মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি

মাগুরার মহম্মদপুরে বিয়ের দাবিতে মাস্টার্স শেষ বর্ষের এক কলেজছাত্রী তাঁর প্রেমিকের বাড়িতে দুই দিন ধরে অবস্থান নিয়েছেন। এদিকে তাঁকে অস্বীকার করছে প্রেমিকের পরিবার। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। ওই নারীকে দেখতে ভিড় করছেন স্থানীয় লোকজন।
এদিকে প্রেমিকা বাড়িতে আসার খবর শুনে উধাও হয়েছেন প্রেমিক। গতকাল শুক্রবার সকালে এ ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে গতকাল থেকে আজ শনিবার পর্যন্ত ছেলের পরিবার বা স্থানীয় লোকজন বিষয়টি সমাধান করতে এগিয়ে আসেনি।
ওই প্রেমিকের নাম রাজকুমার বিশ্বাস (৩০)। তিনি উপজেলার বাবুখালী ইউনিয়নের কাওয়ালী পাড়া গ্রামের পদ্ম কুমার বিশ্বাসের ছেলে।
রাজকুমার বিশ্বাসের বাড়িতে অবস্থানরত ওই নারী জানান, রাজকুমারের সঙ্গে তাঁর প্রায় সাত বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলছে। বিয়ের আশ্বাসে রাজকুমারের সঙ্গে একাধিকবার ঘনিষ্ঠ সময় কাটিয়েছেন তাঁরা। রাজকুমারের পরিবার তাঁদের সম্পর্কের বিষয়টি আগে থেকেই জানত। রাজকুমারের বাড়ির পাশে তাঁর প্রেমিকার ভগ্নিপতির বাড়ি। সেই সুবাদে তাঁদের প্রথম পরিচয় ও প্রেম হয়।
ওই নারী আরও জানান, প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠার পর মাগুরা ও ফরিদপুরের বিভিন্ন মেসে তাঁরা গোপনে দেখা করতেন। একপর্যায়ে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। এর তিন মাস পর বাচ্চা নষ্ট করার জন্য চাপ দেন রাজকুমার। পরে বাচ্চা নষ্ট করে ফেলেন তিনি।
এর আগে ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বিয়ের দাবিতে রাজকুমারের বাড়িতে চলে আসেন ওই নারী। তখন স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ও মেম্বাররা বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তাঁকে বাড়িতে ফেরত যেতে বাধ্য করেন। কিন্তু পরে আর বিয়ে হয়নি।
এদিকে প্রেমিকের বাড়িতে গিয়ে ছেলের বোন রুপা রানীকে ছাড়া কাউকে পাওয়া যায়নি। তিনি বলেন, ‘শুক্রবার হঠাৎ এই নারী বাড়িতে উঠে আসে। প্রথমে বলে রাজকুমারের কাছে টাকা পাব। এখন বলছে রাজকুমার তার প্রেমিক। তাকে আমরা খাবার দিয়েছি সে খেয়েছে। এখানে কোনো অনশন চলছে না।’
স্থানীয় বাবুখালী ইউপি চেয়ারম্যান মীর মো. সাজ্জাদ আলী বলেন, ‘অনেক আগে একবার এই মেয়ে এসেছিল। এখন আবার এসেছে। দুই পক্ষকে ডাকা হয়েছে। আশা করি আজ একটি সুন্দর সমাধান করে দিতে পারব।’

মাগুরার মহম্মদপুরে বিয়ের দাবিতে মাস্টার্স শেষ বর্ষের এক কলেজছাত্রী তাঁর প্রেমিকের বাড়িতে দুই দিন ধরে অবস্থান নিয়েছেন। এদিকে তাঁকে অস্বীকার করছে প্রেমিকের পরিবার। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। ওই নারীকে দেখতে ভিড় করছেন স্থানীয় লোকজন।
এদিকে প্রেমিকা বাড়িতে আসার খবর শুনে উধাও হয়েছেন প্রেমিক। গতকাল শুক্রবার সকালে এ ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে গতকাল থেকে আজ শনিবার পর্যন্ত ছেলের পরিবার বা স্থানীয় লোকজন বিষয়টি সমাধান করতে এগিয়ে আসেনি।
ওই প্রেমিকের নাম রাজকুমার বিশ্বাস (৩০)। তিনি উপজেলার বাবুখালী ইউনিয়নের কাওয়ালী পাড়া গ্রামের পদ্ম কুমার বিশ্বাসের ছেলে।
রাজকুমার বিশ্বাসের বাড়িতে অবস্থানরত ওই নারী জানান, রাজকুমারের সঙ্গে তাঁর প্রায় সাত বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলছে। বিয়ের আশ্বাসে রাজকুমারের সঙ্গে একাধিকবার ঘনিষ্ঠ সময় কাটিয়েছেন তাঁরা। রাজকুমারের পরিবার তাঁদের সম্পর্কের বিষয়টি আগে থেকেই জানত। রাজকুমারের বাড়ির পাশে তাঁর প্রেমিকার ভগ্নিপতির বাড়ি। সেই সুবাদে তাঁদের প্রথম পরিচয় ও প্রেম হয়।
ওই নারী আরও জানান, প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠার পর মাগুরা ও ফরিদপুরের বিভিন্ন মেসে তাঁরা গোপনে দেখা করতেন। একপর্যায়ে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। এর তিন মাস পর বাচ্চা নষ্ট করার জন্য চাপ দেন রাজকুমার। পরে বাচ্চা নষ্ট করে ফেলেন তিনি।
এর আগে ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বিয়ের দাবিতে রাজকুমারের বাড়িতে চলে আসেন ওই নারী। তখন স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ও মেম্বাররা বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তাঁকে বাড়িতে ফেরত যেতে বাধ্য করেন। কিন্তু পরে আর বিয়ে হয়নি।
এদিকে প্রেমিকের বাড়িতে গিয়ে ছেলের বোন রুপা রানীকে ছাড়া কাউকে পাওয়া যায়নি। তিনি বলেন, ‘শুক্রবার হঠাৎ এই নারী বাড়িতে উঠে আসে। প্রথমে বলে রাজকুমারের কাছে টাকা পাব। এখন বলছে রাজকুমার তার প্রেমিক। তাকে আমরা খাবার দিয়েছি সে খেয়েছে। এখানে কোনো অনশন চলছে না।’
স্থানীয় বাবুখালী ইউপি চেয়ারম্যান মীর মো. সাজ্জাদ আলী বলেন, ‘অনেক আগে একবার এই মেয়ে এসেছিল। এখন আবার এসেছে। দুই পক্ষকে ডাকা হয়েছে। আশা করি আজ একটি সুন্দর সমাধান করে দিতে পারব।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২৯ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে