সিঙ্গাইর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি

আবহাওয়া বার্তা দিচ্ছে শীতের। মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরে শীত শুরুর সঙ্গে সঙ্গে পুরোনো কাপড়ের দোকানে বাড়ছে মধ্য ও নিম্ন আয়ের মানুষের চাপ। খোলা আকাশের নিচের এসব অস্থায়ী হাটে ২০ টাকা থেকে হাজার টাকা দরের কাপড় পাওয়া যায়। কম টাকায় সব বয়সের মানুষের কাপড় পাওয়া যায় বলে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এই পুরোনো কাপড়ের হাট।
জানা গেছে, মানিকগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী সিঙ্গাইর হাট বসে প্রতি সপ্তাহে বৃহস্পতি ও রোববার। এই হাটকে ঘিরে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সিঙ্গাইর পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে বসে নতুন ও পুরোনো শীতের কাপড়ের হাট। শীত শুরুর সঙ্গে সঙ্গে চাপ বাড়তে শুরু করেছে পুরোনো কাপড়ের দোকানে। খোলা আকাশের নিচের এই হাটের ক্রেতা মধ্য ও নিম্নআয়ের মানুষেরা। তাদের শীত নিবারণের একমাত্র ভরসা পুরোনো কাপড়ের দোকান।
২০ টাকা থেকে শুরু করে ১ হাজার টাকা দরের কাপড়ও পাওয়া যায় এই হাটে। এই হাটে পুরোনো কাপড়ের দোকানের পাশাপাশি অল্প দামের নতুন কাপড়ও পাওয়া যায়। তবে শীতকালীন পুরোনো গরম কাপড়ের দোকানে সাধারণ মানুষের চাপ বেশি থাকে।
স্থানীয় মিলন মাহমুদ বলেন, ঐতিহ্যবাহী সিঙ্গাইর হাটটি গরু, ছাগল ও বিভিন্ন ফসল কেনা-বেচার জন্য বিখ্যাত। তবে বর্তমানে খোলা আকাশের নিচের কম দামের নতুন ও পুরোনো কাপড়ের দোকান জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
মাকসুদা বেগম নামে এক নারী ক্রেতা বলেন, ‘এই হাটে কম টাকায় বাচ্চাদের কাপড় পাওয়া যায়। দুই বাচ্চার জন্য জামাকাপড় কিনলাম। এই জামাকাপড় মার্কেট থেকে কিনতে গেলে তিনগুণ বেশি টাকা দিতে হতো।’
খলিলুর রহমান নামে পুরোনো কাপড়ের দোকানদার বলেন, প্রতি হাটে ২০০ থেকে ২৫০ জন ব্যবসায়ী প্রায় ৩০ লাখ টাকার বেচা-কেনা করেন। এখানকার কাপড়ের দাম কম, তাই নিম্ন ও মধ্যআয়ের ক্রেতাদের ভিড় বেশি থাকে।
সিঙ্গাইর বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি হাজী শহিদুল ইসলাম জানান, সিঙ্গাইর হাটটি দীর্ঘদিনের পুরোনো। মাঠের কম দামের নতুন ও পুরোনো জামাকাপড়ের দোকানের কারণে নিম্ন আয়ের মানুষের খুব উপকার হয়।

আবহাওয়া বার্তা দিচ্ছে শীতের। মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরে শীত শুরুর সঙ্গে সঙ্গে পুরোনো কাপড়ের দোকানে বাড়ছে মধ্য ও নিম্ন আয়ের মানুষের চাপ। খোলা আকাশের নিচের এসব অস্থায়ী হাটে ২০ টাকা থেকে হাজার টাকা দরের কাপড় পাওয়া যায়। কম টাকায় সব বয়সের মানুষের কাপড় পাওয়া যায় বলে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এই পুরোনো কাপড়ের হাট।
জানা গেছে, মানিকগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী সিঙ্গাইর হাট বসে প্রতি সপ্তাহে বৃহস্পতি ও রোববার। এই হাটকে ঘিরে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সিঙ্গাইর পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে বসে নতুন ও পুরোনো শীতের কাপড়ের হাট। শীত শুরুর সঙ্গে সঙ্গে চাপ বাড়তে শুরু করেছে পুরোনো কাপড়ের দোকানে। খোলা আকাশের নিচের এই হাটের ক্রেতা মধ্য ও নিম্নআয়ের মানুষেরা। তাদের শীত নিবারণের একমাত্র ভরসা পুরোনো কাপড়ের দোকান।
২০ টাকা থেকে শুরু করে ১ হাজার টাকা দরের কাপড়ও পাওয়া যায় এই হাটে। এই হাটে পুরোনো কাপড়ের দোকানের পাশাপাশি অল্প দামের নতুন কাপড়ও পাওয়া যায়। তবে শীতকালীন পুরোনো গরম কাপড়ের দোকানে সাধারণ মানুষের চাপ বেশি থাকে।
স্থানীয় মিলন মাহমুদ বলেন, ঐতিহ্যবাহী সিঙ্গাইর হাটটি গরু, ছাগল ও বিভিন্ন ফসল কেনা-বেচার জন্য বিখ্যাত। তবে বর্তমানে খোলা আকাশের নিচের কম দামের নতুন ও পুরোনো কাপড়ের দোকান জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
মাকসুদা বেগম নামে এক নারী ক্রেতা বলেন, ‘এই হাটে কম টাকায় বাচ্চাদের কাপড় পাওয়া যায়। দুই বাচ্চার জন্য জামাকাপড় কিনলাম। এই জামাকাপড় মার্কেট থেকে কিনতে গেলে তিনগুণ বেশি টাকা দিতে হতো।’
খলিলুর রহমান নামে পুরোনো কাপড়ের দোকানদার বলেন, প্রতি হাটে ২০০ থেকে ২৫০ জন ব্যবসায়ী প্রায় ৩০ লাখ টাকার বেচা-কেনা করেন। এখানকার কাপড়ের দাম কম, তাই নিম্ন ও মধ্যআয়ের ক্রেতাদের ভিড় বেশি থাকে।
সিঙ্গাইর বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি হাজী শহিদুল ইসলাম জানান, সিঙ্গাইর হাটটি দীর্ঘদিনের পুরোনো। মাঠের কম দামের নতুন ও পুরোনো জামাকাপড়ের দোকানের কারণে নিম্ন আয়ের মানুষের খুব উপকার হয়।

কেন্দ্রীয় বিএনপির দলীয় প্যাডে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ইতিপূর্বে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কার্যকলাপের জন্য বকশীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ফখরুজ্জামান মতিনকে দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
৬ মিনিট আগে
রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে