মাগুরা প্রতিনিধি

মাগুরা-যশোর সড়কের সীমাখালী এলাকায় বাসচাপায় অটোরিকশার তিন যাত্রী নিহত হয়েছেন। আজ শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন—মধু শিকদার, নিলুফা রানী দে ও পুষ্পা রানী দে।
নিহতরা শালিখা উপজেলা ও যশোর সীমান্ত নারিকেলবাড়িয়ার বলে জানা গেছে। নিহতরা সবাই অটোরিকশার যাত্রী ছিলেন। এতে অটোরিকশায় থাকা অন্তত ৯ জন আহত হয়েছেন।
শালিখা উপজেলার ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন মাস্টার সঞ্জয় দেবনাথ বলেন, ‘রাত পৌনে ১০টার দিকে দুর্ঘটনাটি ঘটে। আমরা ঘটনাস্থলে গেলে শুধু অটোরিকশাটি দেখতে পাই। ঘটনাস্থলে দুজন নারীর মরদেহ দেখতে পাই। মরদেহ মাগুরা সদর হাসপাতালে পাঠিয়ে দেই। ঘটনাস্থল থেকে গুরুতর আহত অবস্থায় একজনকে মাগুরা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে তিনি মারা যান।’
ফায়ার সার্ভিস জানায়, ওই অটোরিকশা মাগুরা থেকে নারিকেলবাড়িয়ার দিকে এক সনাতন ধর্মের নামযজ্ঞের অনুষ্ঠানে যাচ্ছিল। অটোরিকশায় মোট ১২ জন যাত্রী ছিলেন। পথিমধ্যে হাজামতলা মোড়ে পৌঁছালে দুর্ঘটনাটি ঘটে।
মাগুরা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মো. মামুনুর রশিদ বলেন, হাসপাতালে দুর্ঘটনায় আহত একজনকে নিয়ে আসে। তাঁকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। তবে আহত কয়েকজন ভর্তি হয়েছে। তাঁদের অবস্থা আশঙ্কামুক্ত।
নিহতদের এলাকা সংলগ্ন স্থানীয় সঞ্জয় কুমার নামে এক ব্যক্তি বলেন, নিহতরা সবাই নারিকেলবাড়িয়ায় এক ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যাচ্ছিলেন। কিন্তু পথে তিনজনের প্রাণ যায়। নিহতদের মধ্যে নিলুফা রানী দে ও পুস্পা রানী পরস্পর একই পরিবারের দুই ভাইয়ের বউ।
মাগুরা সদর হাসপাতালের পুলিশ সদস্য মো. হজরত বলেন, নিহত একজনকে সদর হাসপাতালে আনা হয়েছে। বাকি দুজন ঘটনাস্থলে মারা গেছেন শুনেছি। সবকিছু প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

মাগুরা-যশোর সড়কের সীমাখালী এলাকায় বাসচাপায় অটোরিকশার তিন যাত্রী নিহত হয়েছেন। আজ শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন—মধু শিকদার, নিলুফা রানী দে ও পুষ্পা রানী দে।
নিহতরা শালিখা উপজেলা ও যশোর সীমান্ত নারিকেলবাড়িয়ার বলে জানা গেছে। নিহতরা সবাই অটোরিকশার যাত্রী ছিলেন। এতে অটোরিকশায় থাকা অন্তত ৯ জন আহত হয়েছেন।
শালিখা উপজেলার ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন মাস্টার সঞ্জয় দেবনাথ বলেন, ‘রাত পৌনে ১০টার দিকে দুর্ঘটনাটি ঘটে। আমরা ঘটনাস্থলে গেলে শুধু অটোরিকশাটি দেখতে পাই। ঘটনাস্থলে দুজন নারীর মরদেহ দেখতে পাই। মরদেহ মাগুরা সদর হাসপাতালে পাঠিয়ে দেই। ঘটনাস্থল থেকে গুরুতর আহত অবস্থায় একজনকে মাগুরা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে তিনি মারা যান।’
ফায়ার সার্ভিস জানায়, ওই অটোরিকশা মাগুরা থেকে নারিকেলবাড়িয়ার দিকে এক সনাতন ধর্মের নামযজ্ঞের অনুষ্ঠানে যাচ্ছিল। অটোরিকশায় মোট ১২ জন যাত্রী ছিলেন। পথিমধ্যে হাজামতলা মোড়ে পৌঁছালে দুর্ঘটনাটি ঘটে।
মাগুরা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মো. মামুনুর রশিদ বলেন, হাসপাতালে দুর্ঘটনায় আহত একজনকে নিয়ে আসে। তাঁকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। তবে আহত কয়েকজন ভর্তি হয়েছে। তাঁদের অবস্থা আশঙ্কামুক্ত।
নিহতদের এলাকা সংলগ্ন স্থানীয় সঞ্জয় কুমার নামে এক ব্যক্তি বলেন, নিহতরা সবাই নারিকেলবাড়িয়ায় এক ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যাচ্ছিলেন। কিন্তু পথে তিনজনের প্রাণ যায়। নিহতদের মধ্যে নিলুফা রানী দে ও পুস্পা রানী পরস্পর একই পরিবারের দুই ভাইয়ের বউ।
মাগুরা সদর হাসপাতালের পুলিশ সদস্য মো. হজরত বলেন, নিহত একজনকে সদর হাসপাতালে আনা হয়েছে। বাকি দুজন ঘটনাস্থলে মারা গেছেন শুনেছি। সবকিছু প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

খুব সকালে কড়া নিরাপত্তার মাধ্যমে চিন্ময়সহ ২৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মিলিয়ে শতাধিক সদস্য আদালত প্রাঙ্গণে মোতায়েন করা হয়। খুব কম সময়ের মধ্যে আদালতে মামলার কার্যক্রম শেষ করা হয়।
২৫ মিনিট আগে
ফাওজুল কবির খান বলেন, ‘আপনি যদি বাংলাদেশের মঙ্গল চান, আপনি যদি রাজপথের সহিংসতা দেখতে না চান, যদি মানুষের খুন দেখতে না চান—তাহলে অবশ্যই ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন। দেশের চাবি আপনার হাতে। এই জন্যই আমাদের গণভোটের প্রচারণায় ভোটের গাড়ি।
২৯ মিনিট আগে
বাড্ডায় সড়ক ছেড়ে গেছেন অবরোধরত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালকেরা। এতে কুড়িল-রামপুরা সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাড্ডার ফুজি টাওয়ার এলাকায় অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন তাঁরা।
৪০ মিনিট আগে
অনেকটা মানসিক রোগীর মতো আচরণ করলেও খুব ঠান্ডা মাথায় এক বৃদ্ধা, এক নারী ও এক কিশোরীসহ ছয়জনকে খুন করেছেন মশিউর রহমান ওরফে সম্রাট (৪০)। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এসব খুনের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
১ ঘণ্টা আগে