ঘিওর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি

বৈরী আবহাওয়ার কারণে নদী উত্তাল থাকায় দুর্ঘটনা এড়াতে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে গতকাল শনিবার ভোর থেকে লঞ্চ চলাচল বন্ধ রয়েছে। ফেরিগুলোও চলাচল করছে বেশ সতর্কতার সঙ্গে। আজ রোববার সন্ধ্যা ৭টা থেকে (এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত) বন্ধ রয়েছে লঞ্চ, স্পিডবোট, ইঞ্জিনচালিত নৌকাসহ সব ধরনের নৌযান।
এদিকে আজ সকাল থেকেই ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অনেকটাই ফাঁকা দেখা গেছে। মাঝেমধ্যে দু–একটি যান চলাচল করলেও যাত্রী ছিল অনেক কম। বৈরী আবহাওয়ার কারণে লঞ্চ, স্পিডবোট বন্ধ থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছে যাত্রীরা।
এর আগে ১৪ সেপ্টেম্বর শনিবার ভোর সোয়া ৪টা থেকে আরিচা-কাজিরহাট ও পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে দুর্ঘটনা এড়াতে ফেরি, লঞ্চ চলাচল বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। পরে ওই দিন সকাল ৮টা থেকে ফেরি চলাচল শুরু হয়।
লঞ্চ বন্ধ থাকায় পাটুরিয়া ঘাটের পন্টুনে বসে লঞ্চচালক, সারেং ও স্টাফরা অলস সময় পার করছেন। এ ছাড়া যাত্রীর অভাবে পন্টুনে বাঁধা পাঁচটি লঞ্চ অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। পদ্মা নদীর পাড় ঘেঁষে বেঁধে রাখা হয়েছে আরও কয়েকটি লঞ্চ।
এক লঞ্চের সারেং রিপন মিয়া বলেন, ‘বৃষ্টি আর বাতাসের তোড়ে পন্টুনের সঙ্গে লঞ্চের আঘাত লাগে। তাই অনেকে নদীর পার ঘেঁষে লঞ্চ বেঁধে রেখেছেন। এই পরিস্থিতিতে কোথাও যেতে পারছি না। পন্টুনে বসে অলস সময় কাটাচ্ছি।’
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) আরিচা শাখার ব্যবস্থাপক মো. মামুনুর রশীদ বলেন, বৈরী আবহাওয়ার কারণে নদী উত্তাল। প্রচণ্ড ঢেউয়ের সৃষ্টি হচ্ছে। তাই দুর্ঘটনা এড়াতে ১৪ সেপ্টেম্বর ভোর সোয়া ৪টা থেকে এই নৌপথে লঞ্চ, স্পিডবোট চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।
তিনি আরও বলেন, পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত আরিচা-কাজিরহাট ও পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথথে লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকবে। পরিবেশ স্বাভাবিক হলে কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় পুনরায় লঞ্চ চলাচল শুরু হবে।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) পাটুরিয়া ঘাট শাখার এজিএম মো. সালাম হোসেন বলেন, এই নৌপথে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। তবে আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ করে সতর্কতার সঙ্গে চলছে ফেরি। এ পথে ১৮টি ফেরি চলাচল করছে।

বৈরী আবহাওয়ার কারণে নদী উত্তাল থাকায় দুর্ঘটনা এড়াতে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে গতকাল শনিবার ভোর থেকে লঞ্চ চলাচল বন্ধ রয়েছে। ফেরিগুলোও চলাচল করছে বেশ সতর্কতার সঙ্গে। আজ রোববার সন্ধ্যা ৭টা থেকে (এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত) বন্ধ রয়েছে লঞ্চ, স্পিডবোট, ইঞ্জিনচালিত নৌকাসহ সব ধরনের নৌযান।
এদিকে আজ সকাল থেকেই ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অনেকটাই ফাঁকা দেখা গেছে। মাঝেমধ্যে দু–একটি যান চলাচল করলেও যাত্রী ছিল অনেক কম। বৈরী আবহাওয়ার কারণে লঞ্চ, স্পিডবোট বন্ধ থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছে যাত্রীরা।
এর আগে ১৪ সেপ্টেম্বর শনিবার ভোর সোয়া ৪টা থেকে আরিচা-কাজিরহাট ও পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে দুর্ঘটনা এড়াতে ফেরি, লঞ্চ চলাচল বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। পরে ওই দিন সকাল ৮টা থেকে ফেরি চলাচল শুরু হয়।
লঞ্চ বন্ধ থাকায় পাটুরিয়া ঘাটের পন্টুনে বসে লঞ্চচালক, সারেং ও স্টাফরা অলস সময় পার করছেন। এ ছাড়া যাত্রীর অভাবে পন্টুনে বাঁধা পাঁচটি লঞ্চ অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। পদ্মা নদীর পাড় ঘেঁষে বেঁধে রাখা হয়েছে আরও কয়েকটি লঞ্চ।
এক লঞ্চের সারেং রিপন মিয়া বলেন, ‘বৃষ্টি আর বাতাসের তোড়ে পন্টুনের সঙ্গে লঞ্চের আঘাত লাগে। তাই অনেকে নদীর পার ঘেঁষে লঞ্চ বেঁধে রেখেছেন। এই পরিস্থিতিতে কোথাও যেতে পারছি না। পন্টুনে বসে অলস সময় কাটাচ্ছি।’
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) আরিচা শাখার ব্যবস্থাপক মো. মামুনুর রশীদ বলেন, বৈরী আবহাওয়ার কারণে নদী উত্তাল। প্রচণ্ড ঢেউয়ের সৃষ্টি হচ্ছে। তাই দুর্ঘটনা এড়াতে ১৪ সেপ্টেম্বর ভোর সোয়া ৪টা থেকে এই নৌপথে লঞ্চ, স্পিডবোট চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।
তিনি আরও বলেন, পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত আরিচা-কাজিরহাট ও পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথথে লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকবে। পরিবেশ স্বাভাবিক হলে কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় পুনরায় লঞ্চ চলাচল শুরু হবে।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) পাটুরিয়া ঘাট শাখার এজিএম মো. সালাম হোসেন বলেন, এই নৌপথে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। তবে আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ করে সতর্কতার সঙ্গে চলছে ফেরি। এ পথে ১৮টি ফেরি চলাচল করছে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে