Ajker Patrika

পাটগ্রামে প্রিপেইড মিটার বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

পাটগ্রাম (লালমনিরহাট) প্রতিনিধি 
পাটগ্রামে প্রিপেইড মিটার বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ
পাটগ্রামে প্রিপেইড মিটার বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন। ছবি: আজকের পত্রিকা।

লালমনিরহাটের পাটগ্রামে নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানির (নেসকো) প্রিপেইড মিটার বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল এবং সমাবেশ করেছে গ্রাহকেরা।

রোববার (১৬ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় পাটগ্রাম উপজেলার সর্বস্তরের জনসাধারণের ব্যানারে আয়োজিত এসব কর্মসূচিতে উপজেলার কয়েক শত গ্রাহক অংশ নেয়। কর্মসূচি শেষে লালমনিরহাট-১ (হাতীবান্ধা-পাটগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার হাসান রাজীব প্রধানকে ও পাটগ্রামের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দ্বীপ জন মিত্রকে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

পাটগ্রাম হাটবাজারের পশ্চিম চৌরঙ্গী মোড়ে দেড় ঘণ্টা স্থায়ী মানববন্ধন শেষে সমাবেশে বক্তব্য দেন—পাটগ্রাম প্রেসক্লাবের সাধারণ সাইফুল ইসলাম সবুজ, স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন বিসমিল্লাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আব্দুল আকবার বিন আফসার, জীবনের আলো সংগঠনের সভাপতি আশরাফুল আলম ও রক্তের বন্ধন সমাজ কল্যাণ ফাউন্ডেশনের পরিচালক হামিদুল ইসলাম প্রমুখ।

এ সময় বক্তারা—প্রিপেইড মিটার চালুর পর থেকে সাধারণ মানুষ হয়রানি হচ্ছে, বিদ্যুৎ বিল দ্বিগুণ বেশি আসছে, রিচার্জ করার কয়েক দিনের মধ্যে টাকা হাওয়া হয়ে যায় এসবের কোনো যৌক্তিক ব্যাখ্যা নেসকো কর্তৃপক্ষ দিতে পারছে না, অবিলম্বে এই পকেট কাটা প্রিপেইড মিটার বাতিল করে পূর্বের মিটার চালু করে দিতে হবে, না হলে এই মিটার অপসারণে চূড়ান্ত আন্দোলনের ডাক দিয়ে বৃহত্তর আন্দোলন কর্মসূচি দেওয়ার কথা বলেন। সমাবেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীরাও অংশ নেন।

পাটগ্রাম পৌরসভার রসুলগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘প্রিপেইড মিটার লাগিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা লুটতরাজ চলছে। এই মিটার বাতিল করতে হবে।’

পৌরসভার নিউ পূর্ব পাড়ার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘নতুন মিটারের দরকার নাই। টাকা ঢুকাইলে, টাকা কেটে নেয়। আমরা শ্রমিক মানুষ, এভাবে টাকা কাটলে কীভাবে চলব? আগে ১৩০০ থেকে ১৫০০ টাকা বিল আসত, আর এখন মাসে ৩ হাজার টাকা যাচ্ছে।’

পাটগ্রাম নেসকোর বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী স্পন্দন বসাক বলেন, ‘যাদের বিল বেশি আসে, তারা অফিসে এসে যোগাযোগ করুক। বেশি আসে নাকি ব্যবহার অনুযায়ী আসে, সেটা আমরা দেখব। এখন পর্যন্ত যত লোক অফিসে আসছে, কেউ প্রমাণ করতে পারে নাই যে মিটারে বিল বেশি আসছে।’

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত