দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তে মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে মহন আলী (২৫) নামের এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় শনিবার ভোরে প্রায় ৯ কোটি টাকার মাদকসহ সোহেল হোসেন (২৮) নামের একজনকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর ইউনিয়নের মহিষকুণ্ডি গ্রামের ঠোঁটারপাড়া মাঠে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মহন আলী জামালপুর গ্রামের মৃত মদন আলীর ছেলে। আহত হন তাঁর সঙ্গী হৃদয় (২৫), যিনি একই গ্রামের মৃত মনসুর আলীর ছেলে।
বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হামলার পর স্থানীয়দের সহায়তায় বিজিবির একটি টহল দল মহন ও হৃদয়কে উদ্ধার করে প্রথমে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ১১টার দিকে মহন আলীর মৃত্যু হয়।
পরে শনিবার ভোর সাড়ে ৩টার দিকে বিজিবি-৪৭ ব্যাটালিয়নের একটি দল অভিযান চালিয়ে ঠোঁটারপাড়া এলাকা থেকে অভিযুক্ত সোহেল হোসেনকে আটক করে। তিনি ওই গ্রামের মিল্টনের ছেলে।
বিজিবির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সোহেলের কাছ থেকে ৭৫ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিল ও ১৭ বোতল এলএসডি উদ্ধার করা হয়েছে, যার বাজারমূল্য আনুমানিক ৮ কোটি ৮৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা। আহত হৃদয় প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সোহেলকে হামলাকারীদের একজন হিসেবে শনাক্ত করেছেন বলে বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
সোহেলকে পরে দৌলতপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে হত্যা ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দুটি মামলা প্রক্রিয়াধীন।
এ ঘটনায় নিহত মহনের চাচা কদম আলী শনিবার দুপুরে পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও পাঁচ-ছয়জনকে অজ্ঞাত আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হুদা বলেন, ‘হত্যা মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। বিজিবির হাতে আটক আসামিকে কারাগারে পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।’

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তে মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে মহন আলী (২৫) নামের এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় শনিবার ভোরে প্রায় ৯ কোটি টাকার মাদকসহ সোহেল হোসেন (২৮) নামের একজনকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর ইউনিয়নের মহিষকুণ্ডি গ্রামের ঠোঁটারপাড়া মাঠে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মহন আলী জামালপুর গ্রামের মৃত মদন আলীর ছেলে। আহত হন তাঁর সঙ্গী হৃদয় (২৫), যিনি একই গ্রামের মৃত মনসুর আলীর ছেলে।
বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হামলার পর স্থানীয়দের সহায়তায় বিজিবির একটি টহল দল মহন ও হৃদয়কে উদ্ধার করে প্রথমে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ১১টার দিকে মহন আলীর মৃত্যু হয়।
পরে শনিবার ভোর সাড়ে ৩টার দিকে বিজিবি-৪৭ ব্যাটালিয়নের একটি দল অভিযান চালিয়ে ঠোঁটারপাড়া এলাকা থেকে অভিযুক্ত সোহেল হোসেনকে আটক করে। তিনি ওই গ্রামের মিল্টনের ছেলে।
বিজিবির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সোহেলের কাছ থেকে ৭৫ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিল ও ১৭ বোতল এলএসডি উদ্ধার করা হয়েছে, যার বাজারমূল্য আনুমানিক ৮ কোটি ৮৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা। আহত হৃদয় প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সোহেলকে হামলাকারীদের একজন হিসেবে শনাক্ত করেছেন বলে বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
সোহেলকে পরে দৌলতপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে হত্যা ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দুটি মামলা প্রক্রিয়াধীন।
এ ঘটনায় নিহত মহনের চাচা কদম আলী শনিবার দুপুরে পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও পাঁচ-ছয়জনকে অজ্ঞাত আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হুদা বলেন, ‘হত্যা মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। বিজিবির হাতে আটক আসামিকে কারাগারে পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৫ ঘণ্টা আগে