লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার খাসেরহাট এলাকায় বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে দুজন নিহতের ঘটনায় পৃথক দুটি হত্যা মামলায় এ পর্যন্ত ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এর মধ্যে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা জসিম উদ্দিন ব্যাপারী হত্যা মামলায় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের ১৪ নেতা-কর্মীকে আজ বুধবার ভোররাতে রাজধানী ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। দুপুরে তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন আবুল খায়ের গাজী, খালিদ গাজী, জাকির হোসেন, আবদুল মান্নান গাজী, সিদ্দিক আলী, সোলায়মান দেওয়ান, নেসার উদ্দিন, ইমাম হোসেন, মিজান সরদার, শাহাদাত হোসেন, খিজির আহমেদ, তসলিম উদ্দিন, হানিফ দেওয়ান ও হারুন। এর আগে সাইজ উদ্দিন হত্যার ঘটনায় আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নিজাম উদ্দিন ভূইয়া জানান, সংঘর্ষে বিএনপির দুই কর্মী নিহত হওয়ায় পৃথক দুটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। দুটি মামলায় মোট ৭৪ জনের নাম উল্লেখ করা হয় এবং অজ্ঞাতনামা ২৩০ জনকে আসামি করা হয়। র্যাবের সহযোগিতায় ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার হওয়া ১৪ জনসহ এখন পর্যন্ত ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
উল্লেখ্য, ৭ এপ্রিল সোমবার চরবংশী ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিএনপির সাবেক সহসভাপতি ফারুক কবিরাজ এবং কৃষক দলের সদস্যসচিব শামীম গাজীর অনুসারীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। এ সময় বেশ কয়েকটি বাড়িঘরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে সাইজ উদ্দিন নামের এক বিএনপি কর্মী নিহত হন। সাত দিন পর ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা জসিম উদ্দিন ব্যাপারী।
এ ঘটনায় ১০ এপ্রিল নিহত সাইজ উদ্দিনের ভাই হানিফ দেওয়ান বাদী হয়ে বিএনপি নেতা ফারুক কবিরাজকে প্রধান আসামি করে ২৬ জনের নাম উল্লেখসহ ১৮৬ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন। অপর দিকে ১৫ এপ্রিল জসিম উদ্দিনের বাবা হজল করিম ব্যাপারী ৪৮ জনের নাম উল্লেখসহ আরও ৭০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে রায়পুর থানায় পৃথক একটি হত্যা মামলা করেন। ঘটনার পর বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও কৃষক দলের ১৬ নেতা-কর্মীকে বহিষ্কার করেছে রায়পুর উপজেলা বিএনপি।

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার খাসেরহাট এলাকায় বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে দুজন নিহতের ঘটনায় পৃথক দুটি হত্যা মামলায় এ পর্যন্ত ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এর মধ্যে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা জসিম উদ্দিন ব্যাপারী হত্যা মামলায় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের ১৪ নেতা-কর্মীকে আজ বুধবার ভোররাতে রাজধানী ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। দুপুরে তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন আবুল খায়ের গাজী, খালিদ গাজী, জাকির হোসেন, আবদুল মান্নান গাজী, সিদ্দিক আলী, সোলায়মান দেওয়ান, নেসার উদ্দিন, ইমাম হোসেন, মিজান সরদার, শাহাদাত হোসেন, খিজির আহমেদ, তসলিম উদ্দিন, হানিফ দেওয়ান ও হারুন। এর আগে সাইজ উদ্দিন হত্যার ঘটনায় আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নিজাম উদ্দিন ভূইয়া জানান, সংঘর্ষে বিএনপির দুই কর্মী নিহত হওয়ায় পৃথক দুটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। দুটি মামলায় মোট ৭৪ জনের নাম উল্লেখ করা হয় এবং অজ্ঞাতনামা ২৩০ জনকে আসামি করা হয়। র্যাবের সহযোগিতায় ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার হওয়া ১৪ জনসহ এখন পর্যন্ত ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
উল্লেখ্য, ৭ এপ্রিল সোমবার চরবংশী ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিএনপির সাবেক সহসভাপতি ফারুক কবিরাজ এবং কৃষক দলের সদস্যসচিব শামীম গাজীর অনুসারীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। এ সময় বেশ কয়েকটি বাড়িঘরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে সাইজ উদ্দিন নামের এক বিএনপি কর্মী নিহত হন। সাত দিন পর ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা জসিম উদ্দিন ব্যাপারী।
এ ঘটনায় ১০ এপ্রিল নিহত সাইজ উদ্দিনের ভাই হানিফ দেওয়ান বাদী হয়ে বিএনপি নেতা ফারুক কবিরাজকে প্রধান আসামি করে ২৬ জনের নাম উল্লেখসহ ১৮৬ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন। অপর দিকে ১৫ এপ্রিল জসিম উদ্দিনের বাবা হজল করিম ব্যাপারী ৪৮ জনের নাম উল্লেখসহ আরও ৭০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে রায়পুর থানায় পৃথক একটি হত্যা মামলা করেন। ঘটনার পর বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও কৃষক দলের ১৬ নেতা-কর্মীকে বহিষ্কার করেছে রায়পুর উপজেলা বিএনপি।

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস ফলের দোকানে ঢুকে পড়ে। এতে অল্পের জন্য রক্ষা পান দোকানি। তবে বাসের ধাক্কায় গুঁড়িয়ে গেছে ওই ফলের দোকানটি। বাসের ধাক্কায় একটি অটোরিকশাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। রোববার (১১ জানুয়ারি) বেলা ৩টার দিকে উপজেলার বরুমচড়া রাস্তার মাথা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
৩৭ মিনিট আগে
বিতণ্ডার কিছুক্ষণ পর ফাহিমা গোসলের জন্য ঘরে প্রবেশ করলে সাইদ সিয়াম তাঁর চার-পাঁচজন সহযোগীকে নিয়ে ধারালো অস্ত্রসহ ফাহিমার ওপর হামলা চালান। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। ফাহিমার চিৎকারে তাঁর চাচা আবু তাহের, চাচাতো ভাই ইকবাল হোসেন এবং বোনের জামাই শাহজালাল এগিয়ে এলে হামলাকারীরা তাঁদেরও কুপিয়ে জখম করেন।
৪২ মিনিট আগে
‘অনেকগুলো বিষয় আছে, যেগুলো আমরা খতিয়ে দেখছি। এর মধ্যে এই বিষয়টিও রয়েছে। কিছুদিন আগে ভিকটিম একটা মানববন্ধন করেছিলেন চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে। সেখানে মারামারি হয়েছিল। সে ঘটনায় মামলা হয়েছে। তা ছাড়া তিনি উদীয়মান জনপ্রিয় নেতা। এই বিষয়গুলো আমরা খতিয়ে দেখছি।’
১ ঘণ্টা আগে
গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুর থানাধীন তেতুইবাড়ী এলাকায় একটি পোশাক কারখানায় কাজ বন্ধ করে হামলা, ভাঙচুর ও কর্তৃপক্ষকে অবরুদ্ধ করার অভিযোগে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে