লক্ষ্মীপুর ও রামগঞ্জ প্রতিনিধি

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে বিএনপির অবস্থান কর্মসূচিতে হামলা চালিয়েছে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগ। এ সময় আওয়ামী লীগ-যুবলীগ ও বিএনপির মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ নেতা-কর্মী আহত হন। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
বিএনপি নেতাদের দাবি, আজ শনিবার বিকেলে বিএনপির অবস্থান কর্মসূচি ছিল। পরে একই সময় যুবলীগও শান্তি সমাবেশের ডাক দেয়। বিকেলে বিএনপির নেতা-কর্মীরা কর্মসূচিতে অংশ নিতে উপজেলার সাতারপাড়া চৌরাস্তায় পৌঁছালে তাঁদের ওপর হামলা চালায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। পুলিশ কয়েকটি ফাঁকাগুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আজ বিকেলে পৌর শহরের সাতারপাড়া চৌরাস্তায় বিএনপির অবস্থান কর্মসূচি চলছিল। একই স্থানে যুবলীগের উদ্যোগে শান্তি সমাবেশের ডাক দেওয়া হয়। যুবলীগের নেতা-কর্মীরা শান্তি সমাবেশ কর্মসূচি পালন করতে জড়ো হন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বিএনপির অবস্থান কর্মসূচিতে হামলা চালান। পরে পাল্টা হামলা চালান বিএনপির নেতা-কর্মীরা।
এ ঘটনায় বিএনপি নেতা আবদুর রহমান, কবির ভাট, আবদুর রহমান মিলন, শেখ কামরুল, নজরুল ইসলাম পিন্টুসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ নেতা-কর্মী আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে রামগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও বিএনপি নেতা মামুন আহম্মেদ ও কেন্দ্রীয় যুবদলের সহসভাপতি ইমাম হোসেন বলেন, কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে রামগঞ্জ উপজেলা বিএনপির নেতা-কর্মীরা শান্তিপূর্ণভাবে সাতারপাড়া এলাকা থেকে বাইপাস সড়কে অবস্থান নিতে বের হন। এর আগ থেকেই ওই এলাকায় লাঠিসোঁটা ও অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে অবস্থান নেন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমিক লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা-কর্মীরা। তাঁরা অতর্কিতভাবে বিএনপির নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা চালান। এতে বিএনপির ১০ নেতা-কর্মী আহত হন। এ সময় পুলিশের ছত্রচ্ছায়ায় যুবলীগের নেতা-কর্মীরা বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করেন।
রামগঞ্জ পৌরসভা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পৌর মেয়র বেলাল আহমেদ জানান, কেন্দ্র ঘোষিত যুবলীগের শান্তি সমাবেশ চলছিল। ওই স্থানে বিএনপির নেতা-কর্মীরা উসকানিমূলক বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছিল। পরে শান্তি সমাবেশের ওপর বিএনপির নেতা-কর্মীরা হামলা চালায়। এতে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতা-কর্মী আহত হন। ভাঙচুর করা হয় ১০টি মোটরসাইকেল। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
রামগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, ‘আমাদের পূর্বনির্ধারিত শান্তি সমাবেশকে কেন্দ্র করে বিএনপি ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছে। বিএনপি দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা চালাচ্ছে। যা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা কোনো অবস্থাতেই মেনে নেবে না। শান্তি সমাবেশে বিএনপির সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়েছে।’
রামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. এমদাদুল হক বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আটটি ফাঁকা গুলি ছোড়া হয়। পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এখন পর্যন্ত কেউ কোনো অভিযোগ দেয়নি। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে বিএনপির অবস্থান কর্মসূচিতে হামলা চালিয়েছে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগ। এ সময় আওয়ামী লীগ-যুবলীগ ও বিএনপির মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ নেতা-কর্মী আহত হন। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
বিএনপি নেতাদের দাবি, আজ শনিবার বিকেলে বিএনপির অবস্থান কর্মসূচি ছিল। পরে একই সময় যুবলীগও শান্তি সমাবেশের ডাক দেয়। বিকেলে বিএনপির নেতা-কর্মীরা কর্মসূচিতে অংশ নিতে উপজেলার সাতারপাড়া চৌরাস্তায় পৌঁছালে তাঁদের ওপর হামলা চালায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। পুলিশ কয়েকটি ফাঁকাগুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আজ বিকেলে পৌর শহরের সাতারপাড়া চৌরাস্তায় বিএনপির অবস্থান কর্মসূচি চলছিল। একই স্থানে যুবলীগের উদ্যোগে শান্তি সমাবেশের ডাক দেওয়া হয়। যুবলীগের নেতা-কর্মীরা শান্তি সমাবেশ কর্মসূচি পালন করতে জড়ো হন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বিএনপির অবস্থান কর্মসূচিতে হামলা চালান। পরে পাল্টা হামলা চালান বিএনপির নেতা-কর্মীরা।
এ ঘটনায় বিএনপি নেতা আবদুর রহমান, কবির ভাট, আবদুর রহমান মিলন, শেখ কামরুল, নজরুল ইসলাম পিন্টুসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ নেতা-কর্মী আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে রামগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও বিএনপি নেতা মামুন আহম্মেদ ও কেন্দ্রীয় যুবদলের সহসভাপতি ইমাম হোসেন বলেন, কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে রামগঞ্জ উপজেলা বিএনপির নেতা-কর্মীরা শান্তিপূর্ণভাবে সাতারপাড়া এলাকা থেকে বাইপাস সড়কে অবস্থান নিতে বের হন। এর আগ থেকেই ওই এলাকায় লাঠিসোঁটা ও অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে অবস্থান নেন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমিক লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা-কর্মীরা। তাঁরা অতর্কিতভাবে বিএনপির নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা চালান। এতে বিএনপির ১০ নেতা-কর্মী আহত হন। এ সময় পুলিশের ছত্রচ্ছায়ায় যুবলীগের নেতা-কর্মীরা বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করেন।
রামগঞ্জ পৌরসভা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পৌর মেয়র বেলাল আহমেদ জানান, কেন্দ্র ঘোষিত যুবলীগের শান্তি সমাবেশ চলছিল। ওই স্থানে বিএনপির নেতা-কর্মীরা উসকানিমূলক বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছিল। পরে শান্তি সমাবেশের ওপর বিএনপির নেতা-কর্মীরা হামলা চালায়। এতে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতা-কর্মী আহত হন। ভাঙচুর করা হয় ১০টি মোটরসাইকেল। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
রামগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, ‘আমাদের পূর্বনির্ধারিত শান্তি সমাবেশকে কেন্দ্র করে বিএনপি ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছে। বিএনপি দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা চালাচ্ছে। যা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা কোনো অবস্থাতেই মেনে নেবে না। শান্তি সমাবেশে বিএনপির সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়েছে।’
রামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. এমদাদুল হক বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আটটি ফাঁকা গুলি ছোড়া হয়। পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এখন পর্যন্ত কেউ কোনো অভিযোগ দেয়নি। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।

দোতালা ভবনের নিচতলায় একটি কক্ষে বসে রয়েছেন ফার্মাসিস্ট মোল্লা মনিরুজ্জামান। তাঁর কাছেই বিভিন্ন বয়সী রোগীরা আসছেন চিকিৎসা নিতে। উপসর্গ শুনে রোগীদের জন্য নিজেই ওষুধ লিখে দিচ্ছেন মনিরুজ্জামান।
৫ মিনিট আগে
কেন্দ্রীয় বিএনপির দলীয় প্যাডে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ইতিপূর্বে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কার্যকলাপের জন্য বকশীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ফখরুজ্জামান মতিনকে দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
১৪ মিনিট আগে
রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে