মাগুরা প্রতিনিধি

মাগুরায় সাকিব আল হাসানের বাবা খন্দকার মাসরুম রেজা কুটিলের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। জেলা বিএনপির অফিসে অগ্নিসংযোগের অভিযোগে এ মামলা করা হয়। জুলাই ছাত্র আন্দোলনের সময় গত ৪ আগস্ট মাগুরা জেলা বিএনপির কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় মাগুরা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসানের বাবা খন্দকার মাসরুম রেজা কুটিলসহ ৭৯ জনের নাম উল্লেখসহ মামলা করা হয়।
এ ছাড়াও ১৫০-২০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে ১৮ মে মামলাটি করা হয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হয় সোমবার (২৬ মে)।
মাগুরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আইয়ুব আলী মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, বিস্ফোরক আইনের বিভিন্ন ধারায় মামলাটি করা হয়। মামলা বাদী মো. আবু তাহের (৩১)। তিনি সদর উপজেলার পাথরা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি নিজেকে বিএনপির একজন কর্মী এবং ওই কার্যালয়ের ‘তত্ত্বাবধায়ক’ পরিচয় ১৮ মে মামলা করেন। আসামিদের কাউকে এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ, তবে মামলার তদন্ত চলছে।
অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছে জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক ফজলুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাখারুল ইসলাম শাকিল, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মকবুল হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক শেখ রেজাউল ইসলাম, জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক সাকিব আল হাসান তুহিনের নাম।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, সাকিব আল হাসানের বাবা নিজে উপস্থিত থেকে আসামিদেরকে দিয়ে ৪ আগস্ট বেলা ৩টার দিকে হাতবোমা, পিস্তল, শটগান, বন্দুক, রামদা, ছ্যানদা, চাপাতি, চায়নিজ কুড়াল, লোহার রড, শাবল নিয়ে শহরের ইসলামপুরপাড়ায় অবস্থিত বিএনপির কার্যালয়ে হামলা চালান।
আসামিরা কার্যালয়ের ভেতরে থাকা চেয়ার, টেবিল, আলমারিসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করেন। পরে পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন।
এ সময় কার্যালয়ের পশ্চিম পাশে অবস্থিত মাগুরা জেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আহসান হাবিব কিশোরের বসতবাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়। আসামিরা পরস্পর সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী। তাঁরা সবাই আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা-কর্মী বলে মামলায় বলা হয়েছে।

মাগুরায় সাকিব আল হাসানের বাবা খন্দকার মাসরুম রেজা কুটিলের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। জেলা বিএনপির অফিসে অগ্নিসংযোগের অভিযোগে এ মামলা করা হয়। জুলাই ছাত্র আন্দোলনের সময় গত ৪ আগস্ট মাগুরা জেলা বিএনপির কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় মাগুরা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসানের বাবা খন্দকার মাসরুম রেজা কুটিলসহ ৭৯ জনের নাম উল্লেখসহ মামলা করা হয়।
এ ছাড়াও ১৫০-২০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে ১৮ মে মামলাটি করা হয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হয় সোমবার (২৬ মে)।
মাগুরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আইয়ুব আলী মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, বিস্ফোরক আইনের বিভিন্ন ধারায় মামলাটি করা হয়। মামলা বাদী মো. আবু তাহের (৩১)। তিনি সদর উপজেলার পাথরা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি নিজেকে বিএনপির একজন কর্মী এবং ওই কার্যালয়ের ‘তত্ত্বাবধায়ক’ পরিচয় ১৮ মে মামলা করেন। আসামিদের কাউকে এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ, তবে মামলার তদন্ত চলছে।
অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছে জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক ফজলুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাখারুল ইসলাম শাকিল, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মকবুল হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক শেখ রেজাউল ইসলাম, জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক সাকিব আল হাসান তুহিনের নাম।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, সাকিব আল হাসানের বাবা নিজে উপস্থিত থেকে আসামিদেরকে দিয়ে ৪ আগস্ট বেলা ৩টার দিকে হাতবোমা, পিস্তল, শটগান, বন্দুক, রামদা, ছ্যানদা, চাপাতি, চায়নিজ কুড়াল, লোহার রড, শাবল নিয়ে শহরের ইসলামপুরপাড়ায় অবস্থিত বিএনপির কার্যালয়ে হামলা চালান।
আসামিরা কার্যালয়ের ভেতরে থাকা চেয়ার, টেবিল, আলমারিসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করেন। পরে পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন।
এ সময় কার্যালয়ের পশ্চিম পাশে অবস্থিত মাগুরা জেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আহসান হাবিব কিশোরের বসতবাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়। আসামিরা পরস্পর সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী। তাঁরা সবাই আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা-কর্মী বলে মামলায় বলা হয়েছে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে