শিবচর (মাদারীপুর) প্রতিনিধি

‘বছরে ইঁদুর খাচ্ছে শস্য লক্ষ লক্ষ টন, খাদ্যঘাটতি রুখতে দরকার ইঁদুর নিয়ন্ত্রণ’—এই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে মাদারীপুরের শিবচরে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে একটি ইউনিয়ন থেকে প্রায় ৮০ হাজার ইঁদুরের লেজ বিনষ্ট করা হয়েছে।
আজ শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার কাঁঠালবাড়ী ইউনিয়নের তিনটি ব্লকের বিভিন্ন প্রকল্পের ১৫টি দলের কৃষকের উপস্থিতিতে লেজগুলো বিনষ্ট করা হয়।
কাঁঠালবাড়ী ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি কার্যালয় ও স্থানীয় কৃষকদের সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের ১১ অক্টোবর থেকে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত মাসব্যাপী এই ইঁদুর নিধন অভিযান চলে। এ ছাড়া এ বছর কাঁঠালবাড়ী ইউনিয়নের তিনটি ব্লকের কৃষকেরা ৭৯ হাজার ৫৬১টি ইঁদুর শিকার করে লেজ সংরক্ষণ করেন। আজ বেলা ১১টার দিকে কাঁঠালবাড়ী ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা ফয়সাল খন্দকারের উপস্থিতিতে ইউনিয়নের আব্দুর রব ব্যাপারীর কান্দি ও হাজি লেদু চৌকিদারের কান্দিতে স্থানীয় কৃষকদের উপস্থিতিতে সংরক্ষিত লেজ আগুনে পুড়িয়ে ফেলা হয়।
স্থানীয় কৃষক দেলোয়ার হোসেন শেখ বলেন, ‘ইঁদুর আমাদের অনেক ক্ষতি করে। আমাদের বাড়ি চরাঞ্চলে হওয়ায় বর্ষাকালে ইঁদুরের উৎপাত বেশি। বাড়ির লেপ-তোশক থেকে শুরু করে গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র নষ্ট করে। তাই আমরা আমাদের এলাকার কৃষি অফিসারের পরামর্শ নিয়ে ইঁদুর ধরে মেরেছি।’
কাঁঠালবাড়ী ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা ফয়সাল খন্দকার বলেন, ‘আমাদের কাঁঠালবাড়ী ইউনিয়নটি শিবচর উপজেলা পরিষদ থেকে রিমোট এলাকায় হওয়ায় আমরা এখানে ইঁদুরের লেজ বিনষ্ট করতে এসেছি। এ ছাড়া একটি দেশে ইঁদুর প্রায় ৫০ থেকে ৬০ লাখ মানুষের খাবার নষ্ট করে। এ জন্যই ইঁদুর মেরে ফেলা হয়।’

‘বছরে ইঁদুর খাচ্ছে শস্য লক্ষ লক্ষ টন, খাদ্যঘাটতি রুখতে দরকার ইঁদুর নিয়ন্ত্রণ’—এই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে মাদারীপুরের শিবচরে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে একটি ইউনিয়ন থেকে প্রায় ৮০ হাজার ইঁদুরের লেজ বিনষ্ট করা হয়েছে।
আজ শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার কাঁঠালবাড়ী ইউনিয়নের তিনটি ব্লকের বিভিন্ন প্রকল্পের ১৫টি দলের কৃষকের উপস্থিতিতে লেজগুলো বিনষ্ট করা হয়।
কাঁঠালবাড়ী ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি কার্যালয় ও স্থানীয় কৃষকদের সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের ১১ অক্টোবর থেকে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত মাসব্যাপী এই ইঁদুর নিধন অভিযান চলে। এ ছাড়া এ বছর কাঁঠালবাড়ী ইউনিয়নের তিনটি ব্লকের কৃষকেরা ৭৯ হাজার ৫৬১টি ইঁদুর শিকার করে লেজ সংরক্ষণ করেন। আজ বেলা ১১টার দিকে কাঁঠালবাড়ী ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা ফয়সাল খন্দকারের উপস্থিতিতে ইউনিয়নের আব্দুর রব ব্যাপারীর কান্দি ও হাজি লেদু চৌকিদারের কান্দিতে স্থানীয় কৃষকদের উপস্থিতিতে সংরক্ষিত লেজ আগুনে পুড়িয়ে ফেলা হয়।
স্থানীয় কৃষক দেলোয়ার হোসেন শেখ বলেন, ‘ইঁদুর আমাদের অনেক ক্ষতি করে। আমাদের বাড়ি চরাঞ্চলে হওয়ায় বর্ষাকালে ইঁদুরের উৎপাত বেশি। বাড়ির লেপ-তোশক থেকে শুরু করে গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র নষ্ট করে। তাই আমরা আমাদের এলাকার কৃষি অফিসারের পরামর্শ নিয়ে ইঁদুর ধরে মেরেছি।’
কাঁঠালবাড়ী ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা ফয়সাল খন্দকার বলেন, ‘আমাদের কাঁঠালবাড়ী ইউনিয়নটি শিবচর উপজেলা পরিষদ থেকে রিমোট এলাকায় হওয়ায় আমরা এখানে ইঁদুরের লেজ বিনষ্ট করতে এসেছি। এ ছাড়া একটি দেশে ইঁদুর প্রায় ৫০ থেকে ৬০ লাখ মানুষের খাবার নষ্ট করে। এ জন্যই ইঁদুর মেরে ফেলা হয়।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে