মাগুরা প্রতিনিধি

মাগুরার সেই ৮ বছরের শিশুটিকে একাই ধর্ষণ করেছিলেন বড় বোনের শ্বশুর। তিনি মেয়েটির চিৎকার আটকাতে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে টেনে ধরেছিলেন। তিনি আদালতে দোষ স্বীকার করে দেওয়া জবানবন্দিতে এ কথা জানিয়েছেন। আদালত সূত্রে ও পুলিশের তদন্ত-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য জানা গেছে।
মাগুরার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সব্যসাচী রায় ১৫ মার্চ ওই আসামির ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দি রেকর্ড করেন।
আদালত ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন ৬ মার্চ সকাল ৮টার দিকে আসামি তাঁর ছোট ছেলের ঘরে শিশুটিকে একা শুয়ে থাকতে দেখে ঢুকে পড়েন। প্রথমে ওড়না দিয়ে গলা চেপে ধরেন যেন চিৎকার করতে না পারে। তারপর খাট থেকে মেঝেতে নামিয়ে আনেন। এরপর ধর্ষণচেষ্টার ফাঁকে ব্লেড দিয়ে শিশুটির শরীরে কাটাছেঁড়া করতে থাকেন। একপর্যায়ে সে সংজ্ঞা হারিয়ে ফেলে। পরে আসামি রক্তাক্ত শিশুটিকে ধর্ষণ করে ছেলের ঘর থেকে বের হয়ে যান। শেষে ভাত খেয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে পাশে মসুরির খেতে থাকা স্ত্রীর কাছে যান।
মামলার তদন্ত-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, ওই দিন সকাল ৬টার দিকে প্রথমে বাড়ি থেকে বের হন শিশুটির বোনের শাশুড়ি। তিনি মাঠে মসুরি তুলতে যান। এরপর বাড়ি থেকে বের হন শিশুটির বোনের স্বামী। তিনি শহরে রাজমিস্ত্রির কাজে যান। বোনের ভাশুর ঘটনার সময় বাড়ির বাইরে আশপাশে কোথাও ছিলেন। বোনের দাদি শাশুড়িও বিদ্যুৎ বিল দিতে বাড়ির বাইরে ছিলেন। আর শিশুটির বোন বাড়ির উঠানের পশ্চিমে অবস্থান করছিল। সে তখন মোবাইল ফোনে কথা বলায় ব্যস্ত ছিল।
ঘটনার কিছুক্ষণ পর শিশুটির বোন ঘরে গিয়ে তাকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পায়। এ সময় প্রতিবেশী এক নারীও ওই বাড়িতে আসেন। তাঁরা শিশুটির মাথায় পানি ঢালেন। পরে খবর পেয়ে বেলা ১১টার দিকে শিশুটির বোনের শাশুড়ি মাঠ থেকে এসে প্রথমে শিশুটিকে স্থানীয় এক কবিরাজের কাছে নেন। কবিরাজের কথামতো সেখান থেকে নেওয়া হয় চার কিলোমিটার দূরে মাগুরা সদর হাসপাতালে। চিকিৎসকেরা জানিয়েছিলেন, শিশুটিকে অচেতন অবস্থাতেই হাসপাতালে আনা হয়েছিল।
শিশুটি ১৩ মার্চ দুপুরে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। এ ঘটনায় এর আগে ৮ মার্চ মাগুরা সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন শিশুটির মা। মামলায় শিশুটির বোনের স্বামী, শ্বশুর, শাশুড়ি ও ভাশুরকে আসামি করা হয়। চারজনই গ্রেপ্তার আছেন।
আদালতে দেওয়া আসামির এই জবানবন্দির সঙ্গে শিশুটির মায়ের করা মামলার এজাহারে অমিল পাওয়া গেছে। এজাহারে বলা হয়েছে, ধর্ষণের ঘটনাটি রাতে ঘটেছে।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়, চার মাস আগে মাগুরা পৌর এলাকার এক তরুণের সঙ্গে শিশুটির বড় বোনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে পুত্রবধূকে অনৈতিক প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন তাঁর শ্বশুর। বিষয়টি পরিবারের অন্য সদস্যরা জানতেন। এ নিয়ে ঝগড়াও হয়। এমন পরিস্থিতিতে ১ মার্চ বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে যায় আট বছরের শিশুটি।
