লালমনিরহাট প্রতিনিধি

লালমনিরহাটের উপজেলা ভূমি অফিসগুলোতে কর্মরত ছয়জন কর্মচারীর বদলিসংক্রান্ত বিভাগীয় কমিশনার অফিসের আদেশ আড়াই মাসেও কার্যকর করা হয়নি। দীর্ঘদিন একই স্টেশনে কর্মরত থাকায় সেবার মানে স্বজনপ্রীতিসহ নানান জটিলতা দেখা দিয়েছে।
জানা গেছে, প্রশাসনিক কাজের সুবিধার্থে লালমনিরহাটের পাঁচটি উপজেলা ভূমি অফিসে কর্মরত ছয়জন কর্মচারীকে নীলফামারী ও কুড়িগ্রাম জেলায় বদলির আদেশ দেন রংপুর বিভাগীয় কমিশনার অফিস। গত ১৩ মে এ-সংক্রান্ত একটি চিঠি জারি করেন সহকারী কমিশনার সাদরুল আলম। এই আদেশ অনতিবিলম্বে কার্যকর করার কথাও বলা হয়েছে।
বদলির আদেশপ্রাপ্তরা হলেন সদর উপজেলা ভূমি অফিসের প্রধান সহকারী কাম হিসাবরক্ষক সুভাস চন্দ্র বর্মন, আদিতমারী উপজেলা ভূমি অফিসের নাজির কাম ক্যাশিয়ার উত্তম কুমার রায়, কালীগঞ্জ উপজেলা ভূমি অফিসের প্রধান সহকারী কাম হিসাবরক্ষক বিমল চন্দ্র বর্মন, একই অফিসের নাজির কাম ক্যাশিয়ার সাগর আলী, হাতীবান্ধা উপজেলা ভূমি অফিসের প্রধান সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক মিজানুর রহমান ও পাটগ্রাম উপজেলা ভূমি অফিসের নাজির কাম ক্যাশিয়ার আল মামুন। তাঁদের নীলফামারী ও কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বদলি করা হয়েছে।
ছয়জন কর্মচারীর জেলা বদলির এই চিঠি লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে পৌঁছালে সেখান থেকে গত ১৫ মে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে এর অনুলিপি পাঠানো হয়। কর্মচারীদের বদলির আদেশের চিঠি চালাচালির প্রায় আড়াই মাস পেরিয়ে গেলেও বদলির কোনো পদক্ষেপ নেই। কমিশনার কার্যালয়ের এই নির্দেশনা যেন ভুলেই গেছে বদলির আদেশ পাওয়া কর্মচারী থেকে সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ের কর্মকর্তারাও।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভূমি অফিসের একজন কর্মচারী বলেন, দীর্ঘদিন একই স্টেশনে চাকরির সুবাদে অনিয়মের রাজত্ব কায়েম করেছেন তাঁরা। তাঁরা প্রায় সবাই আওয়ামী দোসরের আশীর্বাদপুষ্ট কর্মচারী। এ কারণে তাঁদের জেলার বাইরে বদলির আদেশ এসেছে। জেলার বাইরে চাকরি করলে ফাঁকিবাজি করতে পারবেন না। তাই বদলির আদেশটি ক্ষমতার জোরে লাল ফিতায় আটকে রেখেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে লালমনিরহাট অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) জি আর সারওয়ার বলেন, কমিশনার অফিস থেকে প্রাপ্ত আদেশটি সংশ্লিষ্ট ইউএনও ও ভূমি অফিসে পাঠানো হয়েছে। তাঁরা কেন এখন পর্যন্ত তা কার্যকর করেনি, তা খতিয়ে দেখে দ্রুত কার্যকর করা হবে।

লালমনিরহাটের উপজেলা ভূমি অফিসগুলোতে কর্মরত ছয়জন কর্মচারীর বদলিসংক্রান্ত বিভাগীয় কমিশনার অফিসের আদেশ আড়াই মাসেও কার্যকর করা হয়নি। দীর্ঘদিন একই স্টেশনে কর্মরত থাকায় সেবার মানে স্বজনপ্রীতিসহ নানান জটিলতা দেখা দিয়েছে।
জানা গেছে, প্রশাসনিক কাজের সুবিধার্থে লালমনিরহাটের পাঁচটি উপজেলা ভূমি অফিসে কর্মরত ছয়জন কর্মচারীকে নীলফামারী ও কুড়িগ্রাম জেলায় বদলির আদেশ দেন রংপুর বিভাগীয় কমিশনার অফিস। গত ১৩ মে এ-সংক্রান্ত একটি চিঠি জারি করেন সহকারী কমিশনার সাদরুল আলম। এই আদেশ অনতিবিলম্বে কার্যকর করার কথাও বলা হয়েছে।
বদলির আদেশপ্রাপ্তরা হলেন সদর উপজেলা ভূমি অফিসের প্রধান সহকারী কাম হিসাবরক্ষক সুভাস চন্দ্র বর্মন, আদিতমারী উপজেলা ভূমি অফিসের নাজির কাম ক্যাশিয়ার উত্তম কুমার রায়, কালীগঞ্জ উপজেলা ভূমি অফিসের প্রধান সহকারী কাম হিসাবরক্ষক বিমল চন্দ্র বর্মন, একই অফিসের নাজির কাম ক্যাশিয়ার সাগর আলী, হাতীবান্ধা উপজেলা ভূমি অফিসের প্রধান সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক মিজানুর রহমান ও পাটগ্রাম উপজেলা ভূমি অফিসের নাজির কাম ক্যাশিয়ার আল মামুন। তাঁদের নীলফামারী ও কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বদলি করা হয়েছে।
ছয়জন কর্মচারীর জেলা বদলির এই চিঠি লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে পৌঁছালে সেখান থেকে গত ১৫ মে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে এর অনুলিপি পাঠানো হয়। কর্মচারীদের বদলির আদেশের চিঠি চালাচালির প্রায় আড়াই মাস পেরিয়ে গেলেও বদলির কোনো পদক্ষেপ নেই। কমিশনার কার্যালয়ের এই নির্দেশনা যেন ভুলেই গেছে বদলির আদেশ পাওয়া কর্মচারী থেকে সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ের কর্মকর্তারাও।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভূমি অফিসের একজন কর্মচারী বলেন, দীর্ঘদিন একই স্টেশনে চাকরির সুবাদে অনিয়মের রাজত্ব কায়েম করেছেন তাঁরা। তাঁরা প্রায় সবাই আওয়ামী দোসরের আশীর্বাদপুষ্ট কর্মচারী। এ কারণে তাঁদের জেলার বাইরে বদলির আদেশ এসেছে। জেলার বাইরে চাকরি করলে ফাঁকিবাজি করতে পারবেন না। তাই বদলির আদেশটি ক্ষমতার জোরে লাল ফিতায় আটকে রেখেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে লালমনিরহাট অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) জি আর সারওয়ার বলেন, কমিশনার অফিস থেকে প্রাপ্ত আদেশটি সংশ্লিষ্ট ইউএনও ও ভূমি অফিসে পাঠানো হয়েছে। তাঁরা কেন এখন পর্যন্ত তা কার্যকর করেনি, তা খতিয়ে দেখে দ্রুত কার্যকর করা হবে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২৫ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে