শেরপুর প্রতিনিধি

শেরপুর জেলা বিএনপির ৪১ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। কমিটিতে মো. সিরাজুল ইসলামকে আহ্বায়ক এবং এ বি এম মামুনুর রশিদ পলাশকে সদস্যসচিব করা হয়। আজ বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তি থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
সিরাজুল ইসলাম জেলা বিএনপির সাবেক জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ও বিলুপ্ত ঘোষণা করা আহ্বায়ক কমিটির সদস্যসচিব ছিলেন। এ ছাড়া পেশাগতভাবে তিনি জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। আর মামুনুর রশীদ পলাশ জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এবং শহর বিএনপির বর্তমান সভাপতি।
কমিটিতে যুগ্ম আহ্বায়ক হয়েছেন মো. ফজলুর রহমান তারা, মো. শফিকুল ইসলাম মাসুদ, আব্দুল মান্নান, আবু রায়হান রুপন, সাইফুল ইসলাম, কামরুল ইসলাম, ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াংকা ও মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরীকে। এ ছাড়া সদস্য হিসেবে পদ পেয়েছেন মো. মাহমুদুল হক রুবেল, মো. হযরত আলী, সাইফুল ইসলাম স্বপন, আব্দুল আওয়াল চৌধুরী, মো. হাতেম আলী, প্রফেসর নুরুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন ভিপি, ইসরাত জাহান পান্না, আকরামুজ্জামান রাহাত, আব্দুর রহিম দুলাল, আশরাফুন নাহার রুবি, মো. মাহমুদুল হক দুলাল, মো. মহসিন কবির মুরাদ, মেজর (অব.) মাহমুদুল হাসান, এস এম শহিদুল ইসলাম, হাসানুর রেজা জিয়া, সামিউল ইসলাম আতাহার, মাজহারুল ইসলাম বাবু, ফজলুল চৌধুরী অকুল, শাহজাহান আকন্দ, হাবিবুর রহমান লিটন, আবু সুফিয়ান, জাফর আলী, আতাহার ইসলাম, প্রকৌশলী তৌহিদুর রহমান, মো. রমজান আলী, মো. আমিনুল ইসলাম শিপন, অধ্যাপক শাহিনুর ইসলাম, মো. সাইফুল ইসলাম লিটন, মো. মাহবুবুর রশিদ ও মো. রেজাউল করিম রুমি।
গত বছরের ৩ নভেম্বর জেলা বিএনপির সভাপতি, সাবেক সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল ও সাধারণ সম্পাদক মো. হযরত আলীর নেতৃত্বাধীন পূর্ণাঙ্গ কমিটি বিলুপ্ত করা হয়। এরপর মো. হযরত আলীকে আহ্বায়ক এবং সিরাজুল ইসলামকে সদস্যসচিব ও আব্দুল আওয়াল চৌধুরীকে যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়। তবে এর মাত্র দুই মাসের মাথায় নানা অভিযোগের কারণে গত ২ জানুয়ারি ওই আহ্বায়ক কমিটি প্রথমে স্থগিত ও পরে বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। এর পর থেকে প্রায় পাঁচ মাস ধরে কোনো কমিটি ছাড়াই চলছিল জেলা বিএনপি।
এদিকে দীর্ঘদিন পর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করায় নেতা-কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ করা গেছে।

শেরপুর জেলা বিএনপির ৪১ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। কমিটিতে মো. সিরাজুল ইসলামকে আহ্বায়ক এবং এ বি এম মামুনুর রশিদ পলাশকে সদস্যসচিব করা হয়। আজ বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তি থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
সিরাজুল ইসলাম জেলা বিএনপির সাবেক জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ও বিলুপ্ত ঘোষণা করা আহ্বায়ক কমিটির সদস্যসচিব ছিলেন। এ ছাড়া পেশাগতভাবে তিনি জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। আর মামুনুর রশীদ পলাশ জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এবং শহর বিএনপির বর্তমান সভাপতি।
কমিটিতে যুগ্ম আহ্বায়ক হয়েছেন মো. ফজলুর রহমান তারা, মো. শফিকুল ইসলাম মাসুদ, আব্দুল মান্নান, আবু রায়হান রুপন, সাইফুল ইসলাম, কামরুল ইসলাম, ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াংকা ও মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরীকে। এ ছাড়া সদস্য হিসেবে পদ পেয়েছেন মো. মাহমুদুল হক রুবেল, মো. হযরত আলী, সাইফুল ইসলাম স্বপন, আব্দুল আওয়াল চৌধুরী, মো. হাতেম আলী, প্রফেসর নুরুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন ভিপি, ইসরাত জাহান পান্না, আকরামুজ্জামান রাহাত, আব্দুর রহিম দুলাল, আশরাফুন নাহার রুবি, মো. মাহমুদুল হক দুলাল, মো. মহসিন কবির মুরাদ, মেজর (অব.) মাহমুদুল হাসান, এস এম শহিদুল ইসলাম, হাসানুর রেজা জিয়া, সামিউল ইসলাম আতাহার, মাজহারুল ইসলাম বাবু, ফজলুল চৌধুরী অকুল, শাহজাহান আকন্দ, হাবিবুর রহমান লিটন, আবু সুফিয়ান, জাফর আলী, আতাহার ইসলাম, প্রকৌশলী তৌহিদুর রহমান, মো. রমজান আলী, মো. আমিনুল ইসলাম শিপন, অধ্যাপক শাহিনুর ইসলাম, মো. সাইফুল ইসলাম লিটন, মো. মাহবুবুর রশিদ ও মো. রেজাউল করিম রুমি।
গত বছরের ৩ নভেম্বর জেলা বিএনপির সভাপতি, সাবেক সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল ও সাধারণ সম্পাদক মো. হযরত আলীর নেতৃত্বাধীন পূর্ণাঙ্গ কমিটি বিলুপ্ত করা হয়। এরপর মো. হযরত আলীকে আহ্বায়ক এবং সিরাজুল ইসলামকে সদস্যসচিব ও আব্দুল আওয়াল চৌধুরীকে যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়। তবে এর মাত্র দুই মাসের মাথায় নানা অভিযোগের কারণে গত ২ জানুয়ারি ওই আহ্বায়ক কমিটি প্রথমে স্থগিত ও পরে বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। এর পর থেকে প্রায় পাঁচ মাস ধরে কোনো কমিটি ছাড়াই চলছিল জেলা বিএনপি।
এদিকে দীর্ঘদিন পর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করায় নেতা-কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ করা গেছে।

৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২৪ মিনিট আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২৯ মিনিট আগে
রাজধানীর বায়ুদূষণরোধে সরকার সাভার উপজেলাকে ‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড’ ঘোষণা করে উপজেলাটিতে সব ধরনের ইটভাটায় ইট পোড়ানো ও প্রস্তুতের কার্যক্রম পরিচালনা বন্ধ ঘোষণা করেছে।
৩২ মিনিট আগে
শিক্ষক ও লোকবলসংকটে ধুঁকছে বান্দরবান নার্সিং কলেজ। উন্নত শিক্ষার প্রসারে সদর হাসপাতালে প্রতিষ্ঠানটি উদ্বোধনের প্রায় সাত বছর পার হলেও লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা ব্যাহত হচ্ছে।
৩৫ মিনিট আগে