মেহেরপুর প্রতিনিধি

মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক ও মুজিবনগর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান কামরুল হাসান চাদুকে (৫২) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির ও চাঁদাবাজির একটি মামলার আসামি হিসেবে তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার সকালে নিজ বাড়ি দারিয়াপুর গ্রাম থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে মুজিবনগর থানা–পুলিশ।
মুজিবনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
ওসি বলেন, এলাকায় বিশৃঙ্খলা, নাশকতা সৃষ্টি ও চাঁদাবাজির অভিযোগে ৫ আগস্টের পর খোরশেদ আলম নামের এক ব্যক্তি মুজিবনগর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় কামরুল হাসান চাদুকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক ও মুজিবনগর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান কামরুল হাসান চাদুকে (৫২) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির ও চাঁদাবাজির একটি মামলার আসামি হিসেবে তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার সকালে নিজ বাড়ি দারিয়াপুর গ্রাম থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে মুজিবনগর থানা–পুলিশ।
মুজিবনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
ওসি বলেন, এলাকায় বিশৃঙ্খলা, নাশকতা সৃষ্টি ও চাঁদাবাজির অভিযোগে ৫ আগস্টের পর খোরশেদ আলম নামের এক ব্যক্তি মুজিবনগর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় কামরুল হাসান চাদুকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
২ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
২ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৩ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে