হরিরামপুর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি

মানিকগঞ্জে বিয়ের অনুষ্ঠানে মদ্যপানে অসুস্থ হয়ে মামা-ভাগনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শনিবার রাতে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁদের মৃত্যু হয়। সদর উপজেলার হাটিপাড়া ইউনিয়নের জগন্নাথপুর গ্রামের শুশীল বৈরাগীর বাড়িতে ওই বিয়ের অনুষ্ঠান ছিল।
মৃত দুজন হলেন গাজীপুরের ভাওয়াল কলেজ এলাকার সতীশ সরকারের ছেলে দীপু সরকার (২৯) এবং মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার দাসকান্দি বয়ড়া গ্রামের মৃত প্রকাশ সরকারের ছেলে প্রসেনজিৎ সরকার (২১)। দীপুর বড় বোনের ছেলে প্রসেনজিৎ।
দীপুর মামাতো ভাই সঞ্জয় বৈরাগী বলেন, ‘বোনের বিয়ে উপলক্ষে রাতে ৮-১০ জন মিলে তরল কিছু খেলে ছয়-সাতজন অসুস্থ হয়ে পড়ি। বেশি অসুস্থ হয়ে গেলে গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় প্রসেনজিৎকে হরিরামপুর উপজেলা হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থা গুরুতর হলে মানিকগঞ্জ কর্নেল মালেক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়। আর দীপুকে মুন্নু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।’
তবে এ বিষয়ে তাঁদের পরিবারের আর কারও বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। এমনকি স্থানীয় হাটিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান গোলাম মনির হোসেনকে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।
হরিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার রাশেদা নাজনীন বলেন, প্রসেনজিৎকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হলে তাঁর পালস পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে তাঁকে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। দেশীয় মদপানে মৃত্যু কিনা জানতে চাইলে বলেন, ‘সে সম্পর্কে বলতে পারছি না।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিল হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, প্রসেনজিতের লাশের সুরতহাল করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া হরিরামপুর থানা দেখবে।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে হরিরামপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মুজিবুর রহমান বলেন, মানিকগঞ্জ সদর থানা এলাকায় মদ্যপানে দুজন মারা গেছে। এর মধ্যে একজন হরিরামপুরের, আরেকজন গাজীপুরের। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

মানিকগঞ্জে বিয়ের অনুষ্ঠানে মদ্যপানে অসুস্থ হয়ে মামা-ভাগনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শনিবার রাতে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁদের মৃত্যু হয়। সদর উপজেলার হাটিপাড়া ইউনিয়নের জগন্নাথপুর গ্রামের শুশীল বৈরাগীর বাড়িতে ওই বিয়ের অনুষ্ঠান ছিল।
মৃত দুজন হলেন গাজীপুরের ভাওয়াল কলেজ এলাকার সতীশ সরকারের ছেলে দীপু সরকার (২৯) এবং মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার দাসকান্দি বয়ড়া গ্রামের মৃত প্রকাশ সরকারের ছেলে প্রসেনজিৎ সরকার (২১)। দীপুর বড় বোনের ছেলে প্রসেনজিৎ।
দীপুর মামাতো ভাই সঞ্জয় বৈরাগী বলেন, ‘বোনের বিয়ে উপলক্ষে রাতে ৮-১০ জন মিলে তরল কিছু খেলে ছয়-সাতজন অসুস্থ হয়ে পড়ি। বেশি অসুস্থ হয়ে গেলে গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় প্রসেনজিৎকে হরিরামপুর উপজেলা হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থা গুরুতর হলে মানিকগঞ্জ কর্নেল মালেক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়। আর দীপুকে মুন্নু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।’
তবে এ বিষয়ে তাঁদের পরিবারের আর কারও বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। এমনকি স্থানীয় হাটিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান গোলাম মনির হোসেনকে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।
হরিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার রাশেদা নাজনীন বলেন, প্রসেনজিৎকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হলে তাঁর পালস পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে তাঁকে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। দেশীয় মদপানে মৃত্যু কিনা জানতে চাইলে বলেন, ‘সে সম্পর্কে বলতে পারছি না।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিল হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, প্রসেনজিতের লাশের সুরতহাল করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া হরিরামপুর থানা দেখবে।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে হরিরামপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মুজিবুর রহমান বলেন, মানিকগঞ্জ সদর থানা এলাকায় মদ্যপানে দুজন মারা গেছে। এর মধ্যে একজন হরিরামপুরের, আরেকজন গাজীপুরের। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে