কমলনগর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি

লক্ষ্মীপুর কমলনগরে মেঘনা নদীর ভাঙনে ভিটেমাটি হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছেন সেখানকার বেশ কয়েকজন বাসিন্দা। তাদের একটাই দাবি, এলাকায় টেকসই বাঁধ নির্মাণ। ভাঙনরোধে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন তারা।
কমলনগরের কালকিনি ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. দেলোয়ার হোসেন তার ৮৫ বছরের জীবনে মোট ১২ বার ভাঙনের শিকার হয়েছেন। সাত মেয়ে ও দুই ছেলে নিয়ে অসহায়ের মত বসবাস করছেন অন্যের আশ্রয়ে।
নিজের দুরবস্তা তুলে ধরে আজকের পত্রিকাকে তিনি বলেন, ‘আমার প্রায় ৪০ বিঘার মত জমি আছিলো। ওইডি এহন বিক্রি করলে ৩ কোটি টাকার মত দাম হইত। কিন্তু নদী ভাইঙা তো সব হারায়া ফালাইলাম। আর এখন যেহানে আছি, ওইহানেও মনে হয় না এক দুই মাসের বেশি থাকবার পারমু।’
একই ওয়ার্ডের আরেক বাসিন্দা আব্দুল মালেক মোল্লা (৭৫)। ৬ বার মেঘনার ভাঙনের শিকার হয়ে তিনিও হয়ে পড়েছেন সহায় সম্বলহীন। দেলোয়ার হোসেনের মত তিনিও থাকছেন অন্যের জায়গায়। আক্ষেপের সুরে তিনি বলেন, ‘এখন যদি মৃত্যুর আগে অন্তত নদীর বাঁধটা দেখে যেতে পারতাম, তাহলে নিজেকে ধন্য মনে করতাম।’
মো. দেলোয়ার হোসেন বা আব্দুল মালেক মোল্লার মত কমলনগরের আরও অনেকেই নদী ভাঙনে সর্বস্ব হারিয়েছেন; করছেন মানবেতর জীবনযাপন।
চর কালকিনি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. সাইফুল্লাহ বলেন, ‘কমলনগরের সবচেয়ে ভয়াবহ সমস্যা এই মেঘনা নদী ভাঙন। যদি ভাঙন রোধ এবং বাঁধ সমস্যার সমাধান করা না যায় তাহলে মানচিত্র থেকে কমলনগর এলাকাটি হারিয়ে যাবে।’
তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী মেঘনায় ভাঙনরোধে যে প্রকল্পটির অনুমোদন দিয়েছেন তা অতি দ্রুত বাস্তবায়ন করে একটি টেকসই বাঁধ নির্মাণ করার অনুরোধ জানাচ্ছি আমরা।’

লক্ষ্মীপুর কমলনগরে মেঘনা নদীর ভাঙনে ভিটেমাটি হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছেন সেখানকার বেশ কয়েকজন বাসিন্দা। তাদের একটাই দাবি, এলাকায় টেকসই বাঁধ নির্মাণ। ভাঙনরোধে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন তারা।
কমলনগরের কালকিনি ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. দেলোয়ার হোসেন তার ৮৫ বছরের জীবনে মোট ১২ বার ভাঙনের শিকার হয়েছেন। সাত মেয়ে ও দুই ছেলে নিয়ে অসহায়ের মত বসবাস করছেন অন্যের আশ্রয়ে।
নিজের দুরবস্তা তুলে ধরে আজকের পত্রিকাকে তিনি বলেন, ‘আমার প্রায় ৪০ বিঘার মত জমি আছিলো। ওইডি এহন বিক্রি করলে ৩ কোটি টাকার মত দাম হইত। কিন্তু নদী ভাইঙা তো সব হারায়া ফালাইলাম। আর এখন যেহানে আছি, ওইহানেও মনে হয় না এক দুই মাসের বেশি থাকবার পারমু।’
একই ওয়ার্ডের আরেক বাসিন্দা আব্দুল মালেক মোল্লা (৭৫)। ৬ বার মেঘনার ভাঙনের শিকার হয়ে তিনিও হয়ে পড়েছেন সহায় সম্বলহীন। দেলোয়ার হোসেনের মত তিনিও থাকছেন অন্যের জায়গায়। আক্ষেপের সুরে তিনি বলেন, ‘এখন যদি মৃত্যুর আগে অন্তত নদীর বাঁধটা দেখে যেতে পারতাম, তাহলে নিজেকে ধন্য মনে করতাম।’
মো. দেলোয়ার হোসেন বা আব্দুল মালেক মোল্লার মত কমলনগরের আরও অনেকেই নদী ভাঙনে সর্বস্ব হারিয়েছেন; করছেন মানবেতর জীবনযাপন।
চর কালকিনি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. সাইফুল্লাহ বলেন, ‘কমলনগরের সবচেয়ে ভয়াবহ সমস্যা এই মেঘনা নদী ভাঙন। যদি ভাঙন রোধ এবং বাঁধ সমস্যার সমাধান করা না যায় তাহলে মানচিত্র থেকে কমলনগর এলাকাটি হারিয়ে যাবে।’
তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী মেঘনায় ভাঙনরোধে যে প্রকল্পটির অনুমোদন দিয়েছেন তা অতি দ্রুত বাস্তবায়ন করে একটি টেকসই বাঁধ নির্মাণ করার অনুরোধ জানাচ্ছি আমরা।’

পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
১৪ মিনিট আগে
ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে প্রতিবছর সুন্দরবনে অনেক বন্য প্রাণী মারা যায়। এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগে বন্য প্রাণীদের নিরাপদে রাখতে বানানো হয়েছে সাতটি টাইগার টিলা (উঁচু কিল্লা)। বাঘ সংরক্ষণ প্রকল্পের আওতায় এসব বানানো হয়েছে। এ ছাড়া টিলার পাশে বন্য প্রাণীদের সুপেয় পানি সরবরাহে খনন করা হয়েছে মিষ্টি পানির পুকুর।
১৮ মিনিট আগে
দীর্ঘ ২৮ বছরের অচলাবস্থা কাটিয়ে ২০ জানুয়ারিতে হতে যাওয়া শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন নিয়ে যেন শঙ্কা কাটছে না। নির্বাচনে দুবার তফসিল ঘোষণা, নির্বাচন কমিশন কর্তৃক স্থগিত করা শেষে এখন ভোট গ্রহণ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
২০ মিনিট আগে
সেন্ট মার্টিনের পরিবেশ-প্রতিবেশ রক্ষায় গত বছর থেকে সরকার পর্যটক নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নেয়। পর্যটক সীমিত করার পাশাপাশি দ্বীপে নিষিদ্ধ পলিথিন ও একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক পণ্য বহন রোধ করাসহ ভ্রমণে ১২টি নির্দেশনা বা শর্ত আরোপ করে।
২৩ মিনিট আগে