মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরে স্ত্রীকে অ্যাসিড নিক্ষেপের দায়ে স্বামী সাহাজুদ্দিন মিয়াকে (৪৮) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।
আজ সোমবার দুপুরে মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক সাবিনা ইয়াসমিন আসামি সাহাজুদ্দিনের উপস্থিতিতে রায় ঘোষণা করেন।
সাহাজুদ্দিনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত আইনজীবী মথুরনাথ সরকার। তিনি অ্যাসিড নিক্ষেপের মামলায় সন্তুষ্ট হয়ে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘জরিমানার অর্থ ভুক্তভোগী ওই নারীকে দিতে বিচারক নির্দেশ দিয়েছেন।’
এদিকে আসামি পক্ষের আইনজীবী শ্রিপা রানী সরকার মামলায় অসন্তোষ জানিয়ে উচ্চ আদালতে আপিল করবেন বলে জানিয়েছেন।
সাহাজুদ্দিনের বাড়ি সিঙ্গাইর উপজেলার ধল্লা ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর এলাকায়।
এদিকে অ্যাসিড নিক্ষেপের ঘটনার পর সাহাজুদ্দিনের সঙ্গে তাঁর স্ত্রীর ছাড়াছাড়ি হয় বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী নারীর আইনজীবী।
এজাহার থেকে জানা গেছে, সাহাজুদ্দিনের তৎকালীন স্ত্রী (ভুক্তভোগী নারী) বিদেশে যেতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তিনি স্ত্রীকে বিদেশ যেতে দিতে রাজি ছিলেন না। এ নিয়ে তাঁদের মধ্যে ঝগড়া হতো। একপর্যায় ২০০৯ সালের ২৮ মে রাতে ক্ষিপ্ত হয়ে বাড়ির অদূরে ডেকে নিয়ে স্ত্রীর মুখে অ্যাসিড নিক্ষেপ করে পালিয়ে যান সাহাজুদ্দিন। এরপর তাঁর স্ত্রীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করেন স্থানীয়রা। অ্যাসিড নিক্ষেপে তাঁর স্ত্রীর ডান চোখ নষ্ট এবং কান ও মুখের বিভিন্ন জায়গা ঝলসে যায়।
ওই ঘটনার পরদিন ভুক্তভোগী নারীর পরিবার ২৯ মে সাহাজুদ্দিন মিয়া, কাদের মিয়া, মজনু মিয়া ও হাবুন বেগমকে আসামি করে সিঙ্গাইর থানায় অ্যাসিড নিক্ষেপের মামলার করেন। মামলার পর পুলিশ তাঁদেরকে গ্রেপ্তার করে আদালতের পাঠালে তাঁরা জামিনে বের হন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
এজাহার থেকে আরও জানা গেছে, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা (উপপরিদর্শক) আলী হায়দার ২০০৯ সালের ৩ জুলাই সাহাজুদ্দিন ও মজনুকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলায় ১০ জনের সাক্ষ্য নেওয়া শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সাহাজুদ্দিনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত। একই সঙ্গে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় অপর আসামি মজনুকে খালাস দেওয়া হয়।

মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরে স্ত্রীকে অ্যাসিড নিক্ষেপের দায়ে স্বামী সাহাজুদ্দিন মিয়াকে (৪৮) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।
আজ সোমবার দুপুরে মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক সাবিনা ইয়াসমিন আসামি সাহাজুদ্দিনের উপস্থিতিতে রায় ঘোষণা করেন।
সাহাজুদ্দিনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত আইনজীবী মথুরনাথ সরকার। তিনি অ্যাসিড নিক্ষেপের মামলায় সন্তুষ্ট হয়ে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘জরিমানার অর্থ ভুক্তভোগী ওই নারীকে দিতে বিচারক নির্দেশ দিয়েছেন।’
এদিকে আসামি পক্ষের আইনজীবী শ্রিপা রানী সরকার মামলায় অসন্তোষ জানিয়ে উচ্চ আদালতে আপিল করবেন বলে জানিয়েছেন।
সাহাজুদ্দিনের বাড়ি সিঙ্গাইর উপজেলার ধল্লা ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর এলাকায়।
এদিকে অ্যাসিড নিক্ষেপের ঘটনার পর সাহাজুদ্দিনের সঙ্গে তাঁর স্ত্রীর ছাড়াছাড়ি হয় বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী নারীর আইনজীবী।
এজাহার থেকে জানা গেছে, সাহাজুদ্দিনের তৎকালীন স্ত্রী (ভুক্তভোগী নারী) বিদেশে যেতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তিনি স্ত্রীকে বিদেশ যেতে দিতে রাজি ছিলেন না। এ নিয়ে তাঁদের মধ্যে ঝগড়া হতো। একপর্যায় ২০০৯ সালের ২৮ মে রাতে ক্ষিপ্ত হয়ে বাড়ির অদূরে ডেকে নিয়ে স্ত্রীর মুখে অ্যাসিড নিক্ষেপ করে পালিয়ে যান সাহাজুদ্দিন। এরপর তাঁর স্ত্রীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করেন স্থানীয়রা। অ্যাসিড নিক্ষেপে তাঁর স্ত্রীর ডান চোখ নষ্ট এবং কান ও মুখের বিভিন্ন জায়গা ঝলসে যায়।
ওই ঘটনার পরদিন ভুক্তভোগী নারীর পরিবার ২৯ মে সাহাজুদ্দিন মিয়া, কাদের মিয়া, মজনু মিয়া ও হাবুন বেগমকে আসামি করে সিঙ্গাইর থানায় অ্যাসিড নিক্ষেপের মামলার করেন। মামলার পর পুলিশ তাঁদেরকে গ্রেপ্তার করে আদালতের পাঠালে তাঁরা জামিনে বের হন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
এজাহার থেকে আরও জানা গেছে, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা (উপপরিদর্শক) আলী হায়দার ২০০৯ সালের ৩ জুলাই সাহাজুদ্দিন ও মজনুকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলায় ১০ জনের সাক্ষ্য নেওয়া শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সাহাজুদ্দিনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত। একই সঙ্গে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় অপর আসামি মজনুকে খালাস দেওয়া হয়।

পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
১১ মিনিট আগে
ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে প্রতিবছর সুন্দরবনে অনেক বন্য প্রাণী মারা যায়। এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগে বন্য প্রাণীদের নিরাপদে রাখতে বানানো হয়েছে সাতটি টাইগার টিলা (উঁচু কিল্লা)। বাঘ সংরক্ষণ প্রকল্পের আওতায় এসব বানানো হয়েছে। এ ছাড়া টিলার পাশে বন্য প্রাণীদের সুপেয় পানি সরবরাহে খনন করা হয়েছে মিষ্টি পানির পুকুর।
১৫ মিনিট আগে
দীর্ঘ ২৮ বছরের অচলাবস্থা কাটিয়ে ২০ জানুয়ারিতে হতে যাওয়া শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন নিয়ে যেন শঙ্কা কাটছে না। নির্বাচনে দুবার তফসিল ঘোষণা, নির্বাচন কমিশন কর্তৃক স্থগিত করা শেষে এখন ভোট গ্রহণ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
১৭ মিনিট আগে
সেন্ট মার্টিনের পরিবেশ-প্রতিবেশ রক্ষায় গত বছর থেকে সরকার পর্যটক নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নেয়। পর্যটক সীমিত করার পাশাপাশি দ্বীপে নিষিদ্ধ পলিথিন ও একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক পণ্য বহন রোধ করাসহ ভ্রমণে ১২টি নির্দেশনা বা শর্ত আরোপ করে।
২০ মিনিট আগে