
মৌলভীবাজার কমলগঞ্জে শুষ্ক মৌসুম এলেই কৃষিজমির টপ সয়েল বা ওপরের অংশের উর্বর মাটি কেটে নেওয়া হয় ইটভাটায়। এক্সকাভেটরের মাধ্যমে এসব টপ সয়েল কেটে ইটভাটায় নেওয়া হয়। ফলে ফসলি জমির উর্বরতা হারাচ্ছে। এতে একদিকে যেমন ফসল উৎপাদন কম হচ্ছে, অন্যদিকে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে।
উপজেলার শমশেরনগর, রহিমপুর, মুন্সীবাজার ও পতনঊষার ইউনিয়নে দেখা যায়, এক্সকাভেটরের মাধ্যমে ট্রাক ও ট্রাক্টরে ফসলি জমির মাটি কেটে বিভিন্ন ভাটায় নেওয়া হচ্ছে। এসব মাটি দিয়ে বানানো হচ্ছে ইট।
স্থানীয়রা জানান, ভাটার মালিকেরা স্বল্প টাকার বিনিময়ে প্রতিবছর বিভিন্ন জমির মালিকদের থেকে জমির উপরিভাগের মাটি কেনেন। আর জমির মালিকেরা টাকার লোভে পড়ে মাটি বিক্রি করেন। যে জমি থেকে মাটি কাটা হয়, সে জমিতে আগের মতো আর ফসল উৎপাদন হয় না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ফসলি জমির মালিক বলেন, ‘ইটভাটায় মাটি বিক্রি করেছি। মাটি বিক্রির কারণে জমির ফসল কিছুটা কম উৎপাদন হয়।’
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার রায় বলেন, জমির টপ সয়েল যদি কেটে ফেলা হয়, তাহলে জমির উর্বরশক্তি অনেকটা কমে আসে। ফসল উৎপাদনে মাটির যে প্রধান উপাদান প্রয়োজন, এগুলো জমির উপরিভাগের মধ্যে রয়েছে। ইটভাটায় জমির যে অংশ নেওয়া হয় এগুলো ফসল উৎপাদনের জন্য ক্ষতিকর।
এ বিষয়ে কমলগঞ্জ সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রইছ আল রিজওয়ান বলেন, যারা ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে ভাটায় নিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মৌলভীবাজার পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. মাইদুল ইসলাম বলেন, মাটি ও বালি আইনে টপ সয়েল কাটার বিষয়টি উপজেলা প্রশাসন বা জেলা প্রশাসক দেখেন। ফসলি জমি থেকে মাটি কাটা পরিবেশের জন্য হুমকিস্বরূপ। ইটভাটার বিভিন্ন বিষয় আমরা দেখলেও এ বিষয়টি মাটি ও বালু ব্যবস্থাপনা আইনের সংশ্লিষ্টরা দেখেন। আমাদের কাছে কেউ অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মৌলভীবাজার কমলগঞ্জে শুষ্ক মৌসুম এলেই কৃষিজমির টপ সয়েল বা ওপরের অংশের উর্বর মাটি কেটে নেওয়া হয় ইটভাটায়। এক্সকাভেটরের মাধ্যমে এসব টপ সয়েল কেটে ইটভাটায় নেওয়া হয়। ফলে ফসলি জমির উর্বরতা হারাচ্ছে। এতে একদিকে যেমন ফসল উৎপাদন কম হচ্ছে, অন্যদিকে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে।
উপজেলার শমশেরনগর, রহিমপুর, মুন্সীবাজার ও পতনঊষার ইউনিয়নে দেখা যায়, এক্সকাভেটরের মাধ্যমে ট্রাক ও ট্রাক্টরে ফসলি জমির মাটি কেটে বিভিন্ন ভাটায় নেওয়া হচ্ছে। এসব মাটি দিয়ে বানানো হচ্ছে ইট।
স্থানীয়রা জানান, ভাটার মালিকেরা স্বল্প টাকার বিনিময়ে প্রতিবছর বিভিন্ন জমির মালিকদের থেকে জমির উপরিভাগের মাটি কেনেন। আর জমির মালিকেরা টাকার লোভে পড়ে মাটি বিক্রি করেন। যে জমি থেকে মাটি কাটা হয়, সে জমিতে আগের মতো আর ফসল উৎপাদন হয় না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ফসলি জমির মালিক বলেন, ‘ইটভাটায় মাটি বিক্রি করেছি। মাটি বিক্রির কারণে জমির ফসল কিছুটা কম উৎপাদন হয়।’
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার রায় বলেন, জমির টপ সয়েল যদি কেটে ফেলা হয়, তাহলে জমির উর্বরশক্তি অনেকটা কমে আসে। ফসল উৎপাদনে মাটির যে প্রধান উপাদান প্রয়োজন, এগুলো জমির উপরিভাগের মধ্যে রয়েছে। ইটভাটায় জমির যে অংশ নেওয়া হয় এগুলো ফসল উৎপাদনের জন্য ক্ষতিকর।
এ বিষয়ে কমলগঞ্জ সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রইছ আল রিজওয়ান বলেন, যারা ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে ভাটায় নিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মৌলভীবাজার পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. মাইদুল ইসলাম বলেন, মাটি ও বালি আইনে টপ সয়েল কাটার বিষয়টি উপজেলা প্রশাসন বা জেলা প্রশাসক দেখেন। ফসলি জমি থেকে মাটি কাটা পরিবেশের জন্য হুমকিস্বরূপ। ইটভাটার বিভিন্ন বিষয় আমরা দেখলেও এ বিষয়টি মাটি ও বালু ব্যবস্থাপনা আইনের সংশ্লিষ্টরা দেখেন। আমাদের কাছে কেউ অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৫ ঘণ্টা আগে