মৌলভীবাজারের বড়লেখায় চলন্ত অটোরিকশার ওপর গাছ ভেঙে পড়ে আজিজুন নেছা (৫০) নামের এক নারী নিহত হয়েছেন। এ সময় ওই নারীর স্বামী ও অটোরিকশাচালক গুরুতর আহত হয়েছেন। আজ বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুরের দিকে উপজেলার বারইগ্রাম এলাকায় বড়লেখা-চান্দগ্রাম আঞ্চলিক সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত আজিজুন নেছা উপজেলার সুড়িকান্দি গ্রামের জমির উদ্দিনের স্ত্রী।
স্থানীয়রা জানান, সকালে দাসেরবাজারগামী একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা বারইগ্রাম এলাকায় পৌঁছালে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি মরাগাছ হঠাৎ ভেঙে পড়ে। এতে অটোরিকশার চালকসহ যাত্রী আজিজুন নেছা ও তাঁর স্বামী গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত তাঁদের উদ্ধার করে বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আজিজুন নেছাকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত অটোরিকশার চালক ও নিহতের স্বামীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল কর্মকর্তা মিলাদ আহমদ বলেন, অটোরিকশায় গাছ পড়ে ওই নারী ঘটনাস্থলেই মারা যান। তাঁকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। ওই নারীর স্বামী ও চালককে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বড়লেখা থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান খান বলেন, ‘বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখতেছি।’

দক্ষিণ চট্টগ্রামে আকস্মিক বন্যার পর পরিস্থিতি জটিল হতে শুরু করেছে। এবারের বন্যায় জেলার অন্তত ২০ হাজার নলকূপ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে সুপেয় পানির সংকট দেখা দিয়েছে। এ ছাড়া বন্যার দূষিত পানিতে দীর্ঘ সময় অবস্থানের কারণে অনেকের শরীরে ছত্রাক সংক্রমণ, শিশুদের জ্বর, সর্দি-কাশি, ডায়রিয়া ও চর্মরোগ দেখা দিয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
এক বছর ধরে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) আর্থিক সহযোগিতায় নগর শাসন ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় এই সড়ক সংস্কার ও নালা নির্মাণের কাজ চলছে। দুটি প্যাকেজে ৩৬ কোটি ৮৬ লাখ ৩৩ হাজার ২৫৭ টাকার চুক্তিমূল্যে ১২ স্থানে সাড়ে ৭ কিলোমিটার রাস্তা ও ১৫ স্থানে সাড়ে ১০ কিলোমিটার নালা নির্মাণের কাজ চলছে।
৭ ঘণ্টা আগে
সন্ধ্যা গড়াতেই শ্রাবণের বৃষ্টি আরও ঘন হয়ে নামে। শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনের কার্নিশ ছুঁয়ে মাধবীলতার পাতায় জমতে থাকে বৃষ্টির ফোঁটা। এমন বৃষ্টিস্নাত সন্ধ্যায় মিলনায়তনে ভেসে আসে সুরের মূর্ছনা—‘আকাশে আজ ছড়িয়ে দিলাম প্রিয়, আমার কথার ফুল গো–কুড়িয়ে তুমি নিও’।
৭ ঘণ্টা আগেনাটোরের গুরুদাসপুর পৌরসভায় ছাড় (রিবেট) সুবিধা দিয়েও হোল্ডিং ট্যাক্সের (পৌর কর) প্রায় ২ কোটি টাকা আদায় হচ্ছে না। এ কারণে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ২৫ মাসের বকেয়া বেতন । অপর দিকে ব্যাহত হচ্ছে পৌরসভার উন্নয়ন কার্যক্রম। পৌরসভার কর বিভাগের দাবি, নাগরিক পর্যায়ে কর আদায় হলেও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান...
৭ ঘণ্টা আগে