মাগুরা প্রতিনিধি

‘তরুণরা আমাকে পছন্দ করে। তাদের দুইটা করে ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকলে তারা অনেক বেশি ভোট দিত, আমার টেনশনের কারণ ছিল না’— বলে মনে করেন মাগুরা-১ আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান।
বৃহস্পতিবার (৪ জানুয়ারী) রাতে প্রচারণা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন সাকিব। জেলার জামরুলতলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
তরুণ প্রজন্ম বেশি সাড়া দিয়েছেন জানিয়ে সাকিব বলেন, ‘তরুণদের নিয়ে খুব আশাবাদী। তারা আমাকে খুব পছন্দ করেছে। তাদের যদি দুইটা করে ভোট দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হতো তাহলে তারা অনেক বেশি ভোট দিত। আমার টেনশনের কারণ ছিল না।’
সর্বোচ্চ ভোটের আশাবাদ ব্যক্ত করে সাকিব বলেন, ‘অনেকে মাগুরার বাইরে থাকে। অনেক কারণে হয়তো তারা আসতে পারবে না। তাই যারা মাগুরায় আছে তারা আমাকে সবাই ভোট দেবে বলে আমি আশা করি।’
সাকিব বলেন, ‘আমি যদি নির্বাচিত হই, তখন তো সবার জন্যই কাজ করব। দলমত-নির্বিশেষে আমাকে সবাই ভোট দেবে বলে আমি আশা করি।’
জাতীয় দলের ক্রিকেট দলের খেলোয়াড়দের মাগুরা আসার বিষয়ে সাকিব বলেন, ‘তাদের আমি কাউকে আসতে বলিনি। বেশিরভাগ এসেছে আমাকে ভালোবাসে তাই। আমার সঙ্গে অনেকে অনেক দিন খেলছে। সেই টানে মাগুরায়। আমি ফোন করে কাউকে মাগুরায় আসতে বলিনি।’
ভোটারের থেকে সেলফি শিকারি বেশি কি না— প্রশ্নে সাকিব আল হাসান বলেন, ‘যারা সেলফি তুলেছে তারা যদি ভোটারও না হন, তবে তাদের মা বাবা তো ভোটার। সে ক্ষেত্রে একদিকে ভোটের জন্য ভালো কিছু হয়েছে।’
সাকিব বলেন, ক্রিকেটার হিসাবে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মেশা হয়নি। কিন্তু রাজনীতির মাঠে নেমে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশছি, মানুষ আমাকে দেখছে, একটা পরিবর্তন দেখছে মানুষ।,
জেলা আওয়ামী লীগ সুসংগঠিত আছে জানিয়ে সাকিব আল হাসান বলেন, ‘আমার তাই মনে হয়েছে। বর্তমান সংসদ সদস্য শিখর ভাই ছিলেন তিনিও আওয়ামী লীগের মানুষ। আমি যা বুঝি এটা দলের বিষয়। দল যাকে মনোনয়ন দেবে তার জন্যই কাজ করে যেতে হবে। ক্রিকেট মাঠে আমি এমনই দেখেছি। আওয়ামী লীগের মতো বড় দলের কাছে আমি সব সময় সহযোগিতা পেয়ে আসছি।’

‘তরুণরা আমাকে পছন্দ করে। তাদের দুইটা করে ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকলে তারা অনেক বেশি ভোট দিত, আমার টেনশনের কারণ ছিল না’— বলে মনে করেন মাগুরা-১ আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান।
বৃহস্পতিবার (৪ জানুয়ারী) রাতে প্রচারণা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন সাকিব। জেলার জামরুলতলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
তরুণ প্রজন্ম বেশি সাড়া দিয়েছেন জানিয়ে সাকিব বলেন, ‘তরুণদের নিয়ে খুব আশাবাদী। তারা আমাকে খুব পছন্দ করেছে। তাদের যদি দুইটা করে ভোট দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হতো তাহলে তারা অনেক বেশি ভোট দিত। আমার টেনশনের কারণ ছিল না।’
সর্বোচ্চ ভোটের আশাবাদ ব্যক্ত করে সাকিব বলেন, ‘অনেকে মাগুরার বাইরে থাকে। অনেক কারণে হয়তো তারা আসতে পারবে না। তাই যারা মাগুরায় আছে তারা আমাকে সবাই ভোট দেবে বলে আমি আশা করি।’
সাকিব বলেন, ‘আমি যদি নির্বাচিত হই, তখন তো সবার জন্যই কাজ করব। দলমত-নির্বিশেষে আমাকে সবাই ভোট দেবে বলে আমি আশা করি।’
জাতীয় দলের ক্রিকেট দলের খেলোয়াড়দের মাগুরা আসার বিষয়ে সাকিব বলেন, ‘তাদের আমি কাউকে আসতে বলিনি। বেশিরভাগ এসেছে আমাকে ভালোবাসে তাই। আমার সঙ্গে অনেকে অনেক দিন খেলছে। সেই টানে মাগুরায়। আমি ফোন করে কাউকে মাগুরায় আসতে বলিনি।’
ভোটারের থেকে সেলফি শিকারি বেশি কি না— প্রশ্নে সাকিব আল হাসান বলেন, ‘যারা সেলফি তুলেছে তারা যদি ভোটারও না হন, তবে তাদের মা বাবা তো ভোটার। সে ক্ষেত্রে একদিকে ভোটের জন্য ভালো কিছু হয়েছে।’
সাকিব বলেন, ক্রিকেটার হিসাবে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মেশা হয়নি। কিন্তু রাজনীতির মাঠে নেমে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশছি, মানুষ আমাকে দেখছে, একটা পরিবর্তন দেখছে মানুষ।,
জেলা আওয়ামী লীগ সুসংগঠিত আছে জানিয়ে সাকিব আল হাসান বলেন, ‘আমার তাই মনে হয়েছে। বর্তমান সংসদ সদস্য শিখর ভাই ছিলেন তিনিও আওয়ামী লীগের মানুষ। আমি যা বুঝি এটা দলের বিষয়। দল যাকে মনোনয়ন দেবে তার জন্যই কাজ করে যেতে হবে। ক্রিকেট মাঠে আমি এমনই দেখেছি। আওয়ামী লীগের মতো বড় দলের কাছে আমি সব সময় সহযোগিতা পেয়ে আসছি।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৫ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে