
লালমনিরহাটে সুড়ঙ্গ খুঁড়ে সোনালী ব্যাংকে ডাকাতির চেষ্টা করেছে দুর্বৃত্তরা। তবে আশপাশের লোকজন বুঝতে পারায় তারা পালিয়ে যায়।
গতবার সোমবার রাত ১২টার দিকে সদর উপজেলার বড়বাড়ি সোনালী ব্যাংক শাখায় এ ঘটনা ঘটে। তবে ব্যাংকের টাকাসহ কোনো কিছুই খোয়া যায়নি।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ব্যাংকের পেছনের দেয়ালের নিচে একটি সুড়ঙ্গ খুঁড়ে ব্যাংকে ঢোকার চেষ্টা করে দুর্বৃত্তরা। তবে ব্যাংকে কর্মরত চতুর্থ শ্রেণির একজন কর্মচারী বিষয়টি বুঝতে পেরে চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে। এতে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।
খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও পুলিশসহ ব্যাংকের কর্মকর্তারা ছুটে আসেন। ব্যাংক থেকে টাকাসহ অন্য কিছু খোয়া গেছে কি না, তা জানতে অনুসন্ধান চালায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ, পুলিশ ও সেনাবাহিনী।
বড়বাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা লিমন বলেন, ব্যাংকটি থেকে টাকাসহ অন্য কিছু খোয়া গেছে কি না, তা জানতে অনুসন্ধান চালাচ্ছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ, পুলিশ ও সেনাবাহিনী। তবে সর্বশেষ তথ্যমতে, কোন কিছুই খোয়া যায়নি ব্যাংকে। দুর্বৃত্তরা সুড়ঙ্গ খুঁড়লেও ভেতরে প্রবেশ করতে পারেনি।

লালমনিরহাট সদর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নূরনবী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে আজকের পত্রিকাকে বলেন, তদন্ত চলছে। তবে টাকা খোয়া যাওয়ার কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। দুর্বৃত্তরা ব্যাংকে প্রবেশের আগেই লোকজন বুঝতে পাওয়ায় তারা পালিয়ে যায়।

সেলিমের ছেলে অন্তরের সঙ্গে এলাকার সজল, শাওন, ফাহাদ, রিয়াজসহ কয়েকজন কিশোরের সিনিয়র–জুনিয়র বিষয় নিয়ে বিরোধ ছিল। শনিবার দুপুরে এ নিয়ে মোবাইলে অন্তর ও সজলের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়। পরে সন্ধ্যায় সজল তাঁর সহযোগীদের নিয়ে সেলিমের বাড়ির সামনে এলে অন্তর বাইরে বের হয়ে আসেন।
১ ঘণ্টা আগে
দর্শনার্থী জসিম উদ্দিন বলেন, ‘বলীখেলা আমাদের ঐতিহ্যের একটি বড় অংশ। প্রতিযোগীদের শক্তি আর কৌশলের লড়াই খুবই উপভোগ করেছি। এমন আয়োজন নিয়মিত হলে ভালো লাগবে।’
১ ঘণ্টা আগে
মহতরপাড়া এলাকার জুয়েল নামের এক ব্যক্তির কাছ থেকে কিছুদিন আগে ফাজিলখার হাট এলাকায় মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেন ওই ব্যক্তি। শনিবার রাতে বড় উঠান এলাকায় মোটরসাইকেলে যাওয়ার সময় তাঁকে ধাওয়া দিলে একটি অটোরিকশার সঙ্গে ধাক্কা লেগে তিনি সড়কে পড়ে যান।
২ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি থানা এলাকায় গাছ, বাঁশ, বালু কিংবা মাটি পরিবহনের ক্ষেত্রে চাঁদাবাজি যেন অলিখিত নিয়মে পরিণত হয়েছে। এই চাঁদার কারবার চলে থানার ওসির নামে। প্রতি মাসে আদায় হয় ৪ থেকে ৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে ২ লাখ টাকা যায় ফটিকছড়ি থানার ওসি মুহাম্মদ সেলিমের পকেটে। চাঁদা আদায়ের বিষয়টি স্বীকার করেছেন...
৭ ঘণ্টা আগে