গাংনী (মেহেরপুর) প্রতিনিধি

মেহেরপুরের গাংনী সীমান্ত দিয়ে ঠেলে পাঠানো (পুশ ইন) নারী-পুরুষসহ ১৮ জনকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। আজ মঙ্গলবার সীমান্ত এলাকা থেকে তাঁদের আটক করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে গাংনীর কাজীপুর বিজিবি কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার হাবিবুর রহমান বলেন, মোট ১৮ জনকে তিনটি সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী কাঁটাতার পার করে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেয়। এ সময় বিজিবি সদস্যরা টহলরত অবস্থায় তাঁদের আটক করেন। আটক ব্যক্তিদের গাংনী থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
জানা যায়, আটক ব্যক্তিরা ঠাকুরগাঁও, নড়াইল, যশোর, খুলনা ও নারায়ণগঞ্জ জেলার বাসিন্দা। তাঁরা বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই লালমনিরহাট পাটগ্রাম সীমান্ত দিয়ে ভারতে গিয়ে শিলিগুড়ি হয়ে হরিয়ানা প্রদেশে গিয়েছিলেন। সেখানকার পুলিশ তাঁদের আটক করে শিলিগুড়ি কারাগারে রাখে। সাজার মেয়াদ শেষ হওয়ায় ভারতের বিএসএফ তাঁদের বাংলাদেশে পুশ ইন করে। বিজিবির সদস্যরা তাঁদের বিভিন্ন ক্যাম্পে আটক করেন। এর মধ্যে কাজীপুর ক্যাম্পে নয়জন, শেওড়াতলা ক্যাম্পে তিনজন এবং মথুরাপুর ক্যাম্পে ছয়জন।
তাঁরা হলেন নড়াইলের কালিয়া উপজেলার কাঞ্চনপুর গ্রামের মহাসিন শেখ (৩১), নড়াইল কাঠাদূর গ্রামের সাথী বেগম (২৬), খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার লাউহাটি গ্রামের লতা খাতুন (২৪), যশোর অভয়নগরের হিদিয়া গ্রামের তুহিন শেখ (২৬) ও হিদিয়া গ্রামের ময়না খাতুন (২২), ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গা রতনদিঘী গ্রামের ফাতেমা (৪০), রানীশংকৈল উপজেলার বলতচা গ্রামের সোহেল আহমেদ (৩২), নড়াইল কালিয়ার বরকত শেখ (২২), নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ গাউছিয়া গ্রামের তানিয়া খাতুন (২৯), ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উজিরমনি গ্রামের মো. ইকরামুল ইসলাম (৫৫), ঠাকুরগাঁও চচপাড়া গ্রামের মো. হাসিরুল ইসলাম (২৮), বালিয়াডাঙ্গী বারিসা গ্রামের মো. শাহ আলম (১৮), কাচকালি ভানুর গ্রামের মো. জাকির আলী (২৫), বানী সংকেন উপজেলার কাশিপুর গ্রামের মো. আ. কাদের (৩০), একই উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা ঘেরবাড়ী গ্রামের মো. উছিরুল ইসলামসহ (২৮) ১৮ জন।
জানতে চাইলে গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বানী ইসরাইল জানান, বিজিবি এখনো হস্তান্তর করেনি। হস্তান্তর করলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মেহেরপুরের গাংনী সীমান্ত দিয়ে ঠেলে পাঠানো (পুশ ইন) নারী-পুরুষসহ ১৮ জনকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। আজ মঙ্গলবার সীমান্ত এলাকা থেকে তাঁদের আটক করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে গাংনীর কাজীপুর বিজিবি কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার হাবিবুর রহমান বলেন, মোট ১৮ জনকে তিনটি সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী কাঁটাতার পার করে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেয়। এ সময় বিজিবি সদস্যরা টহলরত অবস্থায় তাঁদের আটক করেন। আটক ব্যক্তিদের গাংনী থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
জানা যায়, আটক ব্যক্তিরা ঠাকুরগাঁও, নড়াইল, যশোর, খুলনা ও নারায়ণগঞ্জ জেলার বাসিন্দা। তাঁরা বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই লালমনিরহাট পাটগ্রাম সীমান্ত দিয়ে ভারতে গিয়ে শিলিগুড়ি হয়ে হরিয়ানা প্রদেশে গিয়েছিলেন। সেখানকার পুলিশ তাঁদের আটক করে শিলিগুড়ি কারাগারে রাখে। সাজার মেয়াদ শেষ হওয়ায় ভারতের বিএসএফ তাঁদের বাংলাদেশে পুশ ইন করে। বিজিবির সদস্যরা তাঁদের বিভিন্ন ক্যাম্পে আটক করেন। এর মধ্যে কাজীপুর ক্যাম্পে নয়জন, শেওড়াতলা ক্যাম্পে তিনজন এবং মথুরাপুর ক্যাম্পে ছয়জন।
তাঁরা হলেন নড়াইলের কালিয়া উপজেলার কাঞ্চনপুর গ্রামের মহাসিন শেখ (৩১), নড়াইল কাঠাদূর গ্রামের সাথী বেগম (২৬), খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার লাউহাটি গ্রামের লতা খাতুন (২৪), যশোর অভয়নগরের হিদিয়া গ্রামের তুহিন শেখ (২৬) ও হিদিয়া গ্রামের ময়না খাতুন (২২), ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গা রতনদিঘী গ্রামের ফাতেমা (৪০), রানীশংকৈল উপজেলার বলতচা গ্রামের সোহেল আহমেদ (৩২), নড়াইল কালিয়ার বরকত শেখ (২২), নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ গাউছিয়া গ্রামের তানিয়া খাতুন (২৯), ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উজিরমনি গ্রামের মো. ইকরামুল ইসলাম (৫৫), ঠাকুরগাঁও চচপাড়া গ্রামের মো. হাসিরুল ইসলাম (২৮), বালিয়াডাঙ্গী বারিসা গ্রামের মো. শাহ আলম (১৮), কাচকালি ভানুর গ্রামের মো. জাকির আলী (২৫), বানী সংকেন উপজেলার কাশিপুর গ্রামের মো. আ. কাদের (৩০), একই উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা ঘেরবাড়ী গ্রামের মো. উছিরুল ইসলামসহ (২৮) ১৮ জন।
জানতে চাইলে গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বানী ইসরাইল জানান, বিজিবি এখনো হস্তান্তর করেনি। হস্তান্তর করলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে