লালমনিরহাট প্রতিনিধি

লালমনিরহাটের স্থানীয় পত্রিকা ‘সাপ্তাহিক আলোর মনি’র নির্বাহী সম্পাদক কবি হেলাল হোসেন কবিরকে বাড়ি থেকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে বেদম পিটিয়ে হত্যাচেষ্টা করেছে চিহ্নিত দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় তিনি ও তাঁর মা আহত হয়ে সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
গতকাল শনিবার রাত ৮টার দিকে নিজ বাড়ি সদর উপজেলার মহেন্দ্রনগর ইউনিয়নের মকরা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। হামলার ঘটনায় ১১ জনের নাম উল্লেখ করে সদর থানায় মামলা করা হলে রাতেই সোহরাব আলী (৪৮) নামের একজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তার সোহরাব আলী একই এলাকার মকবুল হোসেনের ছেলে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সাংবাদিক হেলাল হোসেন কবির তাঁর পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য নিজ বাড়ি থেকে বের হলে পূর্বশত্রুতার জেরে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ১০-১২ জন ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তাঁর ওপর হামলা চালান।
এজাহারে বলা হয়, হামলাকারীরা তাঁকে বাঁশের লাঠি ও লোহার রড দিয়ে মারধর করেন এবং তাঁর পকেট থেকে ১৭ হাজার ৩০০ টাকা ছিনিয়ে নেন। একপর্যায়ে ধারালো ছোরা দিয়ে তাঁর গলায় আঘাত করা হলে তিনি গুরুতর রক্তাক্ত জখম হন। তাঁর মা ছামছুন্নাহার বেগম লুসি তাঁকে বাঁচাতে এলে তাঁকেও মারধর ও শ্লীলতাহানি ঘটান হামলাকারীরা।
তাঁদের চিৎকারে স্থানীয় বাসিন্দারা এসে আহত হেলাল হোসেন কবির ও তাঁর মাকে উদ্ধার করে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক মো. হেলাল হোসেন কবির বাদী হয়ে ১১ জনের বিরুদ্ধে লালমনিরহাট সদর থানায় একটি এজাহার করেন। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আগেও জিডি করা হয়েছিল বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়। এ মামলায় পুলিশ রাতেই প্রধান অভিযুক্ত সোহরাব আলীকে গ্রেপ্তার করে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে লালমনিরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরন্নবী বলেন, ‘এজাহার পেয়ে তদন্ত শুরু করেছি। প্রধান অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছি, অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।’

লালমনিরহাটের স্থানীয় পত্রিকা ‘সাপ্তাহিক আলোর মনি’র নির্বাহী সম্পাদক কবি হেলাল হোসেন কবিরকে বাড়ি থেকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে বেদম পিটিয়ে হত্যাচেষ্টা করেছে চিহ্নিত দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় তিনি ও তাঁর মা আহত হয়ে সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
গতকাল শনিবার রাত ৮টার দিকে নিজ বাড়ি সদর উপজেলার মহেন্দ্রনগর ইউনিয়নের মকরা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। হামলার ঘটনায় ১১ জনের নাম উল্লেখ করে সদর থানায় মামলা করা হলে রাতেই সোহরাব আলী (৪৮) নামের একজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তার সোহরাব আলী একই এলাকার মকবুল হোসেনের ছেলে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সাংবাদিক হেলাল হোসেন কবির তাঁর পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য নিজ বাড়ি থেকে বের হলে পূর্বশত্রুতার জেরে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ১০-১২ জন ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তাঁর ওপর হামলা চালান।
এজাহারে বলা হয়, হামলাকারীরা তাঁকে বাঁশের লাঠি ও লোহার রড দিয়ে মারধর করেন এবং তাঁর পকেট থেকে ১৭ হাজার ৩০০ টাকা ছিনিয়ে নেন। একপর্যায়ে ধারালো ছোরা দিয়ে তাঁর গলায় আঘাত করা হলে তিনি গুরুতর রক্তাক্ত জখম হন। তাঁর মা ছামছুন্নাহার বেগম লুসি তাঁকে বাঁচাতে এলে তাঁকেও মারধর ও শ্লীলতাহানি ঘটান হামলাকারীরা।
তাঁদের চিৎকারে স্থানীয় বাসিন্দারা এসে আহত হেলাল হোসেন কবির ও তাঁর মাকে উদ্ধার করে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক মো. হেলাল হোসেন কবির বাদী হয়ে ১১ জনের বিরুদ্ধে লালমনিরহাট সদর থানায় একটি এজাহার করেন। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আগেও জিডি করা হয়েছিল বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়। এ মামলায় পুলিশ রাতেই প্রধান অভিযুক্ত সোহরাব আলীকে গ্রেপ্তার করে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে লালমনিরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরন্নবী বলেন, ‘এজাহার পেয়ে তদন্ত শুরু করেছি। প্রধান অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছি, অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে