দৌলতপুর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি

দৌলতপুর উপজেলার চরকাটারী ইউনিয়নের ৩৩ নম্বর চরকাটারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি যমুনা নদীর ভাঙনের শিকার হতে যাচ্ছে। যে কোনো সময় বিদ্যালয়টি নদীগর্ভে চলে যেতে পারে। ইতিমধ্যে এ বিদ্যালয়ের শৌচাগারটি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এ নিয়ে আতঙ্কে রয়েছে বিদ্যালয়টির শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় অভিভাবকেরা।
আজ রোববার সরেজমিনে দেখা যায়, একটি মাত্র টিনের ঘর। সেখানেই চলছে বিদ্যালয়ের কার্যক্রম। বিদ্যালয়ের পেছনে মাত্র ১০ ফুট দূরে যমুনা নদী। নদীতে পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়েছে ভাঙন। বিদ্যালয়টি এখনই স্থানান্তর না করলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ স্থানীয়দের।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুস সাত্তার বলেন, ‘আমার স্কুলে মোট ৩০০ ছাত্র-ছাত্রী ও ৭ জন শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন। নদী অতি নিকটে চলে আসায় শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কার মধ্যে আছি। এর আগেও বিদ্যালয়টি তিন-চার বার স্থানান্তর করা হয়েছে। স্থানীয়ভাবে কোনো সমাধান না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় বিঘ্ন ঘটছে।’ সেই সঙ্গে শিশুদের শিক্ষার কথা চিন্তা করে একটি নিরাপদ জায়গায় স্থায়ী একটা ভবন নির্মাণ করার দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, ‘আমি ইতিমধ্যে চরকাটারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করেছি। জেলা শিক্ষা অফিস ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে যত দ্রুত সম্ভব বিদ্যালয়টি স্থানান্তরের ব্যবস্থা করা হবে।’

দৌলতপুর উপজেলার চরকাটারী ইউনিয়নের ৩৩ নম্বর চরকাটারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি যমুনা নদীর ভাঙনের শিকার হতে যাচ্ছে। যে কোনো সময় বিদ্যালয়টি নদীগর্ভে চলে যেতে পারে। ইতিমধ্যে এ বিদ্যালয়ের শৌচাগারটি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এ নিয়ে আতঙ্কে রয়েছে বিদ্যালয়টির শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় অভিভাবকেরা।
আজ রোববার সরেজমিনে দেখা যায়, একটি মাত্র টিনের ঘর। সেখানেই চলছে বিদ্যালয়ের কার্যক্রম। বিদ্যালয়ের পেছনে মাত্র ১০ ফুট দূরে যমুনা নদী। নদীতে পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়েছে ভাঙন। বিদ্যালয়টি এখনই স্থানান্তর না করলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ স্থানীয়দের।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুস সাত্তার বলেন, ‘আমার স্কুলে মোট ৩০০ ছাত্র-ছাত্রী ও ৭ জন শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন। নদী অতি নিকটে চলে আসায় শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কার মধ্যে আছি। এর আগেও বিদ্যালয়টি তিন-চার বার স্থানান্তর করা হয়েছে। স্থানীয়ভাবে কোনো সমাধান না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় বিঘ্ন ঘটছে।’ সেই সঙ্গে শিশুদের শিক্ষার কথা চিন্তা করে একটি নিরাপদ জায়গায় স্থায়ী একটা ভবন নির্মাণ করার দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, ‘আমি ইতিমধ্যে চরকাটারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করেছি। জেলা শিক্ষা অফিস ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে যত দ্রুত সম্ভব বিদ্যালয়টি স্থানান্তরের ব্যবস্থা করা হবে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৩ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে