শিবালয় (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি

আঙুলে মেহেদী পরার কারণে ভোট দিতে ব্যর্থ হয়েছেন শেলিনা আক্তার নামে এক নারী ভোটার। ইভিএমএ মেশিনে আঙুলের ছাপ না ওঠায় এ নারীর ভোট নেওয়া সম্ভব হয়নি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা শেখ মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান।
আজ সোমবার মানিকগঞ্জ জেলা পরিষদের নির্বাচনে শিবালয় উপজেলার একমাত্র ভোট কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। নারী ভোটার শেলিনা আক্তার শিবালয় মডেল ইউনিয়ন পরিষদের ৪,৫, ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী সদস্য।
জানা গেছে, জেলা পরিষদের নির্বাচনে পছন্দের প্রার্থীদের ভোট দেওয়ার জন্য সকাল সাড়ে ১১টার দিকে কেন্দ্রে আসেন শেলিনা। এ সময় তাঁর ডান হাতের আঙুলের ছাপ নিলেও বাম হাতের আঙুলের ছাপ মেশিনে নেয়নি। ভোট গ্রহণে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা কয়েক দফা চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। পরে মানিকগঞ্জ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা হাবিবুর পুনরায় চেষ্টা করলেও ইভিএম মেশিন তাঁর আঙুলের ছাপ নিতে পারেননি।
শেলিনা আক্তার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমার এক হাতে আঙুলের ছাপ মেশিনে নিলেও অন্য হাতের আঙুলে মেহেদী থাকার কারণে ছাপ নেয়নি। আমি মেম্বার এটা সবাই জানে। আমার ভোটার আইডি কার্ড আছে। ইভিএম মেশিনের কারণে ভোট দিতে পারলাম না।’ এরপর ক্ষোভ প্রকাশ করে ভোট কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে যান তিনি।
মানিকগঞ্জ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা শেখ মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান বলেন, ‘হাতের আঙুলের ছাপ মেশিনে না নিলে কোনো ভাবেই ভোট নেওয়া সম্ভব না। ওই নারী ভোটার তাঁর আঙুলে মেহেদীর কেমিক্যাল রং ব্যবহার করেছেন। যে কারণে তাঁর আঙুলের ছাপ মেশিনে নেয়নি। আঙুলের ছাপ না নেওয়ায় তাঁর ভোট প্রদানের বিকল্প কোনো ব্যবস্থা নেই।’
উল্লেখ্য, সারা দেশের ন্যায় জেলা পরিষদ নির্বাচনে মানিকগঞ্জে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ নির্বাচনে শিবালয় উপজেলায় দুজন পুরুষ সদস্য, চারজন সংরক্ষিত নারী সদস্যা এবং চেয়ারম্যান পদে দুজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এ উপজেলায় মোট ভোটের সংখ্যা ৯৪ জন থাকলেও উলাইল ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য আজাহারুল ইসলাম লালনের মৃত্যুতে একটি ভোট কমে যায়।

আঙুলে মেহেদী পরার কারণে ভোট দিতে ব্যর্থ হয়েছেন শেলিনা আক্তার নামে এক নারী ভোটার। ইভিএমএ মেশিনে আঙুলের ছাপ না ওঠায় এ নারীর ভোট নেওয়া সম্ভব হয়নি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা শেখ মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান।
আজ সোমবার মানিকগঞ্জ জেলা পরিষদের নির্বাচনে শিবালয় উপজেলার একমাত্র ভোট কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। নারী ভোটার শেলিনা আক্তার শিবালয় মডেল ইউনিয়ন পরিষদের ৪,৫, ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী সদস্য।
জানা গেছে, জেলা পরিষদের নির্বাচনে পছন্দের প্রার্থীদের ভোট দেওয়ার জন্য সকাল সাড়ে ১১টার দিকে কেন্দ্রে আসেন শেলিনা। এ সময় তাঁর ডান হাতের আঙুলের ছাপ নিলেও বাম হাতের আঙুলের ছাপ মেশিনে নেয়নি। ভোট গ্রহণে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা কয়েক দফা চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। পরে মানিকগঞ্জ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা হাবিবুর পুনরায় চেষ্টা করলেও ইভিএম মেশিন তাঁর আঙুলের ছাপ নিতে পারেননি।
শেলিনা আক্তার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমার এক হাতে আঙুলের ছাপ মেশিনে নিলেও অন্য হাতের আঙুলে মেহেদী থাকার কারণে ছাপ নেয়নি। আমি মেম্বার এটা সবাই জানে। আমার ভোটার আইডি কার্ড আছে। ইভিএম মেশিনের কারণে ভোট দিতে পারলাম না।’ এরপর ক্ষোভ প্রকাশ করে ভোট কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে যান তিনি।
মানিকগঞ্জ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা শেখ মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান বলেন, ‘হাতের আঙুলের ছাপ মেশিনে না নিলে কোনো ভাবেই ভোট নেওয়া সম্ভব না। ওই নারী ভোটার তাঁর আঙুলে মেহেদীর কেমিক্যাল রং ব্যবহার করেছেন। যে কারণে তাঁর আঙুলের ছাপ মেশিনে নেয়নি। আঙুলের ছাপ না নেওয়ায় তাঁর ভোট প্রদানের বিকল্প কোনো ব্যবস্থা নেই।’
উল্লেখ্য, সারা দেশের ন্যায় জেলা পরিষদ নির্বাচনে মানিকগঞ্জে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ নির্বাচনে শিবালয় উপজেলায় দুজন পুরুষ সদস্য, চারজন সংরক্ষিত নারী সদস্যা এবং চেয়ারম্যান পদে দুজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এ উপজেলায় মোট ভোটের সংখ্যা ৯৪ জন থাকলেও উলাইল ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য আজাহারুল ইসলাম লালনের মৃত্যুতে একটি ভোট কমে যায়।

কেন্দ্রীয় বিএনপির দলীয় প্যাডে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ইতিপূর্বে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কার্যকলাপের জন্য বকশীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ফখরুজ্জামান মতিনকে দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
২ মিনিট আগে
রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে