কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়া-২ আসনের পরাজিত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেছেন, ‘আমি জনগণের ভোটে নয়, কারচুপির ভোটে পরাজিত হয়েছি। আশা করি, এটা সবাই তদন্ত করে দেখবেন এবং প্রতিকার করবেন।’
আজ মঙ্গলবার কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলা জাসদের কার্যালয়ে ভোট পরবর্তী দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
সারা দেশে ভোট অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে মন্তব্য করে হাসানুল হক ইনু বলেন, ‘কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলো–আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর মস্তান বাহিনী ভোটের সাত দিন আগে থেকে যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে, সেটা বন্ধ করা সম্ভব হয়নি।
‘ভোটের দিন ১৬১টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৮টি কেন্দ্রে অস্বাভাবিক ভোট প্রদান লক্ষ্য করা গেছে, যা কারচুপির মাধ্যমে করা হয়েছে। প্রতিবাদ এবং উপর্যুপরি এ ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের নজরে আনার পরেও প্রশাসনের কর্মকর্তারা কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছেন।’
জোট প্রসঙ্গে জাসদ সভাপতি বলেন, ‘নির্বাচন নিয়ে জোটে কোনো রাজনৈতিক প্রভাব পড়বে না। তবে নির্বাচন নিয়ে জোটের শরিকদের মধ্যে যে বিভ্রান্তি ও বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে, সেটা অবশ্যই নিষ্পত্তি করতে হবে।’
একই সঙ্গে জোটের প্রার্থীর এলাকায় প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী স্বতন্ত্র প্রার্থীর গুন্ডা বাহিনীর যে আক্রমণ, হুমকি-ধমকি অত্যাচার শুরু হয়েছে, এটা অবশ্যই বন্ধ করতে হবে। তা না হলে জোটের অভ্যন্তরে সুষ্ঠু পরিবেশ থাকবে না।’
এ সময় জেলা জাসদের সভাপতি গোলাম মহসিন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলিম স্বপন, মিরপুর উপজেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক আহম্মদ আলীসহ দলীয় নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনুর অভিযোগ অস্বীকার করে নির্বাচিত সংসদ সদস্য কামারুল আরেফিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বরং তার (ইনু) লোকজন আমার কর্মী–সমর্থকদের ওপর হামলা চালিয়েছে। এ সময় তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, ভোটে হেরে গেলেই কি শুধু কারচুপির অভিযোগ ওঠে।’
এ বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক মো. এহেতেশাম রেজা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এখানে অভিযোগ তোলার কোনো সুযোগ নেই।’
আরও পড়ুন:

কুষ্টিয়া-২ আসনের পরাজিত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেছেন, ‘আমি জনগণের ভোটে নয়, কারচুপির ভোটে পরাজিত হয়েছি। আশা করি, এটা সবাই তদন্ত করে দেখবেন এবং প্রতিকার করবেন।’
আজ মঙ্গলবার কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলা জাসদের কার্যালয়ে ভোট পরবর্তী দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
সারা দেশে ভোট অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে মন্তব্য করে হাসানুল হক ইনু বলেন, ‘কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলো–আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর মস্তান বাহিনী ভোটের সাত দিন আগে থেকে যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে, সেটা বন্ধ করা সম্ভব হয়নি।
‘ভোটের দিন ১৬১টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৮টি কেন্দ্রে অস্বাভাবিক ভোট প্রদান লক্ষ্য করা গেছে, যা কারচুপির মাধ্যমে করা হয়েছে। প্রতিবাদ এবং উপর্যুপরি এ ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের নজরে আনার পরেও প্রশাসনের কর্মকর্তারা কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছেন।’
জোট প্রসঙ্গে জাসদ সভাপতি বলেন, ‘নির্বাচন নিয়ে জোটে কোনো রাজনৈতিক প্রভাব পড়বে না। তবে নির্বাচন নিয়ে জোটের শরিকদের মধ্যে যে বিভ্রান্তি ও বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে, সেটা অবশ্যই নিষ্পত্তি করতে হবে।’
একই সঙ্গে জোটের প্রার্থীর এলাকায় প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী স্বতন্ত্র প্রার্থীর গুন্ডা বাহিনীর যে আক্রমণ, হুমকি-ধমকি অত্যাচার শুরু হয়েছে, এটা অবশ্যই বন্ধ করতে হবে। তা না হলে জোটের অভ্যন্তরে সুষ্ঠু পরিবেশ থাকবে না।’
এ সময় জেলা জাসদের সভাপতি গোলাম মহসিন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলিম স্বপন, মিরপুর উপজেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক আহম্মদ আলীসহ দলীয় নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনুর অভিযোগ অস্বীকার করে নির্বাচিত সংসদ সদস্য কামারুল আরেফিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বরং তার (ইনু) লোকজন আমার কর্মী–সমর্থকদের ওপর হামলা চালিয়েছে। এ সময় তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, ভোটে হেরে গেলেই কি শুধু কারচুপির অভিযোগ ওঠে।’
এ বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক মো. এহেতেশাম রেজা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এখানে অভিযোগ তোলার কোনো সুযোগ নেই।’
আরও পড়ুন:

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে