শিবচর (মাদারীপুর) প্রতিনিধি

মাদারীপুরের শিবচরে পাওনা টাকা ফেরত চাওয়ায় শফিকুল ও সবুজ নামে দুই দোকানিকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আজ বৃহস্পতিবার উপজেলার দ্বিতীয়খণ্ড ইউনিয়নের নদীর পাড় বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে শফিকুলের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আহত দুজন সম্পর্কে আপন ভাই। তাঁরা ওই ইউনিয়নের মুজাফ্ফরপুর গ্রামের ইদ্রিস হাওলাদার ছেলে।
জানা গেছে, সফিকুল (৩৫) ও সবুজ (৩০) দুই ভাই শিবচর উপজেলার নদীর পাড় বাজারে একটি দোকান পরিচালনা করেন। দোকানটিতে একই সঙ্গে বিকাশ, ফেক্সিলোড ও জ্বালানি তেলও বিক্রি হয়। কয়েক দিন আগে ওই দোকান থেকে বাকিতে তেল নিয়েছিলেন শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার নাওডোবা এলাকার চুন্নু খানের ছেলে সাদ্দাম খাঁ।
আজ সকালে সাদ্দাম কয়েকজন যুবককে নিয়ে আবার ওই দোকানে বাকিতে মোটরসাইকেলের জন্য তেল চাইলে কথা-কাটাকাটি একপর্যায়ে দোকানি সবুজকে গাছের ডাল ও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আহত করেন। এ সময় তাঁর ভাই শফিকুল এগিয়ে আসলে তাঁকেও পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। পরে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাঁদের উদ্ধার করে শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
আহত শফিকুল বলেন, ‘কয়েক দিন আগে সাদ্দাম খাঁ বাকিতে তেল নিয়ে যায়। আজ সকালে কয়েকটি মোটরসাইকেলে নিয়ে এসে আবার বাকিতে তেল চায়। এ সময় আগের টাকা চাওয়ায় তারা ক্ষিপ্ত হয়ে লাঠি দিয়ে আমার ভাইয়ের ওপর হামলা চালিয়ে আহত করে। আমি এগিয়ে গেলে তারা আমাকেও পেটায়। পরে দোকানের টাকাসহ মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।’
আহত সবুজ বলেন, ‘আমাদের ওপর হামলার পরে তারা দোকানের নগদ টাকা, তিনটি মোবাইল ফোন, ফ্যানসহ বিভিন্ন মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।’
শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘পুলিশ ঘটনাস্থল ও হাসপাতাল পরিদর্শন করেছে। তারা লিখিত অভিযোগ করেছেন। ঘটনা তদন্ত করে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

মাদারীপুরের শিবচরে পাওনা টাকা ফেরত চাওয়ায় শফিকুল ও সবুজ নামে দুই দোকানিকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আজ বৃহস্পতিবার উপজেলার দ্বিতীয়খণ্ড ইউনিয়নের নদীর পাড় বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে শফিকুলের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আহত দুজন সম্পর্কে আপন ভাই। তাঁরা ওই ইউনিয়নের মুজাফ্ফরপুর গ্রামের ইদ্রিস হাওলাদার ছেলে।
জানা গেছে, সফিকুল (৩৫) ও সবুজ (৩০) দুই ভাই শিবচর উপজেলার নদীর পাড় বাজারে একটি দোকান পরিচালনা করেন। দোকানটিতে একই সঙ্গে বিকাশ, ফেক্সিলোড ও জ্বালানি তেলও বিক্রি হয়। কয়েক দিন আগে ওই দোকান থেকে বাকিতে তেল নিয়েছিলেন শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার নাওডোবা এলাকার চুন্নু খানের ছেলে সাদ্দাম খাঁ।
আজ সকালে সাদ্দাম কয়েকজন যুবককে নিয়ে আবার ওই দোকানে বাকিতে মোটরসাইকেলের জন্য তেল চাইলে কথা-কাটাকাটি একপর্যায়ে দোকানি সবুজকে গাছের ডাল ও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আহত করেন। এ সময় তাঁর ভাই শফিকুল এগিয়ে আসলে তাঁকেও পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। পরে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাঁদের উদ্ধার করে শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
আহত শফিকুল বলেন, ‘কয়েক দিন আগে সাদ্দাম খাঁ বাকিতে তেল নিয়ে যায়। আজ সকালে কয়েকটি মোটরসাইকেলে নিয়ে এসে আবার বাকিতে তেল চায়। এ সময় আগের টাকা চাওয়ায় তারা ক্ষিপ্ত হয়ে লাঠি দিয়ে আমার ভাইয়ের ওপর হামলা চালিয়ে আহত করে। আমি এগিয়ে গেলে তারা আমাকেও পেটায়। পরে দোকানের টাকাসহ মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।’
আহত সবুজ বলেন, ‘আমাদের ওপর হামলার পরে তারা দোকানের নগদ টাকা, তিনটি মোবাইল ফোন, ফ্যানসহ বিভিন্ন মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।’
শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘পুলিশ ঘটনাস্থল ও হাসপাতাল পরিদর্শন করেছে। তারা লিখিত অভিযোগ করেছেন। ঘটনা তদন্ত করে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৪১ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে