মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আবদুল লতিফের অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা। আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে শহীদ রফিক সড়কে মানিকগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে সদর থানা আওয়ামী লীগের ব্যানারে এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।
উপজেলা সদর আওয়ামী লীগের সভাপতি ইসরাফিল হোসেনের সভাপতিত্বে আয়োজিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, মহিলা যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কয়েক হাজার নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। আয়োজিত মানববন্ধন থেকে জেলা প্রশাসকের অপসারণ করা না হলে পরবর্তীতে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন নেতা-কর্মীরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার জাগির ইউনিয়নের মেঘশিমুল এলাকায় প্রস্তাবিত রাষ্ট্রমালিকানাধীন ওষুধ কোম্পানি এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড (ইডিসিএল) প্রকল্পে ৩১ দশমিক ৫ একর জমি অধিগ্রহণ প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে। ঢাকার তেজগাঁওয়ে অবস্থিত ইডিসিএলের পুরোনো প্ল্যান্ট মানিকগঞ্জে সরিয়ে নিতে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে এই প্রকল্পের উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে প্রস্তাবিত জমির শ্রেণি নালা হলেও সম্প্রতি বালু ভরাট করে ভিটি শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
জেলার অন্য কোনো মৌজার দর পরিবর্তন না করলেও শুধু মেঘশিমুল মৌজার ভিটি শ্রেণির সরকারি মূল্য প্রতি শতকে ২৫ হাজার টাকার পরিবর্তে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। যা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রতীয়মান হয়। কারণ, আশপাশে মৌজার সমশ্রেণির জমির মৌজার দর অনেক কম। প্রস্তাবিত এই দরে জমি অধিগ্রহণ করলে সরকারের প্রায় ১০০ কোটি টাকা ক্ষতির আশঙ্কায় জেলা প্রশাসন ওই জমি অধিগ্রহণ নিয়ে আপত্তি জানায়।
এ নিয়ে গত মঙ্গলবার (২৩ মে) একটি জাতীয় দৈনিকে ‘মন্ত্রীর পরিবারের পকেটে ঢুকবে শতকোটি টাকা’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত। পত্রিকাটির ওই প্রতিবেদনে আরও লেখা হয়, প্রকল্প প্রস্তাব চূড়ান্ত হওয়ার পর প্রথমে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক প্রস্তাবিত প্রকল্প এলাকার জমি পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়স্বজনের নামে কেনার ব্যবস্থা করেন।
এ কাজে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও দলীয় ক্যাডারদের ব্যবহার করা হয়। দাম বাড়াতে নাল শ্রেণির জমি মাটি ভরাট করে উঁচু করা হয়। আর সরকারের বাড়তি এই টাকা মন্ত্রীর আত্মীয়-স্বজনদের পকেটে ঢুকবে। তবে সরকারি অর্থ লোপাটের আশঙ্কায় ওই জমি অধিগ্রহণের বিষয়ে জেলা প্রশাসন আপত্তি জানিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে পত্র পাঠালে জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া থেমে যায়। এ নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের অনুসারী আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ইসরাফিল হোসেনের সভাপতিত্বে জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি ও পৌর মেয়র মো. রমজান আলী, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক সুলতানুল আজম খান আপেল, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সুদেব কুমার সাহা, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আফসার উদ্দিন সরকার, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আরশেদ আলী, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম, জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক আবদুর রাজ্জাক, যুগ্ম আহ্বায়ক মাহবুবুর রহমান, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সিফাত কোরাইশী সুমন, সাধারণ সম্পাদক রাজিদুল ইসলাম প্রমুখ।
মানববন্ধনে আওয়ামী লীগ নেতা সুলতানুল আজম খান আপেল বলেন, জেলার আধুনিক উন্নয়নের রূপকার হচ্ছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। হাজার হাজার কোটি টাকার দৃশ্যমান উন্নয়নকাজ করেছেন তিনি। ইডিসিএল প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে জেলার অনেক বেকার যুবকের কর্মসংস্থান হবে। তবে এই উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করতে জেলা প্রশাসক জমি অধিগ্রহণে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন।
সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ইসরাফিল হোসেন বলেন, উন্নয়নকাজ বাধাগ্রস্ত করার লক্ষে একটি মহল চক্রান্ত করছেন। সরকারের এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে মানিকগঞ্জসহ আশপাশ এলাকার প্রায় পাঁচ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, বেকারত্ব দূর হবে।
জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সিফাত কোরাইশী সুমন বলেন, জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আবদুল লতিফ মানিকগঞ্জের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করতে পত্রিকায় মিথ্যা তথ্য সরবরাহ করে জাহিদ মালেক ও তার পরিবারকে সুনাম নষ্ট করছে। জেলা প্রশাসক স্বেচ্ছায় মানিকগঞ্জ থেকে অন্যত্র বদলি না হলে ভবিষ্যতে কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে তাকে অপসারণ করা হবে।
এ ব্যাপারে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আবদুল লতিফ কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আবদুল লতিফের অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা। আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে শহীদ রফিক সড়কে মানিকগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে সদর থানা আওয়ামী লীগের ব্যানারে এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।
উপজেলা সদর আওয়ামী লীগের সভাপতি ইসরাফিল হোসেনের সভাপতিত্বে আয়োজিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, মহিলা যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কয়েক হাজার নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। আয়োজিত মানববন্ধন থেকে জেলা প্রশাসকের অপসারণ করা না হলে পরবর্তীতে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন নেতা-কর্মীরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার জাগির ইউনিয়নের মেঘশিমুল এলাকায় প্রস্তাবিত রাষ্ট্রমালিকানাধীন ওষুধ কোম্পানি এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড (ইডিসিএল) প্রকল্পে ৩১ দশমিক ৫ একর জমি অধিগ্রহণ প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে। ঢাকার তেজগাঁওয়ে অবস্থিত ইডিসিএলের পুরোনো প্ল্যান্ট মানিকগঞ্জে সরিয়ে নিতে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে এই প্রকল্পের উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে প্রস্তাবিত জমির শ্রেণি নালা হলেও সম্প্রতি বালু ভরাট করে ভিটি শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
জেলার অন্য কোনো মৌজার দর পরিবর্তন না করলেও শুধু মেঘশিমুল মৌজার ভিটি শ্রেণির সরকারি মূল্য প্রতি শতকে ২৫ হাজার টাকার পরিবর্তে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। যা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রতীয়মান হয়। কারণ, আশপাশে মৌজার সমশ্রেণির জমির মৌজার দর অনেক কম। প্রস্তাবিত এই দরে জমি অধিগ্রহণ করলে সরকারের প্রায় ১০০ কোটি টাকা ক্ষতির আশঙ্কায় জেলা প্রশাসন ওই জমি অধিগ্রহণ নিয়ে আপত্তি জানায়।
এ নিয়ে গত মঙ্গলবার (২৩ মে) একটি জাতীয় দৈনিকে ‘মন্ত্রীর পরিবারের পকেটে ঢুকবে শতকোটি টাকা’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত। পত্রিকাটির ওই প্রতিবেদনে আরও লেখা হয়, প্রকল্প প্রস্তাব চূড়ান্ত হওয়ার পর প্রথমে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক প্রস্তাবিত প্রকল্প এলাকার জমি পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়স্বজনের নামে কেনার ব্যবস্থা করেন।
এ কাজে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও দলীয় ক্যাডারদের ব্যবহার করা হয়। দাম বাড়াতে নাল শ্রেণির জমি মাটি ভরাট করে উঁচু করা হয়। আর সরকারের বাড়তি এই টাকা মন্ত্রীর আত্মীয়-স্বজনদের পকেটে ঢুকবে। তবে সরকারি অর্থ লোপাটের আশঙ্কায় ওই জমি অধিগ্রহণের বিষয়ে জেলা প্রশাসন আপত্তি জানিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে পত্র পাঠালে জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া থেমে যায়। এ নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের অনুসারী আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ইসরাফিল হোসেনের সভাপতিত্বে জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি ও পৌর মেয়র মো. রমজান আলী, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক সুলতানুল আজম খান আপেল, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সুদেব কুমার সাহা, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আফসার উদ্দিন সরকার, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আরশেদ আলী, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম, জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক আবদুর রাজ্জাক, যুগ্ম আহ্বায়ক মাহবুবুর রহমান, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সিফাত কোরাইশী সুমন, সাধারণ সম্পাদক রাজিদুল ইসলাম প্রমুখ।
মানববন্ধনে আওয়ামী লীগ নেতা সুলতানুল আজম খান আপেল বলেন, জেলার আধুনিক উন্নয়নের রূপকার হচ্ছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। হাজার হাজার কোটি টাকার দৃশ্যমান উন্নয়নকাজ করেছেন তিনি। ইডিসিএল প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে জেলার অনেক বেকার যুবকের কর্মসংস্থান হবে। তবে এই উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করতে জেলা প্রশাসক জমি অধিগ্রহণে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন।
সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ইসরাফিল হোসেন বলেন, উন্নয়নকাজ বাধাগ্রস্ত করার লক্ষে একটি মহল চক্রান্ত করছেন। সরকারের এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে মানিকগঞ্জসহ আশপাশ এলাকার প্রায় পাঁচ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, বেকারত্ব দূর হবে।
জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সিফাত কোরাইশী সুমন বলেন, জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আবদুল লতিফ মানিকগঞ্জের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করতে পত্রিকায় মিথ্যা তথ্য সরবরাহ করে জাহিদ মালেক ও তার পরিবারকে সুনাম নষ্ট করছে। জেলা প্রশাসক স্বেচ্ছায় মানিকগঞ্জ থেকে অন্যত্র বদলি না হলে ভবিষ্যতে কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে তাকে অপসারণ করা হবে।
এ ব্যাপারে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আবদুল লতিফ কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে