
মাগুরায় মাত্র ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে এক গ্রাহকের নামে ইস্যু করা ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ টাকার ‘ভুতুড়ে’ বিদ্যুৎ বিল অবশেষে সংশোধন করা হয়েছে। গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ। দ্রুত বিল সংশোধন করে ১ হাজার ৯৬৩ টাকার নতুন বিল গ্রাহকের হাতে পৌঁছে দেওয়া হয়। গতকাল মঙ্গলবার সেই বিল পরিশোধ করে স্বস্তি পেয়েছে ভুক্তভোগী পরিবার।
ঘটনাটি মাগুরা সদর উপজেলার মঘি ইউনিয়নের কেচুয়াডুবি গ্রামের। ওই গ্রামের বাসিন্দা ও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক শহীদুল ইসলামের স্ত্রী মোছা. আলেয়া খাতুনের নামে সেপ্টেম্বর ২০২৬ মাসের এই বিল ইস্যু করেছিল মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আড়পাড়া জোনাল অফিস।
বিলের বিস্তারিত তথ্য থেকে জানা যায়, গত ৮ আগস্ট থেকে ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গ্রাহকের বিদ্যুৎ ব্যবহার হয়েছে মাত্র ২৩৫ ইউনিট। আবাসিক শ্রেণির (এলটি-এ) এই ব্যবহারের বিপরীতে প্রকৃত বিল হওয়ার কথা ছিল ১ হাজার ৯৬৩ টাকা। বিলম্ব মাশুলসহ এর পরিমাণ দাঁড়ানোর কথা ছিল ২ হাজার ৫৬ টাকা।
কিন্তু বিল প্রস্তুতের সময় ডিমান্ড চার্জের ঘরে ভুলবশত ৪৮২ কোটি ৬৯ লাখ ৬৩ হাজার ৪২২ টাকা বসিয়ে দেওয়া হয়। এর সঙ্গে ২৪ কোটি ১৩ লাখ টাকার ভ্যাট যুক্ত হয়ে মোট বিল দাঁড়ায় ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকা। এমনকি নির্ধারিত সময়ে বিল পরিশোধ না করলে বিলম্ব মাশুলসহ ৫৩০ কোটি ৯৬ লাখ টাকা পরিশোধ করতে হবে বলেও বিলে উল্লেখ করা হয়।
অস্বাভাবিক এই বিল দেখে হতবাক হয়ে পড়েন আলেয়া খাতুন ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা। আলেয়া খাতুন বিলটিকে ‘আজগুবি’ আখ্যা দিয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের চরম খামখেয়ালিপনা ও দায়িত্বহীনতায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
এ ঘটনায় গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ দ্রুত বিলটি সংশোধন করে। পরে সংশোধিত বিল গ্রাহকের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়। মঙ্গলবার সকালে আলেয়া খাতুন সংশোধিত বিল পরিশোধ করেন।
ভুক্তভোগী গ্রাহক মোছা. আলেয়া খাতুন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘এটা শুধু ভুতুড়ে বা ভৌতিক বিল নয়, একেবারে আজগুবি। বিদ্যুৎ বিভাগের এমন চরম খামখেয়ালিপনা ও দায়িত্বহীনতায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে।’
গণমাধ্যমকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, সাংবাদিকদের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপের কারণে বিদ্যুৎ বিভাগের লোকজন দ্রুত বিলের কাগজ ঠিক করে দিয়েছেন। এরই মধ্যে সংশোধিত বিল পরিশোধ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে আড়পাড়া জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মো. রেজাউল করিম জানান, গ্রাহকের মিটার পরিবর্তনের সময় সিল নম্বরের ডিজিটগুলো ভুলবশত ডিমান্ড চার্জের ঘরে বসে যাওয়ায় এ অনাকাঙ্ক্ষিত বিভ্রাট ঘটে।
মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মো. মহিতুল ইসলাম জানান, এটি একটি দায়িত্বহীন টাইপিং ভুল। ইতিমধ্যে ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আড়পাড়া জোনাল অফিসের ডিজিএম, বিলিং সুপারভাইজার, বিলিং সহকারী এবং মিটার রিডার কাম মেসেঞ্জারকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে ময়মনসিংহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘২৫৯ জনের সুপারিশ পাওয়া গিয়েছিল। এর মধ্যে ১৮ জন কোনো কাগজপত্র জমা দেননি। বাকি ২৪১ জনের মধ্যে ২১৯ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আর ২২ জনের নিয়োগ এখনো স্থগিত রয়েছে। গোয়েন্দা প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী
৭ মিনিট আগে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় এক স্কুলশিক্ষিকাকে পিস্তল দেখিয়ে জোরপূর্বক সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে কসবা পশ্চিম ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন জিন্নাহর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ওই শিক্ষিকা রাতেই কসবা থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
২১ মিনিট আগে
নগর পুলিশের মুখপাত্র আমিনুর রশিদ বুধবার দুপুরে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, বাকলিয়ায় দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় মুরাদ ১ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি। তাঁর বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) বিভিন্ন থানায় ১৬টি মামলা রয়েছে
২৯ মিনিট আগে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে সার্জেন্টের সঙ্গে এদের উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় করতে দেখা যায়। একপর্যায়ে মোটরসাইকেলের নারী আরোহী সার্জেন্টের সঙ্গে উত্তেজিতভাবে কথা বলেন এবং তাঁকে লক্ষ্য করে তেড়ে যাওয়ার মতো আচরণ করেন।
৩৩ মিনিট আগে