বাদী মামলায় উল্লেখ করেন, ৫ মার্চ রাত ১০টার দিকে খাবার খেয়ে বড় বোন ও তাঁর স্বামীর সঙ্গে একই কক্ষে ঘুমায় শিশুটি। দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে বড় বোন ঘুম থেকে জেগে দেখে, ছোট বোন পাশে নেই, মেঝেতে পড়ে আছে। তখন শিশুটি বড় বোনকে কিছু জটিলতার কথা জানায়। কিন্তু বড় বোন মনে করে, শিশুটি ঘুমের মধ্যে আবোলতাবোল বকছে। এরপর সকাল ৬টার দিকে শিশুটি বোনকে আবার শরীর খারাপের কথা বলে। কারণ, জিজ্ঞাসা করলে সে বোনকে জানায়, রাতে বোনের স্বামী দরজা খুলে দিলে তাঁর বাবা শিশুটির মুখ চেপে ধরে নিজের কক্ষে নিয়ে ধর্ষণ করেন। সে চিৎকার করতে গেলে তার গলা চেপে ধরা হয়। পরে তাকে আবার বোনের কক্ষের মেঝেতে ফেলে রেখে যায়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে গতকাল রোববার মাগুরার পুলিশ সুপার মিনা মাহমুদা সদর থানায় সাংবাদিকদের বলেন, ‘মামলার অন্যতম আসামি শনিবার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এরপর তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্য তিন আসামির জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। তদন্তের স্বার্থে এর চেয়ে বেশি কিছু বলা সম্ভব হচ্ছে না। ডিএনএ প্রতিবেদনসহ অন্যান্য তদন্ত শেষ হলে বিস্তারিত জানান যাবে।’

মাগুরার সেই ৮ বছরের শিশুটিকে একাই ধর্ষণ করেছিলেন বড় বোনের শ্বশুর। তিনি মেয়েটির চিৎকার আটকাতে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে টেনে ধরেছিলেন। তিনি আদালতে দোষ স্বীকার করে দেওয়া জবানবন্দিতে এ কথা জানিয়েছেন। আদালত সূত্রে ও পুলিশের তদন্ত-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য জানা গেছে।
মাগুরার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সব্যসাচী রায় ১৫ মার্চ ওই আসামির ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দি রেকর্ড করেন।
আদালত ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন ৬ মার্চ সকাল ৮টার দিকে আসামি তাঁর ছোট ছেলের ঘরে শিশুটিকে একা শুয়ে থাকতে দেখে ঢুকে পড়েন। প্রথমে ওড়না দিয়ে গলা চেপে ধরেন যেন চিৎকার করতে না পারে। তারপর খাট থেকে মেঝেতে নামিয়ে আনেন। এরপর ধর্ষণচেষ্টার ফাঁকে ব্লেড দিয়ে শিশুটির শরীরে কাটাছেঁড়া করতে থাকেন। একপর্যায়ে সে সংজ্ঞা হারিয়ে ফেলে। পরে আসামি রক্তাক্ত শিশুটিকে ধর্ষণ করে ছেলের ঘর থেকে বের হয়ে যান। শেষে ভাত খেয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে পাশে মসুরির খেতে থাকা স্ত্রীর কাছে যান।
মামলার তদন্ত-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, ওই দিন সকাল ৬টার দিকে প্রথমে বাড়ি থেকে বের হন শিশুটির বোনের শাশুড়ি। তিনি মাঠে মসুরি তুলতে যান। এরপর বাড়ি থেকে বের হন শিশুটির বোনের স্বামী। তিনি শহরে রাজমিস্ত্রির কাজে যান। বোনের ভাশুর ঘটনার সময় বাড়ির বাইরে আশপাশে কোথাও ছিলেন। বোনের দাদি শাশুড়িও বিদ্যুৎ বিল দিতে বাড়ির বাইরে ছিলেন। আর শিশুটির বোন বাড়ির উঠানের পশ্চিমে অবস্থান করছিল। সে তখন মোবাইল ফোনে কথা বলায় ব্যস্ত ছিল।
ঘটনার কিছুক্ষণ পর শিশুটির বোন ঘরে গিয়ে তাকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পায়। এ সময় প্রতিবেশী এক নারীও ওই বাড়িতে আসেন। তাঁরা শিশুটির মাথায় পানি ঢালেন। পরে খবর পেয়ে বেলা ১১টার দিকে শিশুটির বোনের শাশুড়ি মাঠ থেকে এসে প্রথমে শিশুটিকে স্থানীয় এক কবিরাজের কাছে নেন। কবিরাজের কথামতো সেখান থেকে নেওয়া হয় চার কিলোমিটার দূরে মাগুরা সদর হাসপাতালে। চিকিৎসকেরা জানিয়েছিলেন, শিশুটিকে অচেতন অবস্থাতেই হাসপাতালে আনা হয়েছিল।
শিশুটি ১৩ মার্চ দুপুরে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। এ ঘটনায় এর আগে ৮ মার্চ মাগুরা সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন শিশুটির মা। মামলায় শিশুটির বোনের স্বামী, শ্বশুর, শাশুড়ি ও ভাশুরকে আসামি করা হয়। চারজনই গ্রেপ্তার আছেন।
আদালতে দেওয়া আসামির এই জবানবন্দির সঙ্গে শিশুটির মায়ের করা মামলার এজাহারে অমিল পাওয়া গেছে। এজাহারে বলা হয়েছে, ধর্ষণের ঘটনাটি রাতে ঘটেছে।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়, চার মাস আগে মাগুরা পৌর এলাকার এক তরুণের সঙ্গে শিশুটির বড় বোনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে পুত্রবধূকে অনৈতিক প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন তাঁর শ্বশুর। বিষয়টি পরিবারের অন্য সদস্যরা জানতেন। এ নিয়ে ঝগড়াও হয়। এমন পরিস্থিতিতে ১ মার্চ বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে যায় আট বছরের শিশুটি।
বাদী মামলায় উল্লেখ করেন, ৫ মার্চ রাত ১০টার দিকে খাবার খেয়ে বড় বোন ও তাঁর স্বামীর সঙ্গে একই কক্ষে ঘুমায় শিশুটি। দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে বড় বোন ঘুম থেকে জেগে দেখে, ছোট বোন পাশে নেই, মেঝেতে পড়ে আছে। তখন শিশুটি বড় বোনকে কিছু জটিলতার কথা জানায়। কিন্তু বড় বোন মনে করে, শিশুটি ঘুমের মধ্যে আবোলতাবোল বকছে। এরপর সকাল ৬টার দিকে শিশুটি বোনকে আবার শরীর খারাপের কথা বলে। কারণ, জিজ্ঞাসা করলে সে বোনকে জানায়, রাতে বোনের স্বামী দরজা খুলে দিলে তাঁর বাবা শিশুটির মুখ চেপে ধরে নিজের কক্ষে নিয়ে ধর্ষণ করেন। সে চিৎকার করতে গেলে তার গলা চেপে ধরা হয়। পরে তাকে আবার বোনের কক্ষের মেঝেতে ফেলে রেখে যায়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে গতকাল রোববার মাগুরার পুলিশ সুপার মিনা মাহমুদা সদর থানায় সাংবাদিকদের বলেন, ‘মামলার অন্যতম আসামি শনিবার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এরপর তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্য তিন আসামির জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। তদন্তের স্বার্থে এর চেয়ে বেশি কিছু বলা সম্ভব হচ্ছে না। ডিএনএ প্রতিবেদনসহ অন্যান্য তদন্ত শেষ হলে বিস্তারিত জানান যাবে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে