ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

কয়েক ঘণ্টার ভারী বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে ময়মনসিংহ নগরীর অধিকাংশ এলাকা। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছে নগরবাসী। রোববার ভোর ৬টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টার বৃষ্টিতে নগরীর প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে অলিগলি পর্যন্ত ডুবে যায়।
বিশেষ করে সানকিপাড়া, গোলকিবাড়ী, নতুন বাজার, গাঙ্গিনারপাড়, বলাশপুর, খাগডহর, চরপাড়া, ত্রিশাল বাসস্ট্যান্ড ও রেললাইন বস্তি এলাকায় হাঁটুপানি জমে যায়। অনেক দোকানে পানি ঢুকে পড়ায় ব্যবসায়ীদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অনেক গাড়ি মাঝপথে বিকল হয়ে পড়ে থাকতে দেখা গেছে। অনেককে কোমরপানি ভেঙে গন্তব্যে পৌঁছাতে দেখা গেছে। বাসাবাড়িতে পানি ঢুকে পড়ায় বিপাকে পড়েন বাসিন্দারা। এর জন্য অপরিকল্পিত নগরায়ণকে দায়ী করেন নগরবাসী।
স্থানীয় বাসিন্দা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক খাদিজাতুল কোবরা বলেন, ‘সকাল থেকেই প্রচুর বৃষ্টি। বাসা থেকে বের হয়ে সানকিপাড়া আসতেই দেখি কয়েক কিলোমিটার রাস্তা পানিতে তলিয়ে গেছে। খুব কষ্ট করে স্কুলে আসতে হয়েছে।’
পথচারী সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘জলাবদ্ধতার অন্যতম কারণ হচ্ছে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নতি না হওয়া। কয়েক বছর ধরে ড্রেনের কাজ করা হলেও এর সুফল আমরা পাচ্ছি না। বেঁচে থাকতে সুফল পাব কি না, তা-ও জানি না।’
সানকিপাড়া বাজারের দোকানি আবুল হোসেন বলেন, ‘কয়েক ঘণ্টার বৃষ্টিতে দোকানের ভেতরে হাঁটুপানি। মালামাল সব ভিজে গেছে। সিটি করপোরেশনের গাফিলতির কারণে সাধারণ মানুষ হিসেবে প্রতিবছর আমাকে এই ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।’
অটোরিকশাচালক রুহুল আমিন বলেন, ‘সকাল থেকে বলা চলে শহরের প্রতিটি রাস্তা পানিতে তলিয়ে রয়েছে। কোনোভাবেই রিকশা চালাতে পারছি না। বর্ষাকালে প্রায়ই আমাদের এমন ভোগান্তি হয়।’
ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের ড্রেনেজ-ব্যবস্থার দুর্বলতাকে এই জলাবদ্ধতার প্রধান কারণ হিসেবে দেখছেন নগরবাসী। তাদের অভিযোগ, অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও ড্রেন পরিষ্কার না রাখার কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই শহর পানিতে ডুবে যায়।
এ বিষয়ে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম মিয়া জানান, নগরীতে অনেকগুলো ড্রেনের পরিচ্ছন্নতার কাজ চলছে। আবার নতুন করে ১২০ কিলোমিটার ড্রেন নির্মাণ হচ্ছে। এগুলো শেষ হতে আরও কিছুদিন সময় লাগবে। তিনি আরও জানান, ‘এ বছর কিছুটা জলাবদ্ধতার সমস্যা থাকলেও সামনের বছর উপকৃত হবে নগরবাসী। আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি নগরবাসীকে স্বস্তি দেওয়ার জন্য।’

কয়েক ঘণ্টার ভারী বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে ময়মনসিংহ নগরীর অধিকাংশ এলাকা। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছে নগরবাসী। রোববার ভোর ৬টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টার বৃষ্টিতে নগরীর প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে অলিগলি পর্যন্ত ডুবে যায়।
বিশেষ করে সানকিপাড়া, গোলকিবাড়ী, নতুন বাজার, গাঙ্গিনারপাড়, বলাশপুর, খাগডহর, চরপাড়া, ত্রিশাল বাসস্ট্যান্ড ও রেললাইন বস্তি এলাকায় হাঁটুপানি জমে যায়। অনেক দোকানে পানি ঢুকে পড়ায় ব্যবসায়ীদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অনেক গাড়ি মাঝপথে বিকল হয়ে পড়ে থাকতে দেখা গেছে। অনেককে কোমরপানি ভেঙে গন্তব্যে পৌঁছাতে দেখা গেছে। বাসাবাড়িতে পানি ঢুকে পড়ায় বিপাকে পড়েন বাসিন্দারা। এর জন্য অপরিকল্পিত নগরায়ণকে দায়ী করেন নগরবাসী।
স্থানীয় বাসিন্দা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক খাদিজাতুল কোবরা বলেন, ‘সকাল থেকেই প্রচুর বৃষ্টি। বাসা থেকে বের হয়ে সানকিপাড়া আসতেই দেখি কয়েক কিলোমিটার রাস্তা পানিতে তলিয়ে গেছে। খুব কষ্ট করে স্কুলে আসতে হয়েছে।’
পথচারী সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘জলাবদ্ধতার অন্যতম কারণ হচ্ছে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নতি না হওয়া। কয়েক বছর ধরে ড্রেনের কাজ করা হলেও এর সুফল আমরা পাচ্ছি না। বেঁচে থাকতে সুফল পাব কি না, তা-ও জানি না।’
সানকিপাড়া বাজারের দোকানি আবুল হোসেন বলেন, ‘কয়েক ঘণ্টার বৃষ্টিতে দোকানের ভেতরে হাঁটুপানি। মালামাল সব ভিজে গেছে। সিটি করপোরেশনের গাফিলতির কারণে সাধারণ মানুষ হিসেবে প্রতিবছর আমাকে এই ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।’
অটোরিকশাচালক রুহুল আমিন বলেন, ‘সকাল থেকে বলা চলে শহরের প্রতিটি রাস্তা পানিতে তলিয়ে রয়েছে। কোনোভাবেই রিকশা চালাতে পারছি না। বর্ষাকালে প্রায়ই আমাদের এমন ভোগান্তি হয়।’
ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের ড্রেনেজ-ব্যবস্থার দুর্বলতাকে এই জলাবদ্ধতার প্রধান কারণ হিসেবে দেখছেন নগরবাসী। তাদের অভিযোগ, অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও ড্রেন পরিষ্কার না রাখার কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই শহর পানিতে ডুবে যায়।
এ বিষয়ে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম মিয়া জানান, নগরীতে অনেকগুলো ড্রেনের পরিচ্ছন্নতার কাজ চলছে। আবার নতুন করে ১২০ কিলোমিটার ড্রেন নির্মাণ হচ্ছে। এগুলো শেষ হতে আরও কিছুদিন সময় লাগবে। তিনি আরও জানান, ‘এ বছর কিছুটা জলাবদ্ধতার সমস্যা থাকলেও সামনের বছর উপকৃত হবে নগরবাসী। আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি নগরবাসীকে স্বস্তি দেওয়ার জন্য।’

সুনামগঞ্জের প্রবাসী অধ্যুষিত জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত সুনামগঞ্জ-৩ আসন। এই আসনে এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৯ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। এর মধ্যে যাচাই-বাছাইকালে ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। আর প্রার্থীরা প্রবাসী স্ত্রী, ভাই, বোন ও ছেলের টাকায় নির্বাচনী ব্যয় মেটাবেন বলে
৩ ঘণ্টা আগে
সদর, আমতলী ও তালতলী উপজেলা নিয়ে বরগুনা-১ আসন এবং বামনা, পাথরঘাটা ও বেতাগী নিয়ে গঠিত বরগুনা-২ আসন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন দুটিতে মোট বৈধ প্রার্থী ১৮ জন। রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে প্রার্থীদের দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কোনো প্রার্থীরই বার্ষিক আয় ১ কোটি টাকা নেই।
৩ ঘণ্টা আগে
পাবনা-৩ (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন। তিনি জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি। এবারই প্রথম তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সম্প্রতি তিনি আজকের পত্রিকার পাবনা প্রতিনিধি শাহীন রহমানের মুখোমুখি হয়েছিলেন।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশে এলপি গ্যাসের তীব্র সংকট শিগগির অবসানের কোনো আভাস নেই। জ্বালানি মন্ত্রণালয় পর্যাপ্ত মজুতের কথা বললেও এলপি গ্যাস আমদানিকারকেরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাঁরা বলছেন, সরবরাহ সংকটই এই অবস্থার কারণ।
৩ ঘণ্টা আগে