটি ইউনিয়নের সদ্য পরাজিত চেয়ারম্যান রুবেল ভুঁইয়া ও তাঁর লোকজন। এ সময় তাঁরা সাংবাদিক রানাকে কুপিয়ে ফেলে রেখে যায় ব্রিজের ওপর। পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে নেত্রকোনা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। রানা আকন্দের কপাল ও মাথায় প্রায় ১২টি সেলাই দিতে হয়েছে। এদিন রাতেই রানা আকন্দের বাবা বাদী হয়ে রুবেল চেয়ারম্যানসহ পাঁচজনকে আসামি করে নেত্রকোনা মডেল থানায় মামলা করেন।

অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের ২২ জুলাই জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ইন্টারনেট শাটডাউন চলাকালে এসব ব্যবসায়ী সাবেক স্বৈরাচার ও সাজাপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আন্দোলন দমনে সহায়তার প্রতিশ্রুতি ও সার্বিকভাবে পাশে থাকার জন্য ঢাকার ওসমানী মিলনায়তনে একত্রিত হন।
৩৭ মিনিট আগে
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় ইজিবাইক (ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা) নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খালে পড়ে কাশেম মোল্লা (৩২) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার সকালে উপজেলার আশুতিয়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। কাশেম আশুতিয়া গ্রামের রাজ্জাক মোল্লার ছেলে। তিনি পেশাগতভাবে অটোরিকশাচালক নন। শখের বসে চালাতে গিয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
৪৪ মিনিট আগে
মিয়ানমার থেকে আসা গুলিতে আহত টেকনাফের শিশু হুজাইফা আফনানের (৯) অবস্থা এখনো সংকটাপন্ন। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে থাকা হুজাইফার মস্তিষ্কের ‘চাপ কমাতে’ তার মাথার খুলির একটি অংশ খুলে রাখা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় বিপ্লব চন্দ্র শীল (৩৮) নামের এক ইনস্যুরেন্স কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় তাঁর ভগ্নিপতি পলাশ চন্দ্র শীল গুরুতর আহত হন। গতকাল সোমবার রাতে উপজেলার গলাকাটা পোল এলাকায় কবিরহাট-বসুরহাট সড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে