
নীলফামারীর সৈয়দপুরের ২৪টি বিহারি ক্যাম্পে গত ১১ বছরে বকেয়া বিদ্যুৎ বিলের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬৬ কোটি টাকারও বেশি। একসময় এসব ক্যাম্পের বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করত ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়। কিন্তু বাংলাদেশের নাগরিকত্ব স্বীকৃতির পর ধীরে ধীরে সেই ব্যবস্থা বন্ধ হওয়ায় দিনে দিনে বাড়ছে বকেয়ার হার।

বিদ্যুতের বিল বেশি আসায় ক্ষিপ্ত এক নারী গ্রাহক পল্লী বিদ্যুতের এক কর্মীকে লোহার শিকল দিয়ে বেঁধে হুমকি-ধমকি দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ভুক্তভোগী কর্মীকে উদ্ধারসহ অভিযুক্ত নারীকে আটক করে। আজ মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে বরগুনা সদর উপজেলার ৫ নম্বর আয়লা-পাতাকাটা ইউনিয়নের পাকুরগ

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মুন্সিরহাট ইউনিয়নের যুগীরাহাট গ্রামের গ্রাহক শাহ আলম। প্রতি মাসে তাঁর বিদ্যুৎ বিল আসত ৬ শ থেকে ৮ শ টাকা। গত আগস্ট মাসে তাঁর ডিজিটাল মিটার পরিবর্তন করে প্রি-পেইড বসানো হয়েছে। এরপর চলতি মাসে পুরোনো বিল হিসাবে তাঁর বিল এসেছে ৯২ হাজার টাকা।

গত বুধবার ভারতের সুপ্রিম কোর্ট সব বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রককে নির্দেশ দেন, তারা যেন বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানিগুলোর বকেয়া দ্রুত পরিশোধ করে। একই সঙ্গে রাজ্য নিয়ন্ত্রকদের অডিট করার ও বকেয়া আদায়ের পরিকল্পনা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।