ঘিওর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি

ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের মানিকগঞ্জ অংশে বিভিন্ন রুটের অতিরিক্ত যানবাহন চলাচল করছে। কোথাও বড় ধরনের যানজটের সৃষ্টি না হলেও যানবাহন চলাচলে ধীরগতি দেখা দিয়েছে। গরুবোঝাই ট্রাক, তিন চাকার ছোট যানবাহন ও মহাসড়কের কয়েক স্থানে যাত্রীবাহী বাস অকেজো হওয়ায় কিছুটা যানজটের সৃষ্টি হয় বলে জানা গেছে। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতায় অল্প সময়ের মধ্যেই তা নিরসন হয়েছে।
আজ শুক্রবার (৬ জুন) সকাল থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত মহাসড়কে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
পুলিশ, যাত্রী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আজ শুক্রবার বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে যাত্রীর ভিড় বাড়তে থাকে। মহাসড়কের বিভিন্ন জায়গায় সড়কের ওপর গাড়ি দাঁড়িয়ে যাত্রী তোলায় যানবাহনের গতি কমতে শুরু করে। ফলে হালকা যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।
অনেকে ঝুঁকি নিয়ে গন্তব্যের উদ্দেশে যাত্রা করেছে। কেউ কেউ খোলা ট্রাক, পিকআপ ভাড়া নিয়ে রওনা হয়েছেন। এভাবে অনেক নারী ও শিশুকেও যাত্রা করতে দেখা গেছে। এমন একটি পিকআপের যাত্রী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘দেশের বাড়ি মাগুরায় যেতে হবে। সকালে কাউন্টারে গিয়ে টিকিট পাইনি। নারী ও শিশুদের নিয়ে ভিড়ে বাসে ওঠা ও যাওয়া কষ্টকর। তাই বাধ্য হয়ে আমরা তিনটি পরিবারের ১৬ জন পাটুরিয়া পর্যন্ত পিকআপ ভাড়া করে যাচ্ছি।’
বাসচালক আসলাম বলেন, আজ সকাল ৭টায় গাবতলী থেকে রওনা হয়ে পাটুরিয়ায় আসতে সময় লেগেছে তিন ঘণ্টা। মহাসড়কের সাভার, নবীনগর, নয়াডিঙ্গী, মানিকগঞ্জ, বানিয়াজুরী ও বরংগাইল স্টেশনে কিছুটা জ্যাম ছিল।
ঘিওর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, আজ ভোর থেকেই অনেক গাড়ির সারি ছিল, কিন্তু যানজট ছিল না। গাড়িগুলো ধীরগতিতে চলছে। সেনাবাহিনী-পুলিশ যৌথভাবে যানজট নিরসনে কাজ করছে। বিকেলের দিকে পরিস্থিতির উন্নতি হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা রাস্তা সচল ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছেন।

ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের মানিকগঞ্জ অংশে বিভিন্ন রুটের অতিরিক্ত যানবাহন চলাচল করছে। কোথাও বড় ধরনের যানজটের সৃষ্টি না হলেও যানবাহন চলাচলে ধীরগতি দেখা দিয়েছে। গরুবোঝাই ট্রাক, তিন চাকার ছোট যানবাহন ও মহাসড়কের কয়েক স্থানে যাত্রীবাহী বাস অকেজো হওয়ায় কিছুটা যানজটের সৃষ্টি হয় বলে জানা গেছে। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতায় অল্প সময়ের মধ্যেই তা নিরসন হয়েছে।
আজ শুক্রবার (৬ জুন) সকাল থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত মহাসড়কে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
পুলিশ, যাত্রী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আজ শুক্রবার বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে যাত্রীর ভিড় বাড়তে থাকে। মহাসড়কের বিভিন্ন জায়গায় সড়কের ওপর গাড়ি দাঁড়িয়ে যাত্রী তোলায় যানবাহনের গতি কমতে শুরু করে। ফলে হালকা যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।
অনেকে ঝুঁকি নিয়ে গন্তব্যের উদ্দেশে যাত্রা করেছে। কেউ কেউ খোলা ট্রাক, পিকআপ ভাড়া নিয়ে রওনা হয়েছেন। এভাবে অনেক নারী ও শিশুকেও যাত্রা করতে দেখা গেছে। এমন একটি পিকআপের যাত্রী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘দেশের বাড়ি মাগুরায় যেতে হবে। সকালে কাউন্টারে গিয়ে টিকিট পাইনি। নারী ও শিশুদের নিয়ে ভিড়ে বাসে ওঠা ও যাওয়া কষ্টকর। তাই বাধ্য হয়ে আমরা তিনটি পরিবারের ১৬ জন পাটুরিয়া পর্যন্ত পিকআপ ভাড়া করে যাচ্ছি।’
বাসচালক আসলাম বলেন, আজ সকাল ৭টায় গাবতলী থেকে রওনা হয়ে পাটুরিয়ায় আসতে সময় লেগেছে তিন ঘণ্টা। মহাসড়কের সাভার, নবীনগর, নয়াডিঙ্গী, মানিকগঞ্জ, বানিয়াজুরী ও বরংগাইল স্টেশনে কিছুটা জ্যাম ছিল।
ঘিওর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, আজ ভোর থেকেই অনেক গাড়ির সারি ছিল, কিন্তু যানজট ছিল না। গাড়িগুলো ধীরগতিতে চলছে। সেনাবাহিনী-পুলিশ যৌথভাবে যানজট নিরসনে কাজ করছে। বিকেলের দিকে পরিস্থিতির উন্নতি হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা রাস্তা সচল ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছেন।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে