লালমনিরহাট প্রতিনিধি

লালমনিরহাটের আদিতমারীতে আঁখি মনি (১৯) নামে নববধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ শনিবার উপজেলার ফায়ার সার্ভিস এলাকার নিজ বাড়ি থেকে লাশটি উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মৃত আঁখি ওই এলাকার সৌদিপ্রবাসী শাকিল মিয়ার স্ত্রী এবং লালমনিরহাট পৌরসভার দক্ষিণ বত্রিশ হাজারী এলাকার আইনুল হকের মেয়ে।
আদিতমারী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদ উন নবী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে মামলা নেওয়া হয়েছে। তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, দেশে থাকার সময় শাকিল মিয়ার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়ান আঁখি মনি। পরে শাকিল মিয়া সৌদি আরবে পাড়ি জমান। আট মাস আগে বিয়ের দাবিতে আঁখি মনি প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান নেয়। শেষে পরিবারের সিদ্ধান্তে শাকিল মিয়ার সঙ্গে ভার্চুয়াল বিয়ে হয় আঁখির। স্বামী সৌদিতে থাকলেও বিয়ের দিন থেকে আঁখি স্বামীর বাড়িতে থাকেন।
শুক্রবার রাতের খাবার খেয়ে নিজ ঘরে ঘুমাতে যান আঁখি। শনিবার সকালে তার কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে বাড়ির লোকজন ঘরের দরজা ভেঙে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে থানা-পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। এ সময় তার হাতে লেখা একটি চিরকুট উদ্ধার করে পুলিশ। এতে মৃত্যুর জন্য কাউকে দায়ী না করলেও মরদেহ মর্গে না পাঠানোর অনুরোধ জানায় আঁখি মনি।
থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘চিরকুটে কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ করেননি। তবে মরদেহ মর্গে নিয়ে না কাটার অনুরোধ জানায়। এ ঘটনায় আঁখির পরিবার তার শ্বশুর–শাশুড়ির বিরুদ্ধে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগ করেছেন। মরদেহ উদ্ধার করে সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।’

লালমনিরহাটের আদিতমারীতে আঁখি মনি (১৯) নামে নববধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ শনিবার উপজেলার ফায়ার সার্ভিস এলাকার নিজ বাড়ি থেকে লাশটি উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মৃত আঁখি ওই এলাকার সৌদিপ্রবাসী শাকিল মিয়ার স্ত্রী এবং লালমনিরহাট পৌরসভার দক্ষিণ বত্রিশ হাজারী এলাকার আইনুল হকের মেয়ে।
আদিতমারী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদ উন নবী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে মামলা নেওয়া হয়েছে। তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, দেশে থাকার সময় শাকিল মিয়ার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়ান আঁখি মনি। পরে শাকিল মিয়া সৌদি আরবে পাড়ি জমান। আট মাস আগে বিয়ের দাবিতে আঁখি মনি প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান নেয়। শেষে পরিবারের সিদ্ধান্তে শাকিল মিয়ার সঙ্গে ভার্চুয়াল বিয়ে হয় আঁখির। স্বামী সৌদিতে থাকলেও বিয়ের দিন থেকে আঁখি স্বামীর বাড়িতে থাকেন।
শুক্রবার রাতের খাবার খেয়ে নিজ ঘরে ঘুমাতে যান আঁখি। শনিবার সকালে তার কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে বাড়ির লোকজন ঘরের দরজা ভেঙে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে থানা-পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। এ সময় তার হাতে লেখা একটি চিরকুট উদ্ধার করে পুলিশ। এতে মৃত্যুর জন্য কাউকে দায়ী না করলেও মরদেহ মর্গে না পাঠানোর অনুরোধ জানায় আঁখি মনি।
থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘চিরকুটে কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ করেননি। তবে মরদেহ মর্গে নিয়ে না কাটার অনুরোধ জানায়। এ ঘটনায় আঁখির পরিবার তার শ্বশুর–শাশুড়ির বিরুদ্ধে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগ করেছেন। মরদেহ উদ্ধার করে সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।’

খুব সকালে কড়া নিরাপত্তার মাধ্যমে চিন্ময়সহ ২৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মিলিয়ে শতাধিক সদস্য আদালত প্রাঙ্গণে মোতায়েন করা হয়। খুব কম সময়ের মধ্যে আদালতে মামলার কার্যক্রম শেষ করা হয়।
১৫ মিনিট আগে
ফাওজুল কবির খান বলেন, ‘আপনি যদি বাংলাদেশের মঙ্গল চান, আপনি যদি রাজপথের সহিংসতা দেখতে না চান, যদি মানুষের খুন দেখতে না চান—তাহলে অবশ্যই ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন। দেশের চাবি আপনার হাতে। এই জন্যই আমাদের গণভোটের প্রচারণায় ভোটের গাড়ি।
১৯ মিনিট আগে
বাড্ডায় সড়ক ছেড়ে গেছেন অবরোধরত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালকেরা। এতে কুড়িল-রামপুরা সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাড্ডার ফুজি টাওয়ার এলাকায় অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন তাঁরা।
৩০ মিনিট আগে
অনেকটা মানসিক রোগীর মতো আচরণ করলেও খুব ঠান্ডা মাথায় এক বৃদ্ধা, এক নারী ও এক কিশোরীসহ ছয়জনকে খুন করেছেন মশিউর রহমান ওরফে সম্রাট (৪০)। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এসব খুনের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
৩৮ মিনিট আগে