শিবচর (মাদারীপুর) প্রতিনিধি

মাদারীপুরের শিবচরে দাম বাড়ায় ব্রয়লার মুরগি কিনতেই হিমশিম খাচ্ছেন স্বল্প আয়ের মানুষ। উপজেলার বাজারগুলোতে কমেছে মুরগি বেচাকেনা। বেশির ভাগ দোকানে এখন মুরগির পরিমাণ কম দেখা যাচ্ছে। বিক্রি কম থাকায় ব্যবসায়ীরাও ফার্ম থেকে মুরগি আনা কমিয়ে দিয়েছেন।
উপজেলার বিভিন্ন বাজারের ব্রয়লার মুরগির দোকান ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ দোকানে মুরগির সংখ্যা কম। বিক্রিও কম হচ্ছে। অনেকে দাম শুনেই চলে যাচ্ছেন। অধিক প্রয়োজন ছাড়া ব্রয়লার মুরগি এড়িয়ে যাচ্ছেন ক্রেতারা।
গ্রামের বিভিন্ন বাজারে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ২৫০ টাকা, সোনালি মুরগি ৩৩০ থেকে ৩৫০ এবং লেয়ার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩৩০ টাকা করে। এ ছাড়া দেশি মুরগির দাম আকারভেদে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে ব্রয়লারসহ সব মুরগির দাম বাড়ায় গ্রাম পর্যায়ের হাটবাজারে বিক্রি কমেছে বলে জানান বিক্রেতারা। মুরগির পাশাপাশি গরুর মাংস, মাছ এবং সবজির বাজারও চড়া। আসন্ন রমজান সামনে রেখে নিত্যপণ্যের দাম আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন ভোক্তারা। ক্রমাগত দাম বেড়ে যাওয়ায় জীবনযাত্রার মান ধরে রাখা কষ্টকর হয়ে পড়বে বলে সাধারণ মানুষ জানান।
শিবচরের পাঁচ্চরে বাজার করতে আসা ফয়জুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি বলেন, ‘মাংস খেতে ইচ্ছে করলেই মুরগি কিনতাম। কারণ গরুর মাংসের দাম অনেক বেশি। ফার্মের মুরগি ঘরের বাচ্চারাও পছন্দ করত। সেই মুরগির দাম এখন ২৫০ টাকা কেজি! বাচ্চারা মাংস খেতে চায়, কিন্তু এই দামে মুরগি কেনার সাধ্য নেই আমাদের মতো স্বল্প আয়ের মানুষের।’
হাবিব নামের আরেক ব্যক্তি বলেন, ‘দাম বেশি থাকায় গরুর মাংস সহজে কেনা হয় না। মুরগির মাংস মাঝেমধ্যে কেনা হতো। এখন যে পরিস্থিতি, এতে মুরগি কেনাও দুঃসাধ্য হয়ে উঠেছে। গরিবের মাংসের চাহিদা মিটত ব্রয়লার মুরগিতে। এটিও এখন ধরাছোঁয়ার বাইরে।’
মো. কাইয়ুম নামের এক বিক্রেতা বলেন, ‘দাম বাড়ায় চাহিদা অনেক কমে গেছে। আগে দোকানভর্তি মুরগি থাকত। প্রতিদিন অনেক মুরগি বিক্রি হতো। এখন তেমন বিক্রি হয় না।’
এদিকে বাজারে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। অতিরিক্ত মূল্যে পণ্য বিক্রি না করতে ব্যবসায়ীদের সতর্কও করা হচ্ছে।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর মাদারীপুরের নির্বাহী পরিচালক জান্নাতুল ফেরদাউস বলেন, ‘ভোক্তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে জেলার বাজারগুলোতে অভিযান চালানো হচ্ছে। এ ছাড়া অতিরিক্ত দামে বিক্রেতারা যেন পণ্য বিক্রি না করেন, সে জন্য তাঁদের সতর্ক করা হচ্ছে। শাস্তি হিসেবে জরিমানাও করা হচ্ছে। রমজান সামনে রেখে নিয়মিত বাজারে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের নজরদারি থাকছে।’

মাদারীপুরের শিবচরে দাম বাড়ায় ব্রয়লার মুরগি কিনতেই হিমশিম খাচ্ছেন স্বল্প আয়ের মানুষ। উপজেলার বাজারগুলোতে কমেছে মুরগি বেচাকেনা। বেশির ভাগ দোকানে এখন মুরগির পরিমাণ কম দেখা যাচ্ছে। বিক্রি কম থাকায় ব্যবসায়ীরাও ফার্ম থেকে মুরগি আনা কমিয়ে দিয়েছেন।
উপজেলার বিভিন্ন বাজারের ব্রয়লার মুরগির দোকান ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ দোকানে মুরগির সংখ্যা কম। বিক্রিও কম হচ্ছে। অনেকে দাম শুনেই চলে যাচ্ছেন। অধিক প্রয়োজন ছাড়া ব্রয়লার মুরগি এড়িয়ে যাচ্ছেন ক্রেতারা।
গ্রামের বিভিন্ন বাজারে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ২৫০ টাকা, সোনালি মুরগি ৩৩০ থেকে ৩৫০ এবং লেয়ার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩৩০ টাকা করে। এ ছাড়া দেশি মুরগির দাম আকারভেদে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে ব্রয়লারসহ সব মুরগির দাম বাড়ায় গ্রাম পর্যায়ের হাটবাজারে বিক্রি কমেছে বলে জানান বিক্রেতারা। মুরগির পাশাপাশি গরুর মাংস, মাছ এবং সবজির বাজারও চড়া। আসন্ন রমজান সামনে রেখে নিত্যপণ্যের দাম আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন ভোক্তারা। ক্রমাগত দাম বেড়ে যাওয়ায় জীবনযাত্রার মান ধরে রাখা কষ্টকর হয়ে পড়বে বলে সাধারণ মানুষ জানান।
শিবচরের পাঁচ্চরে বাজার করতে আসা ফয়জুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি বলেন, ‘মাংস খেতে ইচ্ছে করলেই মুরগি কিনতাম। কারণ গরুর মাংসের দাম অনেক বেশি। ফার্মের মুরগি ঘরের বাচ্চারাও পছন্দ করত। সেই মুরগির দাম এখন ২৫০ টাকা কেজি! বাচ্চারা মাংস খেতে চায়, কিন্তু এই দামে মুরগি কেনার সাধ্য নেই আমাদের মতো স্বল্প আয়ের মানুষের।’
হাবিব নামের আরেক ব্যক্তি বলেন, ‘দাম বেশি থাকায় গরুর মাংস সহজে কেনা হয় না। মুরগির মাংস মাঝেমধ্যে কেনা হতো। এখন যে পরিস্থিতি, এতে মুরগি কেনাও দুঃসাধ্য হয়ে উঠেছে। গরিবের মাংসের চাহিদা মিটত ব্রয়লার মুরগিতে। এটিও এখন ধরাছোঁয়ার বাইরে।’
মো. কাইয়ুম নামের এক বিক্রেতা বলেন, ‘দাম বাড়ায় চাহিদা অনেক কমে গেছে। আগে দোকানভর্তি মুরগি থাকত। প্রতিদিন অনেক মুরগি বিক্রি হতো। এখন তেমন বিক্রি হয় না।’
এদিকে বাজারে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। অতিরিক্ত মূল্যে পণ্য বিক্রি না করতে ব্যবসায়ীদের সতর্কও করা হচ্ছে।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর মাদারীপুরের নির্বাহী পরিচালক জান্নাতুল ফেরদাউস বলেন, ‘ভোক্তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে জেলার বাজারগুলোতে অভিযান চালানো হচ্ছে। এ ছাড়া অতিরিক্ত দামে বিক্রেতারা যেন পণ্য বিক্রি না করেন, সে জন্য তাঁদের সতর্ক করা হচ্ছে। শাস্তি হিসেবে জরিমানাও করা হচ্ছে। রমজান সামনে রেখে নিয়মিত বাজারে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের নজরদারি থাকছে।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